আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

শারদীয় দুর্গাপূজা আনন্দমুখর ও নিবিগ্নে করতে চট্টগ্রাম ট্রাফিক সমন্বয় সভা

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দামপাড়া পুলিশ লাইন্সস্থ সিএমপি’র সম্মেলন কক্ষে চট্টগ্রাম মহানগরীর আওতাধীন এলাকায় শারদীয় দুর্গাপূজা–২০২৫ উদযাপনকে শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও যানজটমুক্ত রাখার লক্ষ্যে এক ট্রাফিক “সমন্বয় সভা” অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন সিএমপি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) জনাব মোঃ আসফিকুজ্জামান আকতার, বিপিএম মহোদয়। সভায় দুর্গাপূজা চলাকালীন সময়ে পূজামণ্ডপকেন্দ্রিক এলাকায় নির্বিঘ্ন যান চলাচল নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থা গ্রহণ, গুরুত্বপূর্ণ পূজামণ্ডপ এলাকায় অতিরিক্ত ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন, বিকল্প সড়ক ব্যবহারের ব্যবস্থা, যানবাহনের পার্কিং নিয়ন্ত্রণ এবং সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখাসহ নাগরিকদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সভাপতি মহোদয় উপস্থিত বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শ্রবণ করেন এবং তাঁদের পরামর্শ ও সুপারিশসমূহকে গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করেন। সভাপতির বক্তব্যে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) জনাব মোঃ আসফিকুজ্জামান আকতার, বিপিএম মহোদয় বলেন “শারদীয় দুর্গাপূজা শুধুমাত্র ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি আমাদের সামাজিক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে নগরীতে বিপুল জনসমাগম ঘটে, তাই আমাদের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে হতে হবে আরও সুসংগঠিত ও কার্যকর। পূজামণ্ডপে আগত ভক্ত ও দর্শনার্থীদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে আমরা বিশেষ ট্রাফিক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি।

নগরীর গুরুত্বপূর্ণ পূজামণ্ডপ এলাকায় অতিরিক্ত ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন করা হবে, বিকল্প রুট নির্ধারণ করা হবে এবং যানবাহন পার্কিংয়ের ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হবে। সকলকে অনুরোধ করছি ট্রাফিক আইন মেনে চলার জন্য, যাতে দুর্গাপূজা উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপিত হয় এবং নগরীর সড়কে শৃঙ্খলা বজায় থাকে।

এ সময় সভায় উপস্থিত ছিলেন সিএমপি’র উপ-পুলিশ কমিশনার (পশ্চিম) জনাব হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূইয়া (অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত); উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-উত্তর) জনাব নেছার উদ্দিন আহম্মেদ, পিপিএম (অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত) সহ সিএমপি’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন স্টেকহোল্ডার প্রতিনিধিবৃন্দ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ