আজঃ শনিবার ৩০ মে, ২০২৬

কুতুবদিয়ায় দীর্ঘ বছরের পর উন্নয়নের স্পর্শে তোফায়েল আহমেদ সড়ক

মো: মনিরুল ইসলাম, কুতুবদিয়া।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজারের কুতুবদিয়ার দক্ষিণ ধূরুংয়ের ৬নং ওয়ার্ডের তোফায়েল আহমেদ সিকদার সড়কটি দীর্ঘ বছর ধরে উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি। রাস্তাটি কুতুব শরীফ দরবার সংলগ্ন পূর্ব ধূরুং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ধূরুং কাঁচা এলাকা ১৮/২০ চেইন পর্যন্ত চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ। এ সড়ক দিয়ে শিক্ষার্থী, কৃষক ও শ্রমিকসহ বিভিন্ন পথচারীদের চলাচলের অতি প্রয়োজনীয়। দীর্ঘ সময় ধরে অবহেলিত থাকায় বর্ষা মৌসুমে শিক্ষার্থীসহ পথচারীদের অতি কষ্টে চলাফেরা করতে হয়েছে। শুক্ন মৌসুমেও গাড়ি চলাচলের উপযোগী ছিলনা। বিষয়টি স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ এর দৃষ্টি গোচর হলে তিনি সরকারিভাবে উর্ধতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি অবগত করলে সড়কটি উন্নয়নের জন্য অনুমোদন পায়।

এক স্কুল পড়ুয়া ছাত্র জানান, আমি এবং আমার সহপাঠীরা এই সড়ক দিয়ে স্কুলে যাতায়াত করতে হয়। বর্ষা মৌসুমে আমাদের চলাচল করতে অতি কষ্ট হয়। রাস্তাটি সংস্কার হবে শুনে খুবই খুশি লাগছে।

গত ২৬ সেপ্টেম্বর স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন উদ্দিন আল আজাদ সড়কটি পরিদর্শন করেন এসময় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মরহুম আলহাজ্ব তোফায়েল আহমেদ সিকদারের পুত্র জিয়াউল হক জিয়া, হিলফুল ফুজুল কুতুবদিয়া সংগঠনের সভাপতি শেখ আখতারুল হক আল কুতুবী, বাদশাহ সহ বিভিন্ন জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, কুতুবদিয়া উপজেলার সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব যার নামে নাম করণ করে নির্মাণ করে ছিলাম আলহাজ্ব তোফায়েল আহমেদ সিকদার সড়ক। করেছি ইনভেন্টরি কোড ভোক্ত।আজ এক কোটি ত্রিশ লক্ষ টাকা ব্যায়ে কার্পেটিং দ্বারা উন্নয়ন কাজের লেওয়াড বা সূচনালগ্নে।এই সড়কটি প্রায় ১৫/১৮ ফিট প্রসস্থ করে মাঠি দ্বারা উন্নয়ন করার সময় অনেকে জমি, মাঠি এমন কি অনেকে গাছ কাটতে হয়েছে আরসিসি গেইট ভেঙ্গে জায়গা ছাড়তে হয়েছে সকলের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।

যার কথা না বললে নয় নীরবে যিনি কুতুবদিয়া উপজেলার উন্নয়ন করে যাচ্ছেন প্রকৌশলী আলহাজ্ব মনজুর সাদেক প্রকল্প পরিচালক আমার গ্রাম আমার শহর প্রকল্প। তার কাছে আমরা কৃতজ্ঞ, তার উত্তর উত্তর সাফলতা কামনা করি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের শ্রদ্ধা নিবেদনে প্রতি মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

স্বাধীনতার মহান ঘোষক ও বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকীতে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল চট্টগ্রাম মহানগরের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন‌ সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে প্রধান অতিথি বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এমপি।

মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনাকে নানা উপায়ে বিকৃত ও ভূলুণ্ঠিত করার চেষ্টা চলছে : চসিক মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে একটি মহল নানা ধরনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেছেন, দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ও উন্নয়নকে অব্যাহত রাখতে শহীদ জিয়ার আদর্শকে ধারণ করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।
শনিবার নগরের ষোলশহর ২ নম্বর গেট বিপ্লব উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে পুষ্পস্তবক অর্পণকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মেয়র বলেন, বিপ্লব উদ্যান বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত একটি ঐতিহাসিক স্থান। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাত্রিতে এখান থেকেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রতিরোধ ও বিদ্রোহের আহ্বান জানিয়েছিলেন। পরে ২৬ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে তিনি জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে উদ্বুদ্ধ করেন। তার নেতৃত্ব, দেশপ্রেম ও সাহসিকতা স্বাধীনতার ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

তিনি বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল প্রতিষ্ঠা করেন এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশে গণতান্ত্রিক রাজনীতির নতুন ধারা সূচনা করেন। একদলীয় শাসনব্যবস্থার পরিবর্তে জনগণের অংশগ্রহণমূলক রাজনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তার অবদান ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

ডা. শাহাদাত বলেন, বর্তমানে আমরা লক্ষ্য করছি মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনাকে নানা উপায়ে বিকৃত ও ভূলুণ্ঠিত করার চেষ্টা চলছে। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে সাম্য, ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠিত হবে। বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠনের যে স্বপ্ন শহীদ জিয়াউর রহমান দেখিয়েছিলেন, সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আধুনিক বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভিত রচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। কৃষি, শিল্প, শিক্ষা ও রেমিট্যান্স খাতে তার গৃহীত পদক্ষেপ দেশের অর্থনীতিকে নতুন গতি দিয়েছিল। তৈরি পোশাক শিল্পের বিকাশ, বৈদেশিক কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ এবং উৎপাদনমুখী অর্থনীতির ভিত্তি স্থাপনের মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেন।

মেয়র আরও বলেন, আজও বাংলাদেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অনেক খাত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী নীতির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। তার সুযোগ্য পুত্র বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে তথ্যপ্রযুক্তি, পর্যটন ও অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাতকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে আরও এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

চামড়া শিল্পের সংকটের প্রসঙ্গ তুলে ডা. শাহাদাত বলেন, একসময় দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা চামড়া শিল্প আজ নানা সংকটে বিপর্যস্ত। এই শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করতে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি করে দেশের অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার করা সম্ভব।
চট্টগ্রামকে দেশের পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম শুধু স্বাধীনতার ইতিহাসের নয়, দেশের অর্থনীতিরও প্রাণকেন্দ্র। এই নগরী সবসময় জাতীয় আন্দোলন সংগ্রাম এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নেতৃত্ব দিয়েছে। বন্দর, শিল্প, পর্যটন ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে চট্টগ্রামকে প্রকৃত অর্থে বাণিজ্যিক রাজধানীতে রূপান্তর করতে হবে।

তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী করার যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, তা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় নীতিগত উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি। আমরা আশা করি, ভবিষ্যতে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের মাধ্যমে চট্টগ্রাম জাতীয় অর্থনীতির আরও শক্তিশালী চালিকাশক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

মেয়র বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশপ্রেম, সততা ও কর্মনিষ্ঠার মাধ্যমে একটি সংকটাপন্ন দেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়েছিলেন। তার আদর্শ ধারণ করে দুর্নীতিমুক্ত, আত্মনির্ভরশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।তিনি আরও বলেন, আজকের দিনে আমাদের শপথ হোক, শহীদ জিয়াউর রহমানের দেশপ্রেম, সততা ও আদর্শকে ধারণ করে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব।

আলোচিত খবর

আজ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি, স্বাধীনতার ঘোষক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র প্রতিষ্ঠাতা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী শনিবার (৩০ মে)। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে দেশি-বিদেশি চক্রান্তে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্য তাকে হত্যা করে।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিএনপি গত ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত আট দিনব্যাপী বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত সারা দেশে বিশেষ পোস্টার প্রকাশ করা হচ্ছে এবং দলীয় নেতাকর্মীরা কালো ব্যাজ ধারণ করছেন। এছাড়া বিভিন্ন সংবাদপত্র ও অনলাইন পোর্টালে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে।

কর্মসূচিতে রয়েছে, ৩০ মে ভোর ৬টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের সব স্তরের দলীয় কার্যালয়ে দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা ও কালো পতাকা উত্তোলন করা। দেশের সব জেলা, মহানগর ও অন্যান্য ইউনিটেও একই কর্মসূচি রয়েছে। স্থানীয় সুবিধা অনুযায়ী আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল এবং দুঃস্থদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচিও পালন করা হবে।

একই দিন বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের জাতীয় নেতৃবৃন্দ এবং সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও জিয়ারত করবেন। জিয়ারত শেষে মাজার প্রাঙ্গণে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের প্রতিটি থানায় এবং দেশের অন্যান্য ইউনিটে অসচ্ছল ও দুঃস্থ মানুষের মধ্যে কাপড়, চাল, ডালসহ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।

পরদিন ৩১ মে দুপুর ২টায় রাজধানীর রমনায় ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তনে বিএনপির উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। তিনি দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা। তার প্রতিষ্ঠিত বিএনপি বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে।

জিয়াউর রহমান বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করেন। এজন্য তাকে বহুদলীয় গণতন্ত্রের জনক বলা হয়। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশ নিয়ে গঠিত সার্ক প্রতিষ্ঠারও স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন তিনি। জাতীয়তাবাদভিত্তিক একটি কালজয়ী রাজনৈতিক দর্শন প্রতিষ্ঠা করে গেছেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ