আজঃ সোমবার ১৩ এপ্রিল, ২০২৬

নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতে সকলের সম্মিলিত প্রয়াসের দাবি।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

‘মানসম্মত হেলমেট ও নিরাপদ গতি, কমবে জীবন ও সম্পদের ক্ষতি’প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বুধবার ৯ম বারের মতো জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উযদাপিত হয়ে আসেছে। দিবসটি পালন উপলক্ষে চট্টগ্রামে বেসরকারী উন্নয়ন সংগঠন স্টেপস টুয়ার্ডস ডেভেলপমেন্ট, পলিসি ইনফ্লুয়েন্স গ্রুপ-চট্টগ্রাম ও ক্যাব চট্টগ্রামের উ্দ্েযাগে নগরীর জামাল খান প্রেস ক্লাব চত্ত্বরে মানববন্ধন ও গণজমায়েতের আয়োজন করা হয়। পলিসি ইনফ্লুয়েন্স গ্রুপ চট্টগ্রামের সভাপতি ও বিশিষ্ট কলামিস্ট মুহাম্মদ মুসা খানের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব ও দৈনিক পূর্বদেশের বার্তা প্রধান আবু মোশারফ রাসেলের সঞ্চালনায় সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন, বিশিষ্ট নারী নেত্রী ও ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি জেসমিন সুলতানা পারু, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি ও ক্যাব চট্টগ্রামের সহ-সভাপতি এম নাসিরুল হক, ক্যাব বিভাগীয় সাধারন সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহার ছাবেরী, রাজনীতিবিদ মিটুল দাস গুপ্ত, বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী রোটারিয়ান এস এম আজিজ, অপকার নির্বাহেী পরিচালক মোঃ আলমগীর,

জাতীয়তাবাদী মহিলা দল চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সাধারন সম্পাদক লায়লা ইয়াসমিন, অপরাজেয় বাংলাদেশ এর বিভাগীয় সমন্বয়কারী জিনাত আরা বেগম, পার্কের নির্বাহী পরিচালক নজরুল ইসলাম মান্না, বোয়ালখালী উপজেলা চেয়ারম্যান সমিতির সাবেক সভাপতি নুর মোহাম্মদ চেয়ারম্যান, সাংবাদিক কমল চক্রবর্তী, ক্যাব সীতাকুন্ডের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন অনিক, এডাব চট্টগ্রামের বিভাগীয় সমন্বয়কারী মোঃ ফোরকান, জেলা সামাজিক উদ্যোক্তা পরিষদের যুগ্ন সম্পাদক মোহাম্মদ জানে আলম, ক্যাব সদরঘাটের সভাপতি মোহাম্মদ শাহীন চৌধুরী, ক্যাব পাচলাইশের মাজেদ ভাষানী, যুব ক্যাব কর্নফুলী উপজেলা সভাপতি আরফিন সুমন, যুব ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগরের যুগ্ন সম্পাদক আমজাদুল হক আয়াজ, সদস্য মোঃ সালমান রশীদ, সমাজকর্মী, মুজিব উল্লাহ তুষার, অধিকার চট্টগ্রামের সমন্বয়ক সাংবাদিক ওসমান জাহাঙ্গীর প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তরা বলেন, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে হলে সড়কের সাথে জড়িত সকল স্টেকহোল্ডারকে সম্মিলিতভাবে কাজ কতে হবে। সড়কে দুর্ঘটনার জন্য চালক ও হেলপার একা দায়ী নয়। এর সাথে যাত্রী, সড়কের অবকাঠামো, ফুটপাত দখল ও আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করা দরকার। আইন প্রয়োগে ক্ষমতাসীন দল ও বড়লোকদের প্রতি আইনের আওতায় আনতে অনীহা ও বিমাতাসুলভ আচরন আইন মানতে সর্বসাধারণের অনাগ্রহী দায়ী।

বক্তরা আরও বলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র একা সড়কে দখল ও ফুটপাত উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করছেন। কিন্তু সিটিকরপোরেশনের প্রশাসন, জেলা প্রশাসন, পুলিশ, সিডিএ ও বিআরটিএসহ অন্যরা সেখানেই নাই। সেকারণে সকালে হকার উচ্ছেদ হলেও বিকালে আবার বসে যাচ্ছেন। ফলে যে লাউ সেউ কদু। পুরো চট্টগ্রাম নগরী যানজটের নগরীরতে পরিনত হলেও বিআরটিএ ও সিএমপি’র কোন মাথা ব্যাথা নাই। সড়কে প্রতিদিন শুধু চট্টগ্রামে বিপুল প্রাণহাণি ঘটলেও কারো কোন উদ্বেগ আছে, সেরকম দৃশ্যমান উদ্যোগ নেই। নগরীর নতুন ব্রীজ, কর্নেলহাট, বহদ্দারহাট, বিমানবন্দর সড়ক, হালিশহর, দেওয়ানহাটসহ অনেক এলাকায় ঘন্টার পর ঘন্টা যানজটে লেগে আছে। ট্রাফিক বিভাগ এখানে পুরোপুরি নিস্কৃয়। শ্রমিক সংগঠনগুলো আগের মতো নতুন মোড়কে চাঁদা আদায়ে ব্যস্ত। সরকার পরিবর্তন হলেও ব্যবস্থা সেই আগের মতো।

বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সিস্টেম পরিবর্তন না হলে বাংলাদেশ ঠিক আগের অবস্থানেই থেকে যাবে। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় আমুল পরিবর্তন করতে হবে। যাত্রীদেরকে ট্রাফিক আইন কানুণ জানাতে হবে। একই সাথে ট্রাফিক আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনায় না নিয়ে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। মোটরসাইকেলের চালকদের হেলমেট পরা নিশ্চিত ও আইনের কঠোর প্রতিপালনের বিষয়ে আরও কঠোর হবার বিকল্প নাই। প্রয়োজনে এসমস্ত চালকদের সাথে সচেতনতামুলক কার্যক্রম গ্রহন করতে হবে। একটি দুর্ঘটনা শুধু সাধারণ ঘটনা নয়, সারা জীবনের কান্না। তাই যে কোন দুর্ঘটনাকে সামান্য বলে চালিয়ে না দিয়ে দূর্ঘটনা প্রতিরোধে দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহন করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, রোড ক্র্যাশ বা সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হচ্ছে বেপরোয়া বা অনিয়ন্ত্রিত গতিতে গাড়ি চালানো এবং মোটরসাইকেল চালানোর সময় হেলমেট ব্যবহার না করা। তাই ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ পরিহার করলে রোড ক্র্যাশের সম্ভাবনাও কমে যাবে। নিরাপদ বা নিয়ন্ত্রিত গতিই পারে সড়কে চলাচলরত মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে। সেইসঙ্গে সঠিক ও মানসম্মত হেলমেট-এর ব্যবহার মোটর সাইকেল চালক ও আরোহীর পথচলাকেও নিরাপদ করে তুলতে পারে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বোয়ালখালীতে পহেলা বৈশাখ ঘিরে উপজেলা প্রশাসনের বর্ণিল আয়োজন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ কে স্বাগত জানাতে উন্মুখ পুরো দেশ। সারাদেশের মতো বাঙালির এ প্রাণের উৎসবে মেতে ওঠার ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে।

উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নানা আয়োজন নিয়ে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। আজ চৈত্র সংক্রান্তি। আগামী মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বাংলা নতুন বছরের প্রথম দিন। পহেলা বৈশাখ উদ্যাপনের আয়োজন নিয়ে উপজেলা প্রশাসন, স্যার আশুতোষ সরকারি কলেজসহ বিভিন্ন সাহিত্য-সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী ব্যস্ত সময় পার করছেন।

প্রতি বছরের ন্যায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে সকাল ৯টায় বৈশাখী শোভাযাত্রা, রশি টানা, মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সকাল ৯টায় কানুনগোপাড়া স্যার আশুতোষ সরকারি কলেজে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে নববর্ষের আনন্দ শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
এছাড়া সম্মিলিত বর্ষবরণ উদ্যাপন পরিষদের উদ্যোগে উপজেলার দাশের দীঘির পাড়ে সকাল ৯টা থেকে সংগীতানুষ্ঠান, বলিখেলা, কাওয়ালী গানের আসর, গীতা আলেখ্য ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হবে। উৎসবকে ঘিরে ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। সাজানো হয়েছে অনুষ্ঠানস্থল, মঞ্চ ও আশপাশের এলাকা, নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে পুরো এলাকা এখন উৎসবমুখর হয়ে উঠবে।

বাংলা বছরের প্রথম দিন পহেলা বৈশাখ বাঙালির চিরন্তন সংস্কৃতি, আনন্দ ও আত্মপরিচয়ের এক উজ্জ্বল প্রতীক। পুরোনোকে পেছনে ফেলে নতুনকে বরণ করার এ দিনটি যুগে যুগে বাঙালির জীবনে নিয়ে এসেছে নতুন আশার বার্তা। প্রকৃতির রঙে রঙিন এই সময়টাতে শহর থেকে গ্রাম, দেশ থেকে প্রবাস সবখানেই এক অনন্য উৎসবমুখর আবহ তৈরি হয়। লাল-সাদা পোশাক, পান্তা-ইলিশ, মঙ্গল শোভাযাত্রাসব মিলিয়ে বৈশাখ হয়ে ওঠবে এক মহামিলনমেলায়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান ফারুক বলেন, “বাঙালির ইতিহাস-ঐতিহ্যের অংশ বাংলা নববর্ষ বরণে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্ততি নেওয়া হয়েছে। এখন অপেক্ষা প্রাণের এ উৎসবে মেতে ওঠার।”

এলপিজি নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে এল তিন জাহাজ, পথে আরও দুইটি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে এলপিজি (তরল পেট্টোলিয়াম গ্যাস) বোঝাই তিনটি জাহাজ পৌঁছেছে। একইসঙ্গে আরও অন্তত দুইটি গ্যাসবাহী জাহাজ আসার কথা রয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, শনিবার (১১ এপ্রিল) রাতে মালয়েশিয়া থেকে এলপিজি নিয়ে এসেছে ‘ডিএল লিলি’।
এছাড়া ভারত থেকে এলপিজি নিয়ে এসেছে ‘গ্যাস ক্যারেজ’। জাহাজ দুইটি বহির্নোঙরের চার্লি ও ব্রাভোতে অবস্থান করছে। এছাড়া রোববার যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলএনজি (তরল প্রাকৃতিক গ্যাস) নিয়ে ‘কংটং’ নামে আরো একটি জাহাজ এসেছে। সোমবার মালয়েশিয়া থেকে এলপিজি নিয়ে আসবে ‘পল’।

১৫ এপ্রিল অস্ট্রেলিয়া থেকে এলএনজি নিয়ে দেশে ঢুকবে ‘মারান গ্যাস হাইড্রা’। ১৮ এপ্রিল আসবে এলএনজিবাহী ‘লবিটো’।মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রভাব কাটাতে বিভিন্ন দেশ থেকে তেল-গ্যাস আমদানি করছে সরকার।

আলোচিত খবর

পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত ৩১ জন নাবিকের হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার অনুমতি পায়নি ‘বাংলার জয়যাত্রা’

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ ৪০ দিন আটকে থাকার পর যুদ্ধ পরিস্থিতির উন্নতি হলেও বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি) জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’ হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি না পেয়ে আবারও সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজা বন্দরে ফিরে যাওয়ার পথে রয়েছে।বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মাহমুদুল মালেক বলেন, ইরানের নির্দেশনা অনুযায়ী অনুমতি চাওয়া হলেও তা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। কূটনৈতিকভাবে অনুমতি পাওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে জাহাজটি হরমুজের কাছাকাছি অবস্থান করছে এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় শারজায় ফিরে যেতে বলা হয়েছে।

তিনি জানান, জাহাজে থাকা ৩১ জন নাবিকের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে। প্রতিদিন ১৮ টন সামুদ্রিক পানি পরিশোধনের সক্ষমতা থাকলেও ইঞ্জিন চালু রাখতে হওয়ায় রেশনিং করে পানির ব্যবহার দৈনিক ৬ টনে নামিয়ে আনা হয়েছে। নাবিকদের মনোবল ধরে রাখতে জনপ্রতি দৈনিক খাবারের বরাদ্দ ৭ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১২ ডলার করা হয়েছে। পাশাপাশি বেসিক বেতনের সমপরিমাণ ওয়ার অ্যালাউন্স দেওয়া হচ্ছে।

বিএসসি সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন আটকে থাকার পর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে গত বুধবার সৌদি আরবের রাস আল খায়ের বন্দর থেকে হরমুজ প্রণালির উদ্দেশে রওনা দেয় জাহাজটি। টানা প্রায় ৪০ ঘণ্টা যাত্রা শেষে শুক্রবার সকালে প্রণালির কাছাকাছি পৌঁছে ইরান সরকারের কাছে পারাপারের অনুমতি চাওয়া হয়। তবে তেহরান সেই অনুমতি দেয়নি। ফলে জাহাজটিকে ঘুরিয়ে নিরাপদে শারজায় ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিএসসির তথ্য অনুযায়ী, ভারত থেকে পণ্য নিয়ে গত ২ ফেব্রুয়ারি হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করে ‘বাংলার জয়যাত্রা’। পরে কাতার থেকে স্টিল কয়েল নিয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরে পৌঁছে। পরদিনই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার পর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় সংঘাত ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। ১১ মার্চ জেবেল আলীতে পণ্য খালাস শেষ হওয়ার পর কুয়েতে নতুন পণ্য বোঝাইয়ের পরিকল্পনা থাকলেও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জাহাজটি নিরাপদে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয় বিএসসি।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ