আজঃ বুধবার ৬ মে, ২০২৬

কুতুবদিয়া-পেকুয়া ঘাট পারাপারে যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবী জানালেন- সাবেক এমপি আলমগীর ফরিদ।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুতুবদিয়া-পেকুয়া ঘাট পারাপারে যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য উপজেলা প্রশাসনের প্রতি দ্রুত প্রদক্ষেপ নেওয়ার দাবী জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও কক্সবাজার-২ (কুতুবদিয়া- মহেশখালী) আসনের
দুইবারের নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ।

‎শুক্রবার বিকেলে উপজেলার সমুদ্র বিলাস হলরুমে কুতুবদিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।মতবিনিময় সভায় কুতুবদিয়ার উন্নয়ন, স্থানীয় জনদুর্ভোগ এবং আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়।

‎আলমগীর ফরিদ বলেন, “কুতুবদিয়ার স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ, লবণচাষিদের লবণের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা এবং ঘাট পারাপারে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সময়ের দাবি। নির্বাচিত হলে কুতুবদিয়াবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন- সেতু নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।তিনি আরও বলেন, বিএনপি ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচি দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের রূপরেখা। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।


এসময় কুতুবদিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জালাল আহমদ, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ছৈয়দ মোহাম্মদ বশির, মোহাম্মদ রায়হান, জেলা কৃষক দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আহমদ কবির সিকদার, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য মোঃ আজম,বড়ঘোপ ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব বোরহান উদ্দিন, যুগ্ম আহ্বায়ক শওকত আকবর উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

‎মিথ্যা অভিযোগে হয়রানি: চট্টগ্রামে নারীর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


‎থানায় মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে একটি বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে হয়রানি করার অপরাধে বিবি মরিয়ম বেগম নামে চট্টগ্রামের এক নারীকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

‎আজ (বুধবার) চট্টগ্রাম চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত-৬ এর ম্যাজিস্ট্রেট জনাব এস এম আলাউদ্দীন মাহমুদ এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত বিবি মরিয়ম নগরীর আকবরশাহ থানার উত্তর কাট্টলী এলাকার একাধিক মামলার আসামি ‘চটপটি আলাউদ্দিনের’ স্ত্রী ও ডাকাত ফয়সা‌লের মা । আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো: গিয়াসউদ্দিন চৌধুরী রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।আদালত ও পুলিশ প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর আকবরশাহ থানায় বীর মুক্তিযোদ্ধা জাকির হোসেনের ছেলে মোক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরি করেন বিবি মরিয়ম।

অভিযোগে তিনি দাবি করেন, মোক্তার হোসেন তার দুই ছেলে মো. ফয়সাল উদ্দীন ও ফাহাদ উদ্দীনকে মারধর এবং পরিবারকে হুমকি দিয়েছেন।
আদালতের নির্দেশে আকবরশাহ থানার তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এম সাকের আহমেদ ঘটনাটি সরেজমিনে তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। পুলিশের তদন্তে বিবি মরিয়মের অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রমাণিত হয়।

‎পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন এবং রাষ্ট্রপক্ষের লিখিত যুক্তিতর্ক অনুযায়ী, উত্তর কাট্টলী এলাকায় বীর মুক্তিযোদ্ধা জাকির হোসেনের মালিকানাধীন জমিটি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দখলের চেষ্টা করছিল স্থানীয় সন্ত্রাসী আলাউদ্দিন ও তার পরিবার। এই নিয়ে দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ এবং পরবর্তীতে আপিল বিভাগের ‘লার্জার বেঞ্চ’ বীর মুক্তিযোদ্ধা জাকির হোসেনের পক্ষে রায় বহাল রাখেন এবং নির্বিঘ্নে নির্মাণকাজের অনুমতি দেন।

‎আদালতের আদেশ অনুযায়ী, ২০২২ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর রাতে মোক্তার হোসেন তার জমিতে ইটভর্তি ট্রাক আনলে বিবি মরিয়মের ছেলে ফয়সাল ওরফে ‘গুটি ফয়সাল’ ও তার সহযোগীরা মোক্তার হোসেনের ওপর অতর্কিত ও বর্বরোচিত হামলা চালায়। হামলায় মোক্তার হোসেন মাথায় গুরুতর আঘাত প্রাপ্ত হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

এই বর্বরোচিত হামলা ও নিজেদের অপরাধ ঢাকা দিতে এবং মুক্তিযোদ্ধার পরিবারকে ফাঁসাতে পরদিন ২৪ সেপ্টেম্বর থানায় উল্টো মিথ্যা জিডি করেন বিবি মরিয়ম।
‎অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিবি মরিয়মের স্বামী আলাউদ্দিন ওরফে চটপটি আলাউদ্দিন হত্যা মামলাসহ ১৪টিরও বেশি মামলার আসামি ও আওয়ামীলী‌গের একজন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী।

‎তার ছেলে ফয়সালও র‌্যাব কর্তৃক ডাকাতির প্রস্তুতিকালে হাতেনাতে ধৃত এবং একাধিক মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি। উচ্চ আদালতের সুস্পষ্ট নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় তৎকালীন সংসদ সদস্য দিদারুল আলমের রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় এই চক্রটি বারবার মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের ওপর হামলা চালিয়ে আসছিল। এমনকি অভিযুক্তদের পক্ষে তৎকালীন এমপির লিখিত সুপারিশের কারণে ভুক্তভোগী পরিবারটি দীর্ঘদিন পুলিশি প্রতিকার পায়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে।

‎পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বিবি মরিয়মের অভিযোগটি মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় এবং প্রকৃত ভুক্তভোগী মোক্তার হোসেনকে ফাঁসানোর চেষ্টা করায়, আদালত দণ্ডবিধির ২১১ ধারায় মামলাটি আমলে নেন। বিজ্ঞ আদালত ৫ জন সাক্ষীর জেরা ও জবানবন্দি পর্যালোচনা করে আজ এই রায় প্রদান করেন।

আত্মসাত হওয়া ৬০ লাখ টাকার কাপড়ের রোল নোয়াখালীতে উদ্ধার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ঢাকায় নেওয়ার পথে আত্মসাত হওয়া ১৫৩টি কাপড়ের রোল উদ্ধার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। যার আনুমানিক মূল্য ৬০ লাখ টাকা। এসময় আবুল বাসার (২৬) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়। সোমবার নোয়াখালী জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে কাপড়ের রোলগুলো গুলো উদ্ধার করা হলেও মঙ্গলবার এ তথ্য জানা গেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মহানগর গোয়েন্দা (উত্তর) পুলিশের মো. জামির হোসেন জানান, গত ২৪ এপ্রিল রাত সাড়ে ১১টায় কলম্বিয়া অ্যাপারেলস লিমিটেডের আমদানিকৃত ১৬৩টি বিভিন্ন সাইজের কাপড়ের রোল চট্টগ্রাম বন্দর থেকে গাজীপুর নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। যার আনুমানিক মূল্য ৬০ লাখ টাকা। যাওয়ার পথে কার্ভাডভ্যানটি হালিশহর থানাধীন আব্বাসপাড়া টোলরোডস্থ চিটাগাং ফিলিং স্টেশনে রাখা হয়। এরপর দিবগাত রাত ৩টায় কাভার্ডভ্যানটি গাজীপুরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা করলেও গাড়ির চালকসহ অন্যরা কাপড়ের রোলগুলো আত্মসাত করেন। এ ঘটনায় হালিশহর থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করে ডিবি পুলিশ। গতকাল রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নোয়াখালী জেলার হাতিয়া থানাধীন ১নং হরিণী ইউনিয়নের আজিমনগর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ৯৬টি কাপড়ের রোল উদ্ধার করা হয়। পরে চর জব্বর থানাধীন চর মজিদ ভুঁইয়ার হাট বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আরও ৬৭টি কাপড়ের রোল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত আবুল বাসার (২৬) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়। অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আলোচিত খবর

ক্রুড অয়েলের সরবরাহ স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরবে একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ এক মাস বন্ধ থাকার পর আবার চালু হতে যাচ্ছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ সময় ধরে ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) আমদানি ব্যাহত হওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটির ক্রুড অয়েল প্রসেসিং ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে পুরো রিফাইনারিতে। ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) সংকট কেটে যাওয়ায় উৎপাদনে ফিরছে রিফাইনারিটি।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৭ মে থেকে প্রতিষ্ঠানটির অপারেশন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে। এদিকে, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন জানিয়েছে, চলতি মাসের শেষদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেও আরও এক লাখ টন ক্রুড অয়েল আসার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, রিফাইনারিতে সাধারণত সৌদি আরবের এরাবিয়ান লাইট এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মারবান ক্রুড অয়েল পরিশোধন করা হয়। প্রতিবছর চাহিদা অনুযায়ী প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়ে থাকে। কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর আর কোনো ক্রুড অয়েল দেশে আসেনি।

এতে করে প্রথমবারের মতো উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি, যা ১৯৬৮ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর নজিরবিহীন ঘটনা।পরবর্তীতে বিকল্প রুট ব্যবহার করে তেল আমদানির উদ্যোগ নেয় বিপিসি। এর অংশ হিসেবে লোহিত সাগর হয়ে সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজে এক লাখ টন ক্রুড অয়েল দেশে আনা হচ্ছে। জাহাজটি ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে এবং ৬ মে থেকে তেল খালাস শুরু হবে। ইস্টার্ন রিফাইনারির উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিপিং) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সৌদি আরব থেকে আমদানি করা এক লাখ টন ক্রুড অয়েলবাহী একটি জাহাজ ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। জাহাজ থেকে তেল খালাস শেষে ৭ মে থেকে পরিশোধন কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, আপাতত ক্রুড অয়েলের বড় ধরনের কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। চলতি মাসেই আরও একটি জাহাজ তেল নিয়ে দেশে আসার কথা রয়েছে, ফলে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ