আজঃ শনিবার ২১ মার্চ, ২০২৬

সালাউদ্দীন আলীকে গ্লোবাল হিউম্যান পিস ইউনিভার্সিটির ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

হসপিটালিটি ও হেলথ কেয়ার শিল্পে উদ্ভাবনী ধারণা, আধুনিক ব্যবস্থাপনা, সেবায় মানবিকতা সংযোজন এবং আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিতকরণে অনন্য ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশি প্রখ্যাত উদ্যোক্তা সালাউদ্দীন আলীকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করেছে গ্লোবাল হিউম্যান পিস ইউনিভার্সিটি। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এই অর্জন শুধু ব্যক্তিগত নয় – বরং বাংলাদেশের জন্যও এক গৌরবের প্রতীক হিসেবে মূল্যায়িত হচ্ছে।

শুক্রবার (১৭ অক্টোবর ২০২৫) শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টার বিএমআইসিএইচ (BMICH) হলে আয়োজিত এক বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সালাউদ্দীন আলীর হাতে ডক্টরেট ডিগ্রির সম্মাননা তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষাবিদবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে শ্রীলঙ্কা, ভারতসহ বিভিন্ন দেশের আমন্ত্রিত অতিথি, নীতিনির্ধারক, গবেষক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিতদের মধ্যে ছিলেন—
শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি মৈত্রীপালা সিরিসেনা, শ্রীলঙ্কার কিংবদন্তি ক্রিকেটার চামিন্দা ভাস, ভারতীয় হলিউড অভিনেতা আলী, ড. এমার জিত সিং, মি. জাকির হোসেন, আজোরা শর্মাএবং পাকিস্তান হাইকমিশন বাংলাদেশ কালচারাল উইং-এর সদস্য মাসুম বিল্লাল ফারদিন প্রমুখ।

ব্যবসায়িক দক্ষতা, গ্রাহককেন্দ্রিক পরিষেবা, প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনা ও মানবিক মূল্যবোধের প্রশংসনীয় সংমিশ্রণের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে এই দু’টি খাতে কাজ করে চলেছেন সালাউদ্দীন আলী।বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের মূল্যায়নে বলেন—“হেলথ কেয়ার ও হসপিটালিটির মতো মানবসেবাধর্মী শিল্পে আন্তর্জাতিক মান প্রতিষ্ঠা করে এবং মানুষের কল্যাণকে লক্ষ্য রেখে ব্যবসা পরিচালনার উদাহরণ তৈরি করেছেন সালাউদ্দীন আলী। তিনি ভবিষ্যৎ উদ্যোক্তাদের জন্য একটি রোল মডেল।

সম্মাননা গ্রহণের পর আবেগঘন প্রতিক্রিয়ায় সালাউদ্দীন আলী বলেন— “আমি গ্লোবাল হিউম্যান পিস ইউনিভার্সিটির কাছে কৃতজ্ঞ। এই স্বীকৃতি আমার দায়িত্ববোধ আরও বাড়িয়ে দিল। আমি বিশ্বাস করি ব্যবসা শুধু মুনাফার বিষয় নয়—মানুষের সেবা, শান্তি ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠাই ব্যবসার প্রকৃত লক্ষ্য। দেশের বাইরে এমন মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি পাওয়া আমার জীবনের অন্যতম বড় অর্জন, যা আমাকে ভবিষ্যতে আরও বড় দায়িত্বে অনুপ্রাণিত করবে।

অনুষ্ঠানে আলোচকরা মত দেন, সালাউদ্দীন আলীর নেতৃত্ব দেখিয়েছে যে ব্যবসা ও মানবিকতা পাশাপাশি এগোলে দেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও সামাজিক স্বাস্থ্যব্যবস্থায় টেকসই পরিবর্তন সম্ভব।

গ্লোবাল হিউম্যান পিস ইউনিভার্সিটির এই আন্তর্জাতিক সম্মাননার মাধ্যমে বাংলাদেশের হসপিটালিটি ও স্বাস্থ্যসেবা শিল্প বৈশ্বিক মঞ্চে নতুনভাবে চিহ্নিত হলো। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অর্জন ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ, গবেষণা ও সহযোগিতার নতুন দুয়ার খুলে দিতে সহায়তা করবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুতুবদিয়ায় ঈদ উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া দ্বীপে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন করেন স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ। ২০ মার্চ, বিকালে জনসাধারণ নিয়ে উদ্বোধন করেন। এ উদ্যোগে স্থানীয় পর্যটন শিল্পে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সমুদ্র উপকূলে পর্যটকদের জন্য নতুন এই বিনোদন সুবিধা চালুর প্রশংসা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউপি সদস্য মো: ফোরকান, কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসান কুতুবী, সাংবাদিক ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপির চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, এই উদ্যোগের ফলে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়বে এবং কুতুবদিয়ার পর্যটন খাত আরও সমৃদ্ধ হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর কুতুবদিয়ার বাতিঘর সী-বীচ ইতোমধ্যে পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। নতুন এই বোট সার্ভিস চালুর মাধ্যমে এলাকাটির আকর্ষণ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উদ্বোধনের পরপরই পর্যটকরা প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটে চড়ে সাগরের মনোরম পরিবেশ উপভোগ করেন। আয়োজকরা জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
পরে ইফতার ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্তি হয়।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ