আজঃ শনিবার ১৪ মার্চ, ২০২৬

সিসিএস মেয়র চ্যালেঞ্জ কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’র বুধবার যাত্রা শুরু

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সিজেকেএস ক্লাব সমিতির উদ্যোগে ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়রের পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সিসিএস মেয়র চ্যালেঞ্জ কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের যাত্রা শুরু হবে বুধবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে। উদ্বোধন করবেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। মঙ্গলবার চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান আয়োজকরা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সিজেকেএস ক্লাব সমিতির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাহাব উদ্দিন শামীম সিজেকেএস ক্লাব সমিতির উপদেষ্টা মো. হাফিজুর রহমান, সিজেকেএস ক্লাব সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট শাহীন আফতাবুর রেজা চৌধুরী, সহ সভাপতি ও মিডিয়া উপ কমিটির আহ্বায়ক মো. শাহজাহান, সহ সভাপতি নজরুল ইসলাম লেদু, মো. আমিনুল ইসলাম, সহ সভাপতি লোকমান হাকিম মো. ইব্রাহিম, অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক আনম ওয়াহিদ দুলাল, যুগ্ম সম্পাদক শাহাবুদ্দীন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, চসিক মেয়রের ক্রীড়া প্রতিনিধি আবদুল আহাদ রিপন, সদস্য আলী আকবর, আলী হাসান রাজু, সরওয়ার আলম চৌধুরী মনি, এ এস এম সাইফুদ্দিন চৌধুরী, আসিফ আহমেদ, সিজেকেএস সহ প্রশাসনিক কর্মকর্তা আমির হোসেন প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, টুর্নামেন্টে চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থা অনুমোদিত পাঁচটি ক্লাব চট্টগ্রাম মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব, ব্রাদার্স ইউনিয়ন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন একাদশ, কল্লোল সংঘ গ্রীণ এবং এস এ ফ্যামিলি স্পোর্টস ক্লাব অংশগ্রহণ করবে। লীগ পদ্ধতির টুর্নামেন্টটিতে সর্বোচ্চ পয়েন্ট অর্জনকারী চার ক্লাব সেমিফাইনালে অংশ নেবে। পরে সেমিফাইনাল জয়ী দু’দল ফাইনালে খেলবে।

সম্মেলনে আরও জানানো হয়, টুর্নামেন্টের প্রাইজমানি হিসেবে চ্যাম্পিয়ন দলকে দেড় লাখ টাকা টাকা ও ট্রফি এবং রানার দলকে এক লাখ টাকা ও ট্রফি দেওয়া হবে। এছাড়া তৃতীয় ও চতুর্থ দলকে ত্রিশ হাজার টাকা করে এবং পঞ্চম অবস্থানে থাকা দল পাবে বিশ হাজার টাকা। পাশাপাশি প্রতিটি খেলার ম্যান অব দ্যা ম্যাচকে দুই হাজার টাকা এবং ক্রেস্ট প্রদান করা হবে। টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় ও টুর্নামেন্টের সেরা গোলপিকার পাবে দশ হাজার টাকা করে।

এ টুর্নামেন্টের সম্ভাব্য বাজেট ধরা হয়েছে ১১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। পুরো টাকাই ব্যয় করবেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। খেলা উপভোগ করতে টিকেটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে সর্বনিম্ম ২০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০ টাকা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে চেক জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের চেষ্টায় একজনের কারাদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে চেক জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থ
আত্মসাতের চেষ্টায় একজনের কারাদণ্ড
ছবি-৩
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রামে স্বাক্ষর নকল ও চেক জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যাংক থেকে অর্থ আত্মসাতের চেষ্টার দায়ে নজরুল ইসলাম একজনকে ৯ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন একটি আদালত। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমান খানের আদালত এই রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত মো. নজরুল ইসলাম পটিয়া উপজেলার ভাটিখাইন ইউনিয়নের মো. নুরুল ইসলামের ছেলে।রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের বিশেষ পিপি মোকাররম হোসাইন। তিনি বলেন, রায়ের সময় আসামি পলাতক ছিলেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, নজরুল ইসলাম ও মো. শাহাজাহান ডবলমুরিং এলাকার মেসার্স নবী এন্ড সন্সের কর্মচারী ছিলেন। নজরুল ইসলাম ছিলেন ওই প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার। ২০০৭ সালের ৩ জুন দুপুর ২টার দিকে নগরীর সদরঘাট এলাকার স্ট্যান্ড রোডের জনতা ব্যাংকের শাখা থেকে তারা দুই কর্মচারী মিলে প্রতিষ্ঠানের মালিকের বড় ভাই মো. সেলিমের স্বাক্ষর জাল করে ৬টি চেক জনতা ব্যাংকে জমা দেয় টাকা উত্তোলনের জন্য। পরে ব্যাংক থেকে প্রতিষ্ঠানের মালিকপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে বিষয়টি বুঝতে পেরে তারা টাকা দিতে নিষেধ করেন। পরদিন অর্থাৎ ওই বছরের ৫ জুন চেকগুলোর মাধ্যমে টাকা প্রদান না করার জন্য ব্যাংক বরাবর লিখিত আবেদন করেন প্রতিষ্ঠানটির মালিক আবু সাদাত মোহাম্মদ শামীম। পরে ওই বছরের ১৮ জুলাই তিনি এ ঘটনায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় পুলিশ ২ নম্বর আসামির সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় শাহাজাহানকে চার্জশিট থেকে বাদ দিয়ে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন। ওই মামলায় আজ আসামি নজরুল ইসলামকে ৯ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সৌদি আরবের উপহার চট্টগ্রামের ১৫ উপজেলায় ৫০০ কার্টন খেজুর বরাদ্দ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরবের উপহার
চট্টগ্রামের ১৫ উপজেলায় ৫০০ কার্টন খেজুর বরাদ্দ
ছবি-১
চট্টগ্রাম ব্যুরো: সৌদি আরব থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া খেজুর চট্টগ্রামের ১৫ উপজেলায় ৫০০ কার্টন বরাদ্দ দয়ো হয়েছে। এদিকে খেজুর বরাদ্দ নিয়ে সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সারাদেশে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তার বক্তব্যের পর বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার খেজুর বরাদ্দের তালিকা সামনে আসতে শুরু করে এবং কোথায় কত কার্টন খেজুর গেছে তা নিয়ে জনমনে কৌতূহল তৈরি হয়। একই সঙ্গে বরাদ্দের পরিমাণ, বণ্টনের স্বচ্ছতা এবং প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে এসব খেজুর পৌঁছাচ্ছে কি না, এসব বিষয় নিয়েও আলোচনা চলছে।
চট্টগ্রাম জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন মো. ছাইফুল্লাহ মজুমদার জানান, চট্টগ্রামের ১৫টি উপজেলায় মোট ৫০০ কার্টন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ফটিকছড়িতে ৩৯ কার্টন, আনোয়ারায় ২৫ কার্টন, হাটহাজারীতে ৩৫ কার্টন, পটিয়ায় ৩৭ কার্টন এবং সীতাকুণ্ডে ২৫ কার্টন খেজুর দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া সন্দ্বীপে ৩৭ কার্টন, মিরসরাইয়ে ৩৭ কার্টন, রাঙ্গুনিয়ায় ৩৫ কার্টন, বোয়ালখালীতে ২৫ কার্টন, রাউজানে ৩৫ কার্টন এবং চন্দনাইশে ২৫ কার্টন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তালিকা অনুযায়ী বাঁশখালীতে ৩৭ কার্টন, লোহাগাড়ায় ২৫ কার্টন, সাতকানিয়ায় ৩৭ কার্টন, কর্ণফুলীতে ১৫ কার্টন এবং চট্টগ্রাম মহানগরে ২৫ কার্টন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, সৌদি আরবের বাদশাহ প্রতিষ্ঠিত ‘কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার’ থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া ১২ হাজার ২৫০ কার্টন খেজুর দেশের বিভিন্ন জেলায় বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর গত ৫ মার্চ সংশোধিত এক আদেশের মাধ্যমে এই বরাদ্দ চূড়ান্ত করে জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে পাঠিয়েছে। জনসংখ্যার অনুপাত ও ইউনিয়নের সংখ্যা বিবেচনা করে এই খেজুর বণ্টন করা হয়েছে বলে সরকারি নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ