আজঃ বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ফ্রিজে রাখা ছিল দুই মাস চবি’র শিক্ষার্থী মামুনের মাথার খুলি সফলভাবে প্রতিস্থাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয় লোকজনের সংঘর্ষে গুরুতর আহত সমাজতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী মামুন মিয়ার মাথার খুলি সফলভাবে প্রতিস্থাপন হয়েছে। চট্টগ্রাম মহানগরীর পার্কভিউ হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার মাথার খুলির অংশটি প্রতিস্থাপন করেন চিকিৎসকরা। তার শারীরিক অবস্থা আগের তুলনায় ভালো বলে চিকিৎসকরা জানান। এদিকে একই ঘটনায় গুরুতর আহত আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী ইমতিয়াজ আহমেদের অবস্থাও আগের চেয়ে ভালো বলে জানা গেছে। গত দুই মাস ধরে তাঁরা পার্কভিউ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এর মধ্যে ইমতিয়াজকে বর্তমানে ফিজিওথেরাপি দেওয়া হচ্ছে।

জানা যায়, মামুনের মাথার খুলির সেই অংশ প্রতিস্থাপন করেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মু. ইসমাঈল হোসেন।মু. ইসমাঈল হোসেন বলেন, অপারেশনের পর কিছু জটিলতা থাকে। তাই আমরা বিষয়টি সেভাবে জানাইনি। তবে অপারেশন সফল হয়েছে। দু-এক দিনের ভেতর তাদের ডিসচার্জ করা হবে। তখন আমরা তাঁদের পরিস্থিতি নিয়ে ব্রিফ করবো।

গত ৩০ আগস্ট দিবাগত রাত সোয়া ১২টা থেকে পরদিন ৩১ আগস্ট দুপুর পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের কয়েক দফা সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে মারধরের অভিযোগ থেকে সংঘর্ষের সূত্রপাত। সংঘর্ষে সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. কামাল উদ্দিন, তখনকার প্রক্টর অধ্যাপক তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফসহ অন্তত ২০০ শিক্ষার্থী আহত হন। এছাড়া ১০ থেকে ১২ জন স্থানীয় বাসিন্দাও আহত হয়েছিলেন।

সংঘর্ষের ঘটনায় মাথায় গুরুতর আঘাত পান মামুন ও ইমতিয়াজ। প্রথমে তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। পরে গুরুতর অবস্থায় পার্কভিউ হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয় তাদের। পরে মামুনের মাথার খুলির সেই অংশ খুলে রাখা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম ৮ কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে নির্বাচনী সরঞ্জাম ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে চট্টগ্রাম-৮ আসনের বোয়ালখালীতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে ভোটের সরঞ্জাম।বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারী ) দুপুর সাড়ে ১২টার সময় উপজেলার বোয়ালখালী সিরাজুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজ থেকে প্রতিটি ভোট কেন্দ্রের দায়িত্বরত কর্মকর্তারা এসব সরঞ্জাম সংগ্রহ করতে দেখা গেছে।


নিবার্চন অফিস সূত্রে জানা গেছে, বোয়ালখালীতে ৮২ টি কেন্দ্রে মোট ভোটার রয়েছে ২ লক্ষ ২৩ হাজার ১৯০ জন। এছাড়া বোয়ালখালী উপজেলা এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৩, ৪, ৫, ৬ ও ৭ নং ওয়ার্ড নিয়ে চট্টগ্রাম-৮ আসন। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৫৪ হাজার ৭২৯ জন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মো. মেহেদী হাসান ফারুক বলেন, ভোট গ্রহণের জন্য আমরা সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। ভোটের সরঞ্জাম নিয়ে ইতোমধ্যে প্রিজাইডিং অফিসাররা কেন্দ্রে পৌঁছাচ্ছে।নির্বাচন যেন সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ হয়, সেজন্য পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। আমরা আশা করছি একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

কেন্দুয়ায় ভোট কেন্দ্রে আগুন, নাশকাতার চেষ্টা ব্যর্থ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় একটি ভোটকেন্দ্রে আগুন দেওয়ার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত ৪টার দিকে উপজেলার বীরমহুরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। তবে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুন ছড়িয়ে পড়ার আগেই তা নিয়ন্ত্রণে আসায় বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গভীর রাতে একদল দুর্বৃত্ত জানালা দিয়ে ডিজেল ভেজানো চটের বস্তা ভেতরে ছুড়ে মেরে আগুন ধরিয়ে দেয়। তবে কক্ষের ভেতর আসবাবপত্র কম থাকায় এবং আগুন দ্রুত ছড়িয়ে না পড়ায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। বিদ্যালয়ের মেঝেও দেয়ালের কিছু অংশে পোড়া দাগ লক্ষ্য করা গেছে।

ঘটনার বিষয়ে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী মাকসুদ জানান, এটি কোনো ভোটকেন্দ্রে আগুন দেওয়ার ঘটনা নয়, বরং একটি ভোট কক্ষ বা ভবনে আগুন দেওয়ার চেষ্টা ছিল।

তিনি উল্লেখ করেন, বীরমহুরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট তিনটি ভবন রয়েছে। এরমধ্যে যে দুটি ভবন ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে, সেগুলো অক্ষত আছে। দুর্বৃত্তরা এমন একটি ভবনের কক্ষে আগুন দেওয়ার চেষ্টা করেছে যা মূলত ভোটকেন্দ্রের অন্তর্ভুক্ত নয়।

ওসি আরও জানান, রাতের ডিউটি শেষে গ্রাম পুলিশ চলে যাওয়ার সুযোগ নিয়ে দুর্বৃত্তরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। বর্তমানে পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছে। তবে নির্বাচনের কাজে ব্যস্ত থাকায় এখনো কাউকে শনাক্ত বা গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। নির্বাচনের আগে জনমনে আতঙ্ক ছড়ানোর উদ্দেশ্যেই এ ধরণের অপচেষ্টা চালানো হয়েছে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা।

আলোচিত খবর

নির্বাচনি দায়িত্বে থাকবেন প্রায় ৮ লাখ। কর্মকর্তা- ইসি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে বিশাল এক কর্মীবাহিনী মাঠে নামিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটের কর্মযজ্ঞ সফল করতে সারা দেশে প্রায় ৮ লাখ কর্মকর্তা সরাসরি নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন। কমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই বিশাল তালিকায় প্রিজাইডিং অফিসার থেকে শুরু করে পোলিং অফিসার পর্যন্ত সর্বমোট ৭ লাখ ৮৫ হাজার ২২৫ জন দক্ষ কর্মকর্তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।  

নির্বাচন পরিচালনার ৬৯ জন রিটার্নিং অফিসার, ৫৯৮ জন সহকারী রিটার্নিং অফিসার। মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে প্রায় ৯ লাখ পোস্টাল ব্যালট প্রতিটি কেন্দ্রের প্রধান দায়িত্ব সামলাবেন একজন করে প্রিজাইডিং অফিসার, সেই হিসেবে ৪২ হাজার ৭৭৯ জন প্রিজাইডিং অফিসার এখন কেন্দ্রগুলোতে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। এছাড়াও ভোটকক্ষগুলোতে দায়িত্ব পালনের জন্য ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৯৬৪ জন পোলিং অফিসারকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ