চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে পেঁয়াজের দাম উর্ধমুখী
কমেছে মুরগি ও ডিমের দাম
ছবি-৪-৫
চট্টগ্রাম ব্যুরো: বন্দর নগরী চট্টগ্রামে পেঁয়াজের বাড়তি দাম একসপ্তাহেও নিম্নমুখী হয়নি। ভ্রাম্যমাণ দোকানে ভালো মানের দেশি পেঁয়াজ ১২০ টাকা, কিছুটা নিম্নমানের ছোট পেঁয়াজ ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর বাজারে বড় আকারের দেশি পেঁয়াজ ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে চট্টগ্রামের কাঁচাবাজারে ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম কমেছে। মসুর ডাল ও খোলা চিনির দামও কমেছে। এছাড়া শীতের ফলন ছাড়া অধিকাংশ সবজির দাম ৮০ থেকে ১০০ টাকা কিংবা তার চেয়েও বেশি। চট্টগ্রাম মহানগরীর কয়েকটি বাজার ও বিভিন্ন ভ্রাম্যমাণ দোকান ঘুরে নিত্যপণ্যের এ চিত্র দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বাজারে শীতের সবজির মধ্যে ফুলকপি-বাঁধাকপি, শিম ৭০ থেকে ৮০ টাকা, মূলা ৬০ টাকায় প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে। লম্বা বেগুন ৮০ টাকা, সাদা গোল বেগুন ৮০ থেকে ১০০ টাকা, কালো গোল বেগুন ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বাজারে প্রতিকেজি ভারতীয় টমেটো ১২০ টাকা, দেশি টমেটো ১২০ থেকে ১৪০ টাকা, দেশি গাজর ৮০ টাকা, চায়না গাজর ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা, দেশি শসা ও উচ্ছে ৭০ টাকা, করলা, কাঁকরোল, ঢেঁড়স, পটল, ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, ধুন্দল ৮০ টাকা, ঝিঙা ৮০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, কচুর লতি ৬০ টাকা, কচুরমুখী ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

 

এছাড়া কাঁচামরিচ ১২০ থেকে ১৬০ টাকা, ধনেপাতা ২০০ থেকে ৩০০ টাকা, শসা ৬০ টাকা, পেঁপে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, মিষ্টিকুমড়ো ৫০ টাকা করে বিক্রি হয়েছে। আর মানভেদে প্রতিটি লাউ ৬০ থেকে ১২০ টাকা, চাল কুমড়া ৬০ টাকা, প্রতি হালি কাঁচা কলা ৪০ টাকা ও প্রতি হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা করে। শীতকালীন লাল শাক-পালং শাকসহ অন্যান্য সব ধরনের শাক আঁটিপ্রতি ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

পরিবর্তন আসেনি মাছের বাজারে। বাজারে লইট্যা ২০০ টাকা, কোরাল ৭০০ থেকে ৯০০ টাকা, আইড় ৬০০ থেকে ৭৫০ টাকা, চিংড়ি (বাগদা ও গলদা) প্রকারভেদে ৭৫০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। এছাড়া, খাল-নদী ও চাষের মাছের মধ্যে রুই ও কাতলা ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, ছোট আকারের পাবদা ৪০০ টাকা, মাঝারি সাইজের ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, শিং ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, টেংরা ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা, পুঁটি ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, সরপুঁটি ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা, তেলাপিয়া বড় সাইজের ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, নাইলোটিকা ২২০ থেকে ২৮০ টাকা, কৈ ২০০ থেকে ২২০ টাকা এবং পাঙাস ও সিলভার কার্প ১৮০ থেকে ২৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে।

এদিকে দুই কেজি বেশি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২৬০০ থেকে ৩০০০ টাকায়, আর এক কেজির ইলিশের দাম ২২০০ থেকে ২৫০০ এর মতো। ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা, ২০০ গ্রাম ওজনের জাটকার দাম ৫০০ থেকে ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম গত সপ্তাহের চেয়ে অন্তত ১০ টাকা করে কমেছে। গত সপ্তাহে ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। এ সপ্তাহে সেটা ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকায় নেমেছে। প্রতি ডজন লাল ডিম গত সপ্তাহে ১৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল, এখন সেটার দাম ১২০ টাকা।

এছাড়া বাজারে গরুর মাংস কেজিপ্রতি আগের মতোই ৭৫০ থেকে ৯৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। সোনালি মুরগির দাম ২৯০ থেকে ৩৩০ টাকা, লেয়ার ৩৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সাদা ডিম ১২০ থেকে ১২৫ টাকা ও দেশী হাঁসের ডিম ১৯০ থেকে ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ভ্রাম্যমাণ দোকানে ভালো মানের দেশি পেঁয়াজ ১২০ টাকা, কিছুটা নিম্নমানের ছোট পেঁয়াজ ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর বাজারে বড় আকারের দেশি পেঁয়াজ ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতিকেজি দেশি রসুন ১০০ থেকে ১২০ টাকা এবং আমদানি করা রসুন ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা, আদা ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে মুদিপণ্যের মধ্যে কেজিপ্রতি মসুর ডালের দাম কমেছে ১৫ টাকা ও খোলা চিনির দাম কমেছে ৫ টাকা। ছোট মসুর ডাল ১৫০ টাকা, মোটা মসুর ডাল ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

খোলা চিনি ৯৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বড় মুগ ডাল ১৪০ টাকা, ছোট মুগ ডাল ১৭০ টাকা, খেসারি ডাল ১০০ টাকা, বুটের ডাল ১১৫ টাকা, ছোলা ১১০ টাকা, মাষকলাই ১৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। প্যাকেটজাত চিনি ১১০ টাকা, প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৯৮ টাকা, খোলা সয়াবিন তেল ১৭২ টাকা, কৌটাজাত ঘি ১৪৫০ থেকে ১৫৫০ টাকা, খোলা ঘি ১২৫০ টাকা, দুই কেজি প্যাকেট ময়দা ১৩০ টাকা, আটা দুই কেজির প্যাকেট ১২০ থেকে ১৩০ টাকা, খোলা সরিষার তেল প্রতি লিটার ২২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

 

এছাড়া এলাচি ৪৭৫০ টাকা, দারুচিনি ৫০০ টাকা, লবঙ্গ ১২৮০ টাকা, সাদা গোল মরিচ ১৩৫০ টাকা ও কালো গোল মরিচ ১১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।

চালের মধ্যে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মিনিকেট চাল ৭২ থেকে ৮৫ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। এছাড়া মানভেদে প্রতি কেজি নাজিরশাইল চাল ৭৫ থেকে ৯৫ টাকা, ব্রি-২৮ চাল ৬২ টাকা ও মোটা ধরনের স্বর্ণা চাল ৫৮ থেকে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। এছাড়া প্রতিকেজি লালতীর, এসিআই, স্কয়ার কোম্পানির প্যাকেট পোলাও চাল ১৫৫ টাকা, খোলা পোলাও চাল মানভেদে ৯০ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নেত্রকোনা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, নির্মিত হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন গেট

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোনা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের প্রবেশপথ অবমুক্ত করতে অবৈধভাবে নির্মিত দুটি দোকান ঘর ভেঙে ফেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই স্থানে একটি দৃষ্টিনন্দন ও প্রশস্ত গেট নির্মাণেরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
​আজ সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে নেত্রকোনা-২ (সদর-বারহাট্টা) আসনের সংসদ সদস্য, জেলা বিএনপির সভাপতি ও বিশিষ্ট অর্থোপেডিক্স চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. মো. আনোয়ারুল হক উপস্থিত থেকে ভেকু (এক্সকাভেটর) দিয়ে এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন।

​অভিযান চলাকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডা. আনোয়ারুল হক বলেন, “নেত্রকোনা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারটি মূলত দত্ত উচ্চ বিদ্যালয়ের জায়গায় প্রতিষ্ঠিত। বিগত সরকারের আমলে পৌরসভার মেয়র শহীদ মিনারের প্রবেশপথ দখল করে অবৈধভাবে দুটি দোকান নির্মাণ করেন এবং নিয়মিত ভাড়া আদায় করতেন।”

​তিনি আরও বলেন, “২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসসহ বিভিন্ন সরকারি ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে এখানে প্রচুর জনসমাগম হয়। সরু পথ হওয়ার কারণে প্রায়ই অপ্রীতিকর ঠেলাঠেলির ঘটনা ঘটত। জনগণের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে শহীদ মিনারের নিরাপত্তা, সৌন্দর্য বৃদ্ধি এবং সর্বস্তরের মানুষের স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচলের জন্য অবৈধ স্থাপনা দুটি ভেঙে এখানে একটি দৃষ্টিনন্দন ও প্রশস্ত গেট নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”
​নতুন এই গেট নির্মাণকাজ দ্রুত ও সঠিকভাবে বাস্তবায়নে সাংবাদিকসহ সকল শ্রেনী-পেশার মানুষের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

​উচ্ছেদ অভিযানকালে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান নূরু, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ মজিবুর রহমান খান, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম শফিকুল কাদের সুজা, সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি তাজেজুল ইসলাম ফারাস সুজাত, সাধারণ সম্পাদক তাজ উদ্দিন ফারাস সেন্টু, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম মনিরুজ্জামান দুদু, মদনপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ ফকির, জেলা কৃষক দলের সভাপতি সালাহউদ্দিন খান মিল্কী, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এস এম মোয়াজ্জেম হোসেন, বারহাট্টা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোস্তাক আহমেদ এবং দত্ত উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ মজিবুর রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

পাবনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে এবং জড়িতদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন, স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি পালন করেছেন সাংবাদিকরা।


মানববন্ধন থেকে পাবনা জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ওসি রাশেদুল ইসলাম কে ২৪ ঘন্টার মধ্যে প্রত্যাহারের আল্টিমেটাম দেন সাংবাদিকরা। না হলে কঠোর কর্মসূচীর হুশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।রবিবার ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় পাবনা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে শহরের প্রধান সড়ক আব্দুল হামিদ রোডে এ মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়।

মানববন্ধনে সাংবাদিক নেতারা অভিযোগ করেন, ডিবি কার্যালয়ের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নিরাপত্তা সংবলিত স্থানে একজন নারীকে জিম্মি করে ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে পাবনা প্রেসক্লারেবর সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে সাজানো ভিডিও ধারণ এবং তা ব্যবহার করে অপপ্রচার চালানো ন্যাক্কারজনক। যা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। একজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও সাজানো তথ্য প্রচার স্বাধীন সাংবাদিকতার হুমকিস্বরূপ। তাই আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে পাবনা ডিবির ওসি রাশেদুল ইসলাম কে প্রত্যাহার সহ তিনি ও তার দোসরদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আল্টিমেটাম দেন সাংবাদিক নেতারা।
না হলে আরো কঠোর কর্মসূচীর হুশিয়ারি করেন বক্তারা।

পাবনা প্রেসক্লাবের সাহিত্য সম্পাদক পাভেল মৃধার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, প্রেসক্লাব সভাপতি মোঃ আখতারুজ্জামান আখতার, সাবেক সম্পাদক আব্দুল মতীন খান, সাবেক সভাপতি ও এনটিভি-সমকালের স্টাফ রিপোর্টার এবিএম ফজলুর রহমান, সাবেক সম্পাদক ও মাছরাঙা টেলিভিশনের উত্তরাঞ্চলীয় ব্যুরো চীফ উৎপল মির্জা, একুশে টিভি মানব জমিনের সটাফ রিপোর্টার রাজিউর রহমান রুমী, বাংলাদেশ টুডে প্রতিনিধি আব্দুল হামিদ খান, জিকে সাদী, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ মান্নান মাস্টার, প্রথম আলো প্রতিনিধি সরোয়ার মোর্শেদ উল্লাস, আলোকিত বাংলাদেশ প্রতিনিধি কাজী বাবলা, এটিএন নিউজ ও আগামীর সময় প্রতিনিধি রিজভী জয়, ক্যামেরা জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন পাবনার সভাপতি জিয়াউল হক রিপন, বাংলাদেশ পুস্তক বিক্রেতা সমিতি পাবনার সভাপতি আব্দুল মজিদ প্রমুখ। এ সময় প্রায় শতাধিক সংবাদকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

পাবনা প্রেসক্লাবের নেতারা বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে সাংবাদিক নামধারী একটি কুচক্রী মহল পাবনা প্রেসক্লাবের বিপরীতে প্রায় একই নামে সংগঠন খুলে মাদক ব্যবসা, জমি দখল, ব্ল্যাকমেইল ও চাঁদাবাজির সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। মূলধারার সংবাদকর্মীরা জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটি সহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে এসব অপতৎপরতার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে চক্রটি কতিপয় অসাধু রাজনৈতিক নেতা ও পুলিশ কর্মকর্তার সহায়তায় এক তরুণী কে ব্যবহার করে পাবনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে একটি সাজানো নাটকের আশ্রয় নেয়।

মানববন্ধন শেষে ডিবির ওসি রাশেদুল ইসলাম কে প্রত্যাহার সহ জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পাবনা পুলিশ সুপারের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেন সাংবাদিক নেতারা। আর তার অনুলিপি দেওয়া হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপি, ডিআইজি রাজশাহী ও পাবনার জেলা প্রশাসক কে।

এদিকে এর আগে শনিবার ১২ সেপ্টেম্বর ভুক্তভোগী তরুণী নাফিসা তার নিজ বাড়িতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্বীকার করেন যে, সুবর্ণা হালিম নামের এক নারী নেত্রী তাকে জিম্মি করে প্রেসক্লাব সম্পাদত জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যা বক্তব্য দিতে বাধ্য করেন। পরবর্তীতে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে মা-বাবার উপস্থিতিতে সোহেল রানা বিপ্লব নামে এক কথিত সাংবাদিক এই সাজানো বক্তব্য ভিডিও ধারণ করেন। নাফিসা ইতোমধ্যেই লিখিতভাবে থানায় দেওয়া মিথ্যা অভিযোগটি প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

এ ব্যাপারে পাবনা জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ওসি রাশেদুল ইসলাম বলেন, ভিকটিম পরিবার আতঙ্কিত হয়ে আমাদের কাছে সহায়তা চেয়েছিল। তাদের উদ্ধার করে আমাদের হেফাজতে এনেছিলাম আইনগত সহায়তা দেওয়ার জন্য। সেখানে কথা বলার একপর্যায়ে কেউ হয়তো ভিডিও করেছে।পাবনার পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ বলেন, বিষয়টি আমরা শুনেছি। এ বিষয়ে আমরা একটি তদন্ত কমিটি গঠন করবো। কমিটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ