চুয়েটে শুরু হচ্ছে দুইদিনব্যাপী আর্ন্তজাতিক কনফারেন্স।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর স্থাপত্য বিভাগ ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এর স্থাপত্য বিভাগের গ্রিন আর্কিটেকচার সেল এর যৌথ উদ্যোগে আগামী ৪-৫ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দুইদিনব্যাপী আর্ন্তজাতিক কনফারেন্স। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার স্থাপত্য বিভাগের জুরি কক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কনফারেন্স সেক্রেটারি ও চুয়েটের স্থাপত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. সজল চৌধুরী।

এতে উপস্থিত ছিলেন কনফারেন্স কো-চেয়ার ও চুয়েটের স্থাপত্য বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব কানু কুমার দাশ। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন স্থাপত্য বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব সজীব পাল, সহকারী অধ্যাপক ড. নুসরাত জান্নাত এবং জনাব সাঈদা তাহমিনা তাসনিম।

উল্লেখ্য, স্থাপত্য বিভাগের উক্ত কনফারেন্সে অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, নেদারল্যান্ডস সহ বিভিন্ন দেশ থেকে শীর্ষস্থানীয় একাডেমিশিয়ান, স্কলার্স ও রিসার্চারগণ অংশ নিবেন। এতে ২জন কী-নোট স্পিকার উপস্থিত থাকবেন। এই কনফারেন্সে মোট ১৬টি টেকনিক্যাল সেশন অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া আরও থাকবে পোস্টার প্রদর্শনী, একটি যৌথ আন্তর্জাতিক পিএইচডি রিসার্চ সেমিনার এবং এনভায়রনমেন্ট আর্কিটেকচার এর উপর ৫টি প্যারালেল কর্মশালা। বিভিন্ন দেশ থেকে ৬টি পিএইচডি গবেষণা উপস্থাপিত হবে।

কনফারেন্সে মোট ১৫০টি পেপার জমা পড়ে, এর মধ্যে ২দিনে ১৬টি সেশনে ৮০টির অধিক পেপার উপস্থাপিত হবে এবং ৪০টির অধিক পোষ্টার উপস্থাপিত হবে। কনফারেন্স উপলক্ষ্যে স্থাপত্য বিভাগে দুইদিনব্যাপী স্থাপত্য প্রজেক্ট এক্সিবিশিন করা হবে। এতে স্পন্সর হিসেবে থাকবেন নিপ্পন পেইন্ট, বিএসআরএম, সেভেন রিংস সিমেন্ট, ডিবিএল, বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফাইন্যান্স ফান্ড লিমিটেড (বিআইএফএফএল), স্টেলা-লাক্সারি স্যানিটারি ওয়্যার, টেকনো আর্ট সফটওয়্যার ও নেস্টলে।

আগামী ৪ ডিসেম্বর, সকাল ১০ টায় চুয়েটের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন চুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া। এতে কনফারেন্সে চেয়ার হিসেবে থাকবেন বুয়েটের স্থাপত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ আশিকুর রহমান জোয়ারদার, কনফারেন্স কো-চেয়ার হিসেবে থাকবেন চুয়েটের স্থাপত্য বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কানু কুমার দাশ এবং কনফারেন্স সেক্রেটারি হিসেবে থাকবেন চুয়েটের স্থাপত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. সজল চৌধুরী।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ভালকান অ্যাসপায়ার লিমিটেড ও ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি চট্টগ্রামের মধ্যে সমঝোতা স্বাক্ষর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভালকান অ্যাসপায়ার লিমিটেড ও ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি চট্টগ্রামের মধ্যে সমঝোতা স্বাক্ষর হয়েছে। এ উপলক্ষে ভালকান অ্যাসপায়ার লিমিটেডের চেয়ারম্যান এসএম সাফাত ইশতিয়াক এবং ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির এক্সটার্নাল এনগেজমেন্টের পরিচালক ও সিপিডিসি এর পরিচালক ড. রওনক আফরোজ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এই সমঝোতার মাধ্যমে ভালকান অ্যাসপায়ার লিমিটেড ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি চট্টগ্রাম ক্যাম্পাসের Career Excellence Partner হিসেবে যাত্রা শুরু করল।

চুক্তি অনুযায়ী ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির বর্তমান শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাই ভালকান অ্যাসপায়ার পরিচালিত সকল Corporate Soft Skill Training -এর বেসিক কোর্সসমূহ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করার সুযোগ পাবেন। এছাড়াও প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ভালকান অ্যাসপায়ার শিক্ষার্থীদের জন্য চাকরীর সুযোগ সৃষ্টি, ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং এবং পেশাগত উন্নয়নমূলক সেবা প্রদান করবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ড. মো. নাজিম উদ্দিন বলেন, ভালকান অ্যাসপায়ারের সঙ্গে এই অংশীদারিত্বে আমরা আনন্দিত। আমাদের লক্ষ্য অভিন্ন এবং আমি আশা করি, তারা তাদের সর্বোচ্চ সামর্থ দিয়ে ইডিইউর শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার উন্নয়নে কাজ করবে।

ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির এক্সটার্নাল এনগেজমেন্টের পরিচালক ও সিপিডিসি এর পরিচালক ড. রওনক আফরোজ বলেন, আমরা সবসময় আমাদের শিক্ষার্থীদের উন্নয়নে নতুন নতুন সুযোগ তৈরি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, ভালকান অ্যাসপায়ারের সে এই অংশীদারিত্ব আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত ফলপ্রসূ ও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। ভালকান অ্যাসপায়ার লিমিটেডের চেয়ারম্যান এস এম সাফাত ইশিতয়াক বলেন, চট্টগ্রাম ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির সন্মানিত কতৃপক্ষের আন্তরিক অভ্যর্থনায় অত্যন্ত আনন্দিত। এই অংশীদারিত্ব এখানকার শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও ক্যারিয়ার উন্নয়নকে আরও শক্তিশালী করবে। আমি আশ্বস্ত করছি, ভালকান অ্যাসপায়ার শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ মানের প্রশিক্ষণ ও সেবা প্রদানে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।

চারটি নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ না করলে কোনো প্রকল্পই অনুমোদন দেওয়া হবে না : অর্থমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন সরকারি অর্থের অপচয় মেনে নেওয়া হবে না বলে। তিনি বলেছেন, যেকোনো সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে করদাতার টাকার সঠিক ব্যবহার ও প্রতিদান নিশ্চিত করতে হবে।

চারটি নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ না করলে কোনো প্রকল্পই অনুমোদন দেওয়া হবে না মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) আয়োজিত ২৪তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি সরকারি অর্থে নেওয়া প্রতিটি বিনিয়োগ প্রকল্পে মূল্যমান নিশ্চিত করা, বিনিয়োগের বিপরীতে প্রাপ্তি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পরিবেশগত প্রভাবকে গুরুত্ব দিতে হবে বলে মন্তব্য করেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানের পর্যায়ে নিতে হলে সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে নিয়মিত বেঞ্চমার্কিং করতে হবে।একই সঙ্গে নিজেদের গবেষণা, ব্যবস্থাপনা ও কার্যক্রমের পিয়ার রিভিউ নিশ্চিত করতে হবে। নিজেদের কাজের মূল্যায়ন নিজেরা করলে চলবে না, অন্যদের মূল্যায়নের মাধ্যমে দুর্বলতা চিহ্নিত করে তা সংশোধন করতে হবে।

গবেষণা ও উদ্ভাবনের ওপর গুরুত্বারোপ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বৈশ্বিক র‌্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে নিতে গবেষণা ও উদ্ভাবনের বিকল্প নেই। শুধু ভালো কাজ করলেই হবে না, সেই কাজকে বিশ্বব্যাপী দৃশ্যমানও করতে হবে।তাছাড়া শুধু ভবন নির্মাণে বিনিয়োগ করলে হবে না। অবকাঠামোর পাশাপাশি দক্ষ জনবল, গবেষণা সুবিধা, ব্যবস্থাপনা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতার উন্নয়ন ঘটাতে হবে। হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে ভারসাম্য না থাকলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, সরকারি অর্থে নেওয়া প্রতিটি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মূল্যমান, বিনিয়োগের বিপরীতে প্রাপ্তি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পরিবেশগত বিষয় বিবেচনায় নিতে হবে। জনগণের করের টাকা ব্যয় করে নির্মিত অবকাঠামো থেকে কী ফল পাওয়া যাচ্ছে, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম-৬ আসনের সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী।

চুয়েটের আইটি ইনকিউবেটর প্রসঙ্গে আমির খসরু আরো বলেন, এটি কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন। তিনি ঢাকায় ফিরে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।

শিল্পখাতের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পর্ক আরও জোরদার করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বিশ্বের উন্নত প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের কেন্দ্রগুলোতে বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিল্পখাতের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ও সহযোগিতা রয়েছে। বাংলাদেশেও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা সক্ষমতা শিল্পখাতের প্রয়োজনের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম-৬ আসনের সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী বলেন, দেশের অন্যান্য প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো চুয়েটের গবেষণা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতাকেও যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও গবেষণায় অর্থের অভাবে সম্ভাবনাময় উদ্যোগ যেন থেমে না যায়, সেদিকেও নজর দিতে হবে।তিনি আরও বলেন, শুধু লেখাপড়ায় নয়, শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা, বিতর্ক ও অন্যান্য সহশিক্ষা কার্যক্রমেও অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুয়েটের সহযোগিতা জোরদার করে নতুন প্রযুক্তি ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। এলাকার সন্তান হিসেবে চুয়েটের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় সবসময় পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা, শিক্ষকদের দক্ষতা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনে চুয়েটকে আরও এগিয়ে নিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈশ্বিক র‌্যাঙ্কিং উন্নয়নে বিদেশি অধ্যাপক নিয়োগ, অ্যাডজাঙ্কট ফ্যাকাল্টি, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও গবেষণা কার্যক্রম বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুয়েটের সংযোগ জোরদার এবং মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে একটি গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ