চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের দোয়া মাহফিল খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায়

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকালে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে ক্লাবের সদস্য সচিব জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রেস ক্লাবের বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তা, সিনিয়র সাংবাদিক এবং বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

দোয়া মাহফিলে বক্তারা বলেন, দেশের গণমাধ্যমের উন্নয়ন, সাংবাদিক সমাজের কল্যাণ এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বেগম খালেদা জিয়া ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদান চট্টগ্রামের সাংবাদিক সমাজ চিরদিন স্মরণ করবে। বক্তারা ঐতিহাসিক অবদান স্মরণ করতে গিয়ে উল্লেখ করে বলেন, ১৯৭৮ সালে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের উন্নয়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ২ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছিলেন। ১৯৮০ সালে বায়েজিদের শেরশাহ এলাকায় সাংবাদিকদের আবাসনের জন্য সাংবাদিক হাউজিং সোসাইটি-তে ১৬ একর জমি বরাদ্দ দেন, যা ১৯৮১ সালে বিচারপতি আব্দুস সাত্তার সরকারের আমলে তা রেজিস্ট্রি করা হয়। ১৯৯৪ সালে প্রেস ক্লাবের আর্থিক সংকট মোকাবিলায় তৎকালীন মন্ত্রী আবদুল্লাহ আল নোমানের অনুরোধে প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৫ লাখ টাকা অনুদান প্রদান করেছিলেন।
চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের শৃঙ্খলা ও ব্যবস্থাপনা কমিটির আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত বলেন, বেগম খালেদা জিয়া প্রেস ক্লাবের জন্য অসামান্য অবদান রেখেছেন। আমি অতীতে তাকে আজীবন সদস্যপদ দেওয়ার প্রস্তাব করেছিলাম, কিন্তু তা বাস্তবায়ন হয়নি। এখন আবারও অনুরোধ জানাই—বেগম খালেদা জিয়াকে প্রেস ক্লাবের আজীবন সদস্যপদ প্রদান করা হোক।

দোয়া মাহফিলে দেশ ও জাতির শান্তি, কল্যাণ ও স্থিতিশীলতার পাশাপাশি বেগম খালেদা জিয়ার সুস্বাস্থ্য কামনা করে মোনাজাত পরিচালনা করেন শাহ আনিস জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মুহাম্মদ জামাল উদ্দিন।
দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন প্রেস ক্লাবের অন্তবর্তী কমিটির সদস্য মুস্তফা নঈম, চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান, প্রেস ক্লাবের সাবেক লাইব্রেরি সম্পাদক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলামসহ অন্য সদস্যরা।মাহফিল শেষে বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘায়ু ও সুস্থতার জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন বন্ধে যাত্রীরা ফেরত পেল প্রায় ৮৮ লাখ টাকা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথের জানআলী হাট ও ষোলশহর স্টেশনের মধ্যবর্তী রেললাইন প্রায় ২ ফুট পানির নিচে তলিয়ে যায়। যার কারণে এই রুটে ট্রেন চলাচল পাঁচদিন বন্ধ থাকায় বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানায়, শুধু টিকিটের মূল্য বাবদই যাত্রীদের প্রায় ৮৮ লাখ টাকা ফেরত দিতে হয়েছে। একই সঙ্গে ১১ হাজারের বেশি টিকিট বাতিল করে মূল্য ফেরত দেওয়া হয়েছে। ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় পরবর্তী কয়েক দিনের অগ্রিম টিকিট বিক্রিও ব্যাহত হয়েছে।

বাংলাদেশ রেলওয়ে (পূর্বাঞ্চল)-এর মহাব্যবস্থাপক মো. সুবক্তগীন বলেন, অতিবৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরীর প্রায় ৫০০ মিটার রেললাইন দুই ফুট পানিতে তলিয়ে গেলেও অবকাঠামোর বড় ধরনের কোনো ক্ষতি হয়নি। যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থেই ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল। এ সময়ে ঢাকা-কক্সবাজার রুটের দুই জোড়া ট্রেন কেবল ঢাকা-চট্টগ্রাম পর্যন্ত চলাচল করেছে।

জানা গেছে, ভারী বর্ষণে রেললাইন ডুবে যাওয়ায় গত ৭ থেকে ১১ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল পুরোপুরি বন্ধ ছিল। ফলে এই রুটের অগ্রিম বিক্রি হওয়া ১১ হাজার ৩৩৭টি টিকিট ফেরত নিতে হয়েছে রেল কর্তৃপক্ষকে। এসব টিকিটের বিপরীতে যাত্রীদের ফেরত দেওয়া হয়েছে ৮৭ লাখ ৮৫ হাজার ৩৪৪ টাকা। টিকিট ফেরতের এই তাৎক্ষণিক ক্ষতির পাশাপাশি ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় ওই সময়ে নতুন করে অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা সম্ভব হয়নি। ফলে পরবর্তী দিনগুলোতেও এই রুটে প্রত্যাশিত সংখ্যক যাত্রী পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের অনেক যাত্রী কক্সবাজার ভ্রমণ বাতিল করায় পরোক্ষভাবে রেলওয়ের অন্যান্য দূরপাল্লার রুটেও যাত্রীসংখ্যা কমেছে।

চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার আবু জাফর মজুমদার বলেন, সাধারণত রেললাইনের ওপর চার ইঞ্চি পর্যন্ত পানি থাকলে ট্রেন চলাচল সম্ভব। কিন্তু এবার রেললাইন অন্তত দুই ফুট পানির নিচে তলিয়ে গিয়েছিল।
তিনি বলেন, টানা তিন দিন রেললাইন পানির নিচে থাকায় পানি নেমে যাওয়ার পরও নিরাপত্তার স্বার্থে লাইন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করতে কিছুটা সময় লেগেছে। পরে ১২ জুলাই ‘অ্যাডভান্সড পাইলটিং’ বা সীমিত গতিতে এই রুটে পুনরায় ট্রেন চলাচল শুরু হয়।

দিল্লি হাইকমিশনের নতুন প্রেস মিনিস্টার হলেন সাইদুর রহমান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দিল্লি হাইকমিশনের নতুন প্রেস মিনিস্টার হলেন সাইদুর রহমান

আলোচিত খবর

নতুন ভোটার হওয়ার আবেদন ৩১ জুলাই পর্যন্ত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির সুযোগ পাচ্ছেন নিবন্ধিত না হওয়া নাগরিকরা। আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত নতুন ভোটার হওয়ার আবেদন গ্রহণ করা হবে। ইসি জানিয়েছে, ২০০৮ সালের ৩১ জুলাই বা তার আগে জন্মগ্রহণকারী যেকোনো ব্যক্তি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করলে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন। স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখেই এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে নির্বাচন কমিশন।

এদিকে নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৯ আগস্ট খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা এবং উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসে তালিকাটি প্রদর্শন করা হবে। তালিকায় নাম বাদ পড়া বা তথ্যগত ভুল থাকলে সংশ্লিষ্টরা ২৪ আগস্ট পর্যন্ত নতুন অন্তর্ভুক্তি বা তথ্য সংশোধনের আবেদন করতে পারবেন। সব আপত্তি নিষ্পত্তি শেষে ৩১ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ১০ আগস্ট খসড়া ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর আপত্তি গ্রহণ ও যাচাই-বাছাই শেষে ২৭ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা সিনিয়র সহকারী সচিব মো. রশিদ মিয়া স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে জানানো হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, আগামী অক্টোবর থেকে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে আগস্টের মাঝামাঝি বা শেষ সপ্তাহে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে।

বর্তমানে দেশে মোট ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৫২ লাখ ১২ হাজার ৭৩১ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার ২৬৬ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২৪৩ জন

আরও পড়ুন

সর্বশেষ