মশা নিধনে আমেরিকান প্রযুক্তির লার্ভিসাইড বিটিআই ব্যবহার শুরু চসিকের।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন প্রথমবারের মতো মশা নিয়ন্ত্রণে আমেরিকান প্রযুক্তির লার্ভিসাইড বিটিআই ব্যবহারের কার্যক্রম শুরু করেছে। সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের নির্দেশক্রমে সোমবার সকাল সাড়ে ৯টায় ৩৯ নং দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ড কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচি শুরু হয়। কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মোঃ শরফুল ইসলাম মাহি, কীটতত্ত্ববিদ রাশেদ চৌধুরী এবং অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) মশা নিয়ন্ত্রণে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অবলম্বন করে নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর আগে গত ২৬ মার্চ নগরীর ১৭ নম্বর বাকলিয়া ওয়ার্ডের সৈয়দ শাহ রোডের সামনের খালে পরীক্ষামূলকভাবে বিটিআই লার্ভিসাইড প্রয়োগ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। অর্জিত অভিজ্ঞতার আলোকে আজ থেকে ওয়ার্ড পর্যায়ে বিটিআই প্রয়োগ শুরু করল চসিক।

চসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত ফগিং, লার্ভিসাইড ছিটানো, নালা–নর্দমা পরিষ্কার, আবর্জনা অপসারণ এবং জনসচেতনতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। নতুন প্রজন্মের আমেরিকান প্রযুক্তির বিটিআই ব্যবহারে মশার লার্ভা ধ্বংসে আরও কার্যকর ফল পাওয়া যাবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

বিটিআই হলো একটি প্রাকৃতিকভাবে উৎপন্ন ব্যাকটেরিয়াভিত্তিক লার্ভিসাইড, যা বিশেষভাবে মশা, ব্ল্যাক ফ্লাই ও ফাঙ্গাস গ্ন্যাটের লার্ভা দমনে ব্যবহৃত হয়। এটি পানিতে প্রয়োগ করার পর লার্ভা খাদ্যের সঙ্গে বিটিআই গ্রহণ করে এবং ব্যাকটেরিয়ার উৎপাদিত ক্রিস্টাল প্রোটিন টক্সিন লার্ভার পরিপাকতন্ত্রে কার্যকর হয়ে তাদের দ্রুত নিধন ঘটায়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, বিটিআই মানুষের শরীর, গৃহপালিত প্রাণী, মাছসহ অন্যান্য পরিবেশবান্ধব প্রাণীর জন্য ক্ষতিকর নয়; এমনকি উদ্ভিদ ও জলজ বাস্তুতন্ত্রেও কোনো বিষাক্ত প্রভাব ফেলে না। বিশ্বজুড়ে ডেঙ্গু, জিকা ও চিকুনগুনিয়ার মতো বাহক–বাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে এটি একটি নিরাপদ ও বৈজ্ঞানিকভাবে স্বীকৃত সমাধান হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জুলাই আন্দোলন ছিল দীর্ঘদিনের জনগণের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


জুলাই আন্দোলন ছিল দীর্ঘদিনের জনগণের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। এ আন্দোলনের মধ্য দিয়েই একটি নতুন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মাসুদ আলম বিপিএম। তিনি বলেন, এই আন্দোলন কোনো একক দল বা গোষ্ঠীর নয়, শিক্ষার্থীসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের। তাই এর অর্জন রক্ষায় সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। এই ঐক্যে ফাটল ধরলে ক্ষতি হবে সবার।

বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে জুলাই আন্দোলনে শহীদ চট্টগ্রামের ওয়াসিম আকবর, ফয়সাল আহমেদ শান্ত ও ওমর ফারুকসহ সব শহীদের স্মরণে আয়োজিত মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ। এর আগে, সকালে জুলাই বিপ্লবে সকল শহীদদের স্মরণে কুরআনখানি ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মাসুদ আলম বলেন, গত বছরের ১৬ জুলাইয়ের আগে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে কোটা সংস্কার আন্দোলন নতুন মাত্রা পায়। ওই বক্তব্যের পর দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তীব্র প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ে। আন্দোলনের স্লোগানও পরিবর্তিত হতে থাকে। ১৬ জুলাই রংপুরে আবু সাঈদ ও চট্টগ্রামে ওয়াসিম আকবর, ফয়সাল আহমেদ শান্ত ও ওমর ফারুক নিহত হওয়ার পর আন্দোলনের গতি আরও বেড়ে যায়।

পুলিশ সুপার বলেন, শুরুতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন হলেও ধীরে ধীরে বদলে যায় রাজনৈতিক পরিস্থিতি। ২৩ জুলাই পর্যন্ত আন্দোলন চললেও একপর্যায়ে তা সাময়িকভাবে থেমে যায়।


পরে আন্দোলন ঢাকার ডিবি কার্যালয়ের ‘ভাতের হোটেল’ পর্যন্ত পৌঁছে যায়। সেখান থেকে ১ আগস্ট আবারও আন্দোলন রাজপথে ফিরে আসে। এরপর সারা দেশে আন্দোলনে ব্যাপক গতি-প্রকৃতিতেও পরিবর্তন আসে। তখন আন্দোলন আর শুধু কোটা ইস্যুতে সীমাবদ্ধ ছিল না, এটি এক দফার দাবির আন্দোলনে পরিণত হয়।

জুলাই আন্দোলনের চেতনা প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার বলেন, আন্দোলনের পর শিক্ষার্থীদের আঁকা দেয়ালচিত্র ও গ্রাফিতিতে নতুন প্রজন্মের ভাবনা প্রতিফলিত হয়েছে। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন দুটি গ্রাফিতির লেখা- ‘যদি তুমি ভয় পাও, তবে তুমি শেষ’ এবং ‘যদি রুখে দাঁড়াও, তুমি বাংলাদেশ’। এসব স্লোগান গবেষণার বিষয় হতে পারে।

প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি বলেন, জুলাই আন্দোলনে যারা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের আত্মত্যাগ বাংলাদেশের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। আন্দোলনের সময় ছাত্র-জনতা যে ঐক্য ও আত্মত্যাগের পরিচয় দিয়েছেন, তা নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা জোগাবে। তিনি বলেন, শহীদদের স্মরণ করা শুধু দায়িত্ব নয়, তাঁদের স্বপ্ন বাস্তবায়নেও সবাইকে কাজ করতে হবে। জুলাইয়ের যে ঐক্য গড়ে উঠেছিল, তা রক্ষার দায়িত্ব সবার।

এসময় বক্তব্যে রাখেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক (সিএমইউজে) ও টাইম অব বাংলাদেশ পত্রিকার চট্টগ্রামের আবাসিক সম্পাদক সালে নোমান,

প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি ডেইজি মওদুদ, যুগ্ম সম্পাদক ও বাসসের বিশেষ প্রতিনিধি মিয়া মো. আরিফ, অর্থ সম্পাদক ও এটিএন বাংলার বিশেষ প্রতিনিধি আবুল হাসনাত, প্রেস ক্লাবের গ্রন্থাগার সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম, ক্রীড়া সম্পাদক মো. রুবেল খান, একাত্তর টেলিভিশনের ব্যুরো প্রধান ও কার্যকরী সদস্য সাইফুল ইসলাম শিল্পী, দৈনিক ইনকিলাবের ডেপুটি ব্যুরো প্রধান ও কার্যকরী সদস্য রফিকুল ইসলাম সেলিম, এনটিভির সিনিয়র রিপোর্টার ও কার্যকরী সদস্য আরিচ আহমেদ শাহ,

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক চট্টগ্রামের সমন্বয়ক আরিফ মঈনুদ্দিন ও সাবেক সমন্বয়ক রিদুয়ান সিদ্দিকী, কালের কণ্ঠ পত্রিকার স্টাফ রির্পোটার ফারুক মনির, সকালবেলা পত্রিকার ব্যুরো প্রধান মোহাম্মদ আলী, বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার ইমরান এমি, বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকার স্টাফ রির্পোটার জোবাইর চৌধুরী এবং আমার দেশ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার এম কে মনির।

চট্টগ্রামে সড়ক ছেড়েছেন চট্টগ্রামের শিক্ষার্থীরা, জানালেন ৭ দফা দাবি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বন্যাকবলিত এলাকায় এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার প্রতিবাদে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের সামনে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যানের কাছে ৭ দফা দাবি সংবলিত স্মারকলিপি দেন এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিও জানান। একই সঙ্গে মঙ্গলবার বিকেলের মধ্যে দাবিগুলোর বিষয়ে সন্তোষজনক সিদ্ধান্ত না এলে নতুন কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেন তারা।

এর আগে সকাল ১১টা থেকে নগরের মুরাদপুরে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের প্রধান ফটকের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন এইচএসসি ২০২৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। পরে তারা শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যান বরাবর স্মারকলিপি জমা দেন। পরে বিকেল ৪টার দিকে সড়ক ছাড়েন শিক্ষার্থীরা।

আমিনুল ইসলাম শাকিল নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা শিক্ষাবোর্ডে ৭ দফা দাবি জানিয়েছি। তারা বিকেল ৩টার মধ্যে সিদ্ধান্ত জানানোর কথা ছিল। কিন্তু এখনও জানায়নি। দাবি না মানলে আমরা রাতে কর্মসূচি ঘোষণা করবো।

এদিকে বিক্ষোভ চলাকালে শিক্ষাবোর্ড কার্যালয়ের সামনে অতিরিক্ত পুলিশকে সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা যায়। এ সময় বিক্ষোভকারীরা কিছু সময়ের জন্য শিক্ষাবোর্ডের কার্যালয়ে প্রবেশে বাধা দেন।

স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা উল্লেখ করেন, ১৩ জুলাই বৈরী আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের আওতাধীন বহু পরীক্ষার্থী পরীক্ষাকেন্দ্রে উপস্থিত হতে পারেননি। একইসঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ের প্রশ্নপত্রে ত্রুটি ও অসঙ্গতির অভিযোগও সামনে এসেছে। এতে শিক্ষার্থীরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়েছেন এবং তাদের শিক্ষাজীবন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে- দেশের সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত অবশিষ্ট এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত করা, প্রশ্নপত্রের মান ও পাঠ্যক্রমের সঙ্গে সামঞ্জস্য নিশ্চিত করা, ত্রুটিপূর্ণ প্রশ্নপত্রের উত্তরপত্র ন্যায্যভাবে মূল্যায়ন করা এবং প্রশ্ন প্রণয়নে দায়িত্বে অবহেলার সঙ্গে জড়িতদের জবাবদিহির আওতায় আনা।

এছাড়া শিক্ষার্থীদের প্রতি অবমাননাকর মন্তব্য থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরত থাকা, সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়নে কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ গ্রহণ, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া, প্রবেশপত্র ও নিবন্ধনপত্র পুনঃইস্যুর ব্যবস্থা করা এবং অবশিষ্ট পরীক্ষার জন্য বাস্তবসম্মত নতুন রুটিন প্রণয়নের দাবিও জানানো হয়।

বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বন্যাকবলিত এলাকায় অনেক পরীক্ষার্থী পানি ও দুর্যোগের কারণে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছাতে পারেননি। এমন পরিস্থিতিতে পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তনের দাবি জানানো হলেও তা আমলে নেওয়া হয়নি। ফলে বাধ্য হয়ে তারা রাজপথে নেমেছেন।

তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের স্বার্থ, ন্যায্যতা এবং শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি জনআস্থা বজায় রাখতে তাদের দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে বন্যাকবলিত এলাকার পরীক্ষাগুলো পুনর্র্নিধারণ এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিও জানান তারা।

আলোচিত খবর

সাবেক অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আর নেই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপি’র জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক স্পিকার, সাবেক অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার
ইন্তেকাল করেছেন।ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।l

আজ রোববার ১২ জুলাই ফজরের সময় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল প্রায় ৯৫ বছর। তিনি দীর্ঘ রাজনৈতিক ও আইনজীবী জীবনে দেশের সংসদীয় গণতন্ত্র, আইন অঙ্গন এবং জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন।

ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্বও পালন করেন। বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের অন্যতম জ্যেষ্ঠ নেতা হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন।

তাঁর মৃত্যুতে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। শোকবার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাঁর জানাজা ও দাফনের সময়সূচি পরে জানিয়ে দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ