আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

এফ. এ. ক্রিয়েটিভ ফার্মের যুগপূর্তি উদযাপন নিরবিচ্ছিন্ন সেবা পাচ্ছে প্রায় ১ হাজারেরও অধিক গ্রাহক —–

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দেশের অন্যতম জনপ্রিয় সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এফ. এ. ক্রিয়েটিভ ফার্ম লিমিটেড তাদের প্রতিষ্ঠার এক যুগপূর্তি উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী কাস্টমার মিটআপ ও যুগপূর্তি অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে।


গত রোববার সকালে আগ্রাবাদ আকতারুজ্জামান সেন্টারে কোম্পানির কর্পোরেট অফিসে খতমে কোরআন এর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয় এবং পরবর্তীতে কেক কাটার মধ্য দিয়ে উৎসবের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানের প্রথম দিন কেক কেটে যুগপূর্তি উৎসবের শুভ সূচনা করেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও চট্টগ্রাম রিপোর্টার্স ফোরামের প্রেসিডেন্ট কাজী আবুল মনছুর।


এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন দৈনিক চাঁটগার চোখ এর সম্পাদক ও প্রকাশক একে এম জহুরুল ইসলাম,সাপ্তাহিক পূর্ববাংলা এর সম্পাদক ও প্রকাশক এম আলী হোসেন, দৈনিক গিরিদর্পণ এর পরিচালনা সম্পাদক এম কে মোমিন, বাংলাদেশ টেলিভিশন বিটিভি’র অনুষ্ঠান পরিচালক ও মোনালিসা মিউজিক এর কর্নধার ফরিদ বঙ্গবাসী, সাপ্তাহিক আজকের সত্যসংবাদ এর সম্পাদক ও প্রকাশক হারুন অর রশিদ, কর্ণফুলি নিউজ সম্পাদক ও প্রকাশক সাইফুল ইসলাম, অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, রেয়াজউদ্দিন বাজার শাখার ব্যবস্থাপক আনিসুল মোস্তাফা, নকশায়ন প্রোপার্টিস এর চেয়ারম্যান ইঞ্জিয়ার স্নেহশীস দে, গ্রীণ ইন্টারন্যাশনাল এর সিইও বেলাল হোসেন, এমটিআই ট্রাভেল ইন্টারন্যাশনাল এর প্রোপ্রাইটর তাহিদ আলাল, স্যাম শিপিং এজেন্সি ও ইন্টারমেরিন শিপ সার্ভিস এর ব্যবস্থাপনা অংশীদার ইমরানুল হকসহ অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দ।


দ্বিতীয় ও সমাপনী দিনে কেক কেটে সবার সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন দৈনিক দিনকাল এর চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান হাসান মুকুল।এ সময় উপস্থিত ছিলেন, দৈনিক ভোরের আকাশ আবাসিক সম্পাদক কামাল পারভেজ, সনাতনী দর্পণ এর সম্পাদক ও প্রকাশক নিতাই ভট্টাচার্য, দৈনিক একত্তর বাংলাদেশ সম্পাদক ও প্রকাশক শেখ সেলিম, দৈনিক ঘোষণা এর ব্যুরো প্রধান মুজিব উল্লাহ তুষার,
দৈনিক রূপালী বাংলাদেশ এর স্টাফ রিপোর্টার সাহাবউদ্দিন, ভয়েস চট্টগ্রাম এর চেয়ারম্যান ফরমান উল্যাহ, অফিসার ইউনিয়ন ব্যাংক রকিবুল ইসলাম সায়েম, কায়সার মাহমুদ, সহকারি পরিচালক সিল্ক রোড় ট্রেডিং এন্ড ম্যানুফ্যাকচারিং লি: সহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

এফ. এ. ক্রিয়েটিভ ফার্ম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরহাদ আমিন ফয়সল বলেন, দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে দেশ-বিদেশের গ্রাহকদের রেগুলার ও কাস্টম সফটওয়্যার নির্মাণ, শতাধিক স্বনামধন্য পত্রিকা ও প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপ ডিজাইন-ডেভেলপমেন্ট এবং ডোমেইন–হোস্টিংসহ বিভিন্ন আইটিইএস সেবা দিয়ে আসছে এফ. এ. ক্রিয়েটিভ ফার্ম লিমিটেড। ২০২৬ সালের মধ্যে আমরা মধ্যম আয়ের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য নামমাত্র সাবস্ক্রিপশনে একটি ঝগঊ SME Application আনতে যাচ্ছি, যাতে প্রযুক্তি সেবার বাইরে থাকা ব্যবসায়ীরাও সহজে প্রযুক্তির সুবিধা নিতে পারেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে প্রায় ১ হাজারেরও অধিক গ্রাহককে নিরবিচ্ছিন্ন সেবা দিয়ে আসছে আমাদের প্রতিষ্টান, আগামীতেও আরও উন্নত ও মানসম্মত গ্রাহকসেবা প্রদানে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।দুই দিনের এই আয়োজনে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারী, গ্রাহক, গণমাধ্যমকর্মী এবং সম্মানিত আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

কিউলেক্স মশার প্রকোপ বেড়েছে: মেয়র ডা. শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, নালা-নর্দমা ও ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকা এবং যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার কারণে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে স্থির পানিতে মশার বংশবিস্তার ঘটছে। তাই নালা-নর্দমা পরিষ্কার রাখা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নাগরিক সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।’শনিবারের অঙ্গীকার, বাসাবাড়ি করি পরিষ্কার’—এই স্লোগান সামনে রেখে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযানের উদ্বোধনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।

শনিবার (১৪ মার্চ) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও এর আশপাশের এলাকায় এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। কর্মসূচিটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সারা দেশে পরিচালিত উদ্যোগের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামেও শুরু হয়েছে।মেয়র বলেন, নগরবাসীর সুস্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ এলাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান, কারণ প্রতিদিন এখানে হাজার হাজার মানুষ চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন।তাই মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে ও ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে এই এলাকাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বর্ষা মৌসুমে টব, ডাবের খোসা, নির্মাণাধীন ভবনের সামগ্রী বা প্লাস্টিকের পাত্রে জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে এডিস মশার লার্ভা জন্ম নেয়, যা ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার জন্য দায়ী। তবে বর্তমানে কিউলেক্স মশার বিস্তার বেশি দেখা যাচ্ছে, যার প্রধান উৎস নোংরা ড্রেন ও জমে থাকা বর্জ্য। নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার রাখা এবং আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব।তিনি জানান, নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে একযোগে এই পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে লার্ভিসাইড ও অ্যাডাল্টিসাইড ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে এবং ওয়ার্ডভিত্তিক তদারকির জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কাজ করছেন।

এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি ও অতিরিক্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রায় ১৬০ জনের একটি বিশেষ দল কাজ করছে।মেয়র বলেন, চকবাজার, বাকলিয়া, আগ্রাবাদ, ফিরিঙ্গিবাজার, হালিশহর, পাহাড়তলীসহ কয়েকটি এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় বিশেষভাবে মশক নিধন ও ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

কার্যকর ওষুধ ব্যবহারের কারণে বর্তমানে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ অনেকটাই কমেছে। আমেরিকা থেকে আনা কার্যকর লার্ভিসাইড ব্যবহার করায় ডেঙ্গুর লার্ভা ধ্বংসে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে।

মেয়র নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, শহর শুধু সিটি করপোরেশনের নয়—এটি সবার শহর। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাসা-বাড়ির আঙিনা, ছাদ, বারান্দা এবং আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। সপ্তাহে অন্তত একদিন নিজেদের আশপাশ পরিষ্কার রাখলে একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও স্বাস্থ্যকর নগর গড়ে তোলা সম্ভব।তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সব সময় উন্নয়ন ও উদ্যোগে পথ দেখিয়েছে। পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার ক্ষেত্রেও চট্টগ্রাম দেশের অন্যান্য সিটি করপোরেশনের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।

উদ্বোধনের পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মেইন গেট, কেবি ফজলুল কাদের সড়ক এবং প্রবর্তক মোড় এলাকায় ড্রেন পরিষ্কার করা হয় এবং মশক নিধনে লার্ভিসাইড ওষুধ ছিটানো হয়। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মীরা ফগার মেশিন ও স্প্রে মেশিন ব্যবহার করে মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন, চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী, উপপ্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. সরফুল ইসলাম প্রমুখ।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ