উন্নত সমাজ বিনির্মাণে বেগম রোকেয়া নারী জাতিকে পথ দেখিয়েছেন : জেলা প্রশাসক

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেছেন, নারী সমাজের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া। কুসংস্কারমুক্ত উন্নত সমাজ বিনির্মাণে তিনি নারী জাতিকে পথ দেখিয়েছেন। সমাজের বড় অংশ নারী এবং প্রত্যেক মেয়েরাই একেকজন বেগম রোকেয়া। এই নারী জাতি ছাড়া দেশের কাঙ্খিত উন্নয়ন কখনো সম্ভব নয়। তাদেরকে উৎসাহিত করতে হবে। মহিয়সী নারী বেগম রোকেয়ার আদর্শ ও উদ্দেশ্য ধারণ করে নারীরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে আজ অদম্য চিন্তা-ভাবনায় অনেকদূর এগিয়ে গেছে। সামনে আমাদের অনেক চ্যালেঞ্জ আছে। বেগম রোকেয়ার মতো প্রত্যেক নারী নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসলে চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করা সম্ভব।

আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস উদযাপন উপলক্ষে মঙ্গলবার বেলা ১২টায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও অদম্য নারী পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘আমিই বেগম রোকেয়া’-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর যৌথভাবে অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, প্রযুক্তির এই দিনে নারী-পুরুষ উভয়কে সুশিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। অদম্য নারীরা অনেক ক্ষেত্রে ত্যাগ ও প্রতিকুলতাকে পেছনে ফেলে জীবন-সংগ্রাম করে এগিয়ে গেছে। সৎ মানসিকতা ও আত্মবিশ্বাস থাকার কারণে তারা দেশে আজ স্বাবলম্বী হয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে সুখে দিন কাটাচ্ছে। সমাজ উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে অংশ দিয়ে তারা আজ অদম্য নারী হিসেবে সরকারিভাবে সম্মাননা পাচ্ছেন। নারী ও শিশু নির্যাতন এবং বাল্য বিবাহ রোধসহ প্রত্যেক অনৈতিক কর্মকান্ড সম্পর্কে নারীদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান জেলা প্রশাসক।

তিনি বলেন,আমাদের একজন বেগম রোকেয়া আছেন। তিনি তাঁর সময়ের প্রতিকুলতা জয় করে নারীর জন্য কিছু করার কথা ভেবেছেন। সমাজে নারীদের মর্যাদার আসন দেয়ার জন্য বেগম রোকেয়া। যারা সাফল্য পেয়েছেন তারা দীর্ঘ সময় ধরে অনেক পরিশ্রম করে সফল হয়েছেন। আমরা নারীদের জন্য কাজ করছি। তাদেরকে হারিয়ে যেতে না দেওয়া, সামনে তুলে আনা ও সফল হতে সহযোগিতা করা আমাদের দায়িত্ব।

অনুষ্ঠান শেষে জেলা পর্যায়ে চার ক্যাটাগরিতে ৪ জন অদম্য নারীকে উত্তরীয় পরিয়ে দিয়ে সনদপত্রসহ সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। সম্মাননাপ্রাপ্ত সফল নারীরা হচ্ছেন-অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী বোয়ালখালী পৌরসভা এলাকার ৯নং ওয়ার্ডের রোহাই পাড়ার রতন দাশের মেয়ে শিপ্রা দাশ, শিক্ষা ও চাকুরী ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী সাতকানিয়া উপজেলার বাজালিয়া গ্রামের মোহাম্মদ আবদুল আলিমের মেয়ে আসমা আকতার রুনা,

সফল জননী নারী সন্দ্বীপ উপজেলার মগধরা সেকান্দর কোম্পানী বাড়ির মোহাম্মদ হোসাইনের স্ত্রী রেজিয়া বেগম এবং নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন মুছে জীবন সংগ্রামের জয়ী নারী সাতকানিয়া উপজেলার পশ্চিম গাটিয়াডেঙ্গার আবদুস সাত্তারের মেয়ে জান্নাতুল আদন। অনুষ্ঠানে সম্মাননাপ্রাপ্ত সফল নারীরা তাদের জীবন-সংগ্রামের স্মৃতিচারণ করেন।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ শরীফ উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও অসরকারী সংস্থা ইপসা’র কর্মকর্তা সেতার রুদ্রের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও অদম্য নারী পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলার নবাগত পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খানঁ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক আতিয়া চৌধুরী।

বক্তব্য রাখেন অসরকারী উন্নয়ন সংস্থা ইলমা’র প্রধান নির্বাহী জেসমিন সুলতানা পারু ও প্রত্যাশী’র সহকারী পরিচালক মোঃ সেলিম। অনুষ্ঠানে সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম জেলার নবাগত পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খান বলেন, কোন কাজকেই ছোট করে দেখা উচিত নয়। নারীদের প্রতি কোন ধরণের বৈষম্যমূলক আচরণ ও অবিচার আমরা কামনা করি না। তারা দেশের উন্নয়নের অংশীদার।

তিনি আরও বরেন, সময় ও পরিস্থিতির প্রয়োজনে একজন বেগম রোকেয়ার জন্ম হয়েছে। আমি যে কাজ করি তার চেয়ে আমার স্ত্রীর কাজগুলো অনেক কঠিন ও পরিশ্রমের। বেগম রোকেয়া নারী সমাজের জন্য সূর্য। নারী জাগরণের পথিকৃৎ হয়ে তিনি বিশ্বে স্বাক্ষর রেখেছেন। কুসংস্কার ও অন্ধকারাচ্ছন্ন পথ থেকে বেরিয়ে আসতে বেগম রোকেয়া নারীদের উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। তাই নারীদের মর্যাদা দেয়ার পাশাপাশি নারীর প্রতি বৈষম্য নিরসন ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধে নারী-পুরুষ উভয়কে এগিয়ে আসতে হবে। বিশ্বেও সকল নারীর প্রতি শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা জানান তিনি।

বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ শরীফ উদ্দিন উপস্থিত সবাইকে নিজের পরিবারের সন্তানদের প্রতি কোন ধরণের বৈষম্য না করার আহবান জানান। তিনি বলেন, পরিবারে আমরা যদি সহিংসতা ও বৈষম্য দূর করে সন্তানদেও সুশিক্ষিত করতে পারি তাহলে রাষ্ট্র সুনাগরিক পাবে এবং দেশ এগিয়ে যাবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নিধারিত ভাড়া না মানলে ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যবস্থা: ইউএনও

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে সিএনজি অটোরিকশায় নির্ধারিত ভাড়ার চার্ট না থাকলে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর থেকে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগে ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে উপজেলার সব সিএনজি অটোরিকশায় দৃশ্যমান স্থানে ভাড়ার চার্ট টাঙানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় বোয়ালখালী উপজেলা অডিটোরিয়ামে সিএনজির ভাড়া, যাত্রীসেবা ও পরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান ফারুক।

সভায় যাত্রীদের স্বার্থ, চালক ও মালিকদের ন্যায্যতা এবং সিএনজি পরিবহনে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে সিএনজিতে যাত্রী উঠানামার ভাড়া ৫ টাকা এবং ইউএনও কার্যালয় থেকে ফুলতল পর্যন্ত ভাড়া ৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এ ছাড়া স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা চলাকালীন সময়ে ইউনিফর্ম পরিহিত কিংবা বৈধ পরিচয়পত্রধারী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্ধেক ভাড়া নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, প্রতিটি সিএনজি অটোরিকশায় নির্ধারিত ভাড়ার চার্ট দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে। ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব গাড়িতে ভাড়ার চার্ট লাগানো নিশ্চিত করতে হবে। ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ভাড়ার চার্ট না থাকা গাড়ির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ছাড়া নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত আদায় না করা এবং যাত্রীদের সঙ্গে শালীন, ভদ্র ও দায়িত্বশীল আচরণ করতে চালকদের নির্দেশ দেওয়া হয়। যাত্রী হয়রানি, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় কিংবা সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অমান্যের অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, বোয়ালখালীর পাঁচটি স্টেশনে পূর্বের নির্ধারিত ভাড়ার সঙ্গে ৫ টাকা করে বৃদ্ধি করা হবে। অন্য স্টেশনগুলোর ভাড়া আগের মতোই বহাল থাকবে।

সভায় বোয়ালখালী সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কানিজ ফাতেমা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল হক চেয়ারম্যান, পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ইসহাক চৌধুরী, বিএনপি নেতা শহিদুল্লাহ চৌধুরী, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতা মুজাহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির বোয়ালখালী উপজেলা শাখার সভাপতি অধীর বড়ুয়া ও সাধারণ সম্পাদক আকরাম হোসেন দুলালসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া বোয়ালখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, এস এম মোদাচ্ছের, বোয়ালখালী সিএনজি অটোরিকশা টেম্পু শ্রমিক ও মালিক সমন্বয় পরিষদের সভাপতি মো. ইদ্রিস, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হাবিবুর রহমান, শ্রমিকনেতা আবদুল সাত্তার এবং কালুরঘাট-ফুলতল, শাকপুরা, সিও অফিস, জোটপুকুর, কানুনগোপাড়া, দাশেরদীঘি, বেংগুরাসহ বিভিন্ন এলাকার সিএনজি চালক ও সমিতির প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।সভায় উপস্থিত বিভিন্ন পক্ষ পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে যাত্রীবান্ধব, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ সিএনজি পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন।

ইঞ্জিন দ্রুত মেরামতে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপকের নির্দেশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে রেলওয়ে ট্রেনিং একাডেমি (আরটিএ), লোকোসেড, সিজিপিওয়াই, কনটেইনার কোম্পানি অব বাংলাদেশ (সিসিবিএল) ও পদ্মা অয়েল সাইডিং লাইন পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মামুনুল ইসলাম। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) এসব স্থাপনা পরিদর্শন করেন তিনি। পরিদর্শনকালে রেলওয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

পরিদর্শনকালে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী (সিই), চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট (সিওপিএস), চিফ কমার্শিয়াল ম্যানেজার (সিসিএম), চট্টগ্রামের বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার (ডিআরএম) এবং পাহাড়তলীর ডিএসডব্লিউসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রথমে রেলওয়ে ট্রেনিং একাডেমি (আরটিএ) পরিদর্শন করেন মহাব্যবস্থাপক। এ সময় তিনি একাডেমির একাডেমিক ভবন, প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশিক্ষণ কক্ষ, ডরমেটরি ও আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখেন। পরিদর্শনকালে বিভাগীয় প্রধানদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।এরপর তিনি সিজিপিওয়াই, টার্ন টেবিল, ট্রায়াঙ্গেল লাইন, ইয়ার্ড লাইন ও লোকোসেড পরিদর্শন করেন। লোকোসেড পরিদর্শনকালে ইঞ্জিন দ্রুত মেরামত ও সচল রাখার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টদের বিভিন্ন পরামর্শ ও নির্দেশনা দেন।

পরে সিজিপিওয়াই এলাকায় কনটেইনার কোম্পানি অব বাংলাদেশ (সিসিবিএল) পরিদর্শন করেন মহাব্যবস্থাপক। এ সময় সিসিবিএলের সঙ্গে রেলওয়ের বিভিন্ন চুক্তি, নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং সীমানা নির্ধারণসংক্রান্ত বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়। এছাড়া দ্মা অয়েল সাইডিং লাইন পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় প্রধানদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন তিনি।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ