আজঃ শনিবার ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটি:

প্রেস রিলিজ

সভাপতি জাহিদুল করিম কচি ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ নির্বাচিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির (২০২৫-২০২৬) সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার আবাসিক সম্পাদক জাহিদুল করিম কচি এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত বৈশাখী টিভির ব্যুরো প্রধান গোলাম মাওলা মুরাদ।

বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের কর্ণফুলী হলে আয়োজিত অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির বর্ষপূর্তি দ্বিতীয় পর্বের অনুষ্ঠানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সাইফুল্লাহ চৌধুরী এ কমিটি ঘোষণা করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারন সম্পাদকও ডেইলী পিপলস ভিউ সম্পাদক ওসমান গণি মনসুর, এনটিভি’র ব্যুরো প্রধান শামসুল হক হায়দরী, প্রেসক্লাবের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী আবুল মনসুর, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য শিশির বড়ুয়া ও মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমানসহ অন্যরা।


কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে রয়েছেন কালের কণ্ঠের ব্যুরো প্রধান মুস্তফা নঈম। সহ-সভাপতি হয়েছেন দৈনিক বাংলার ব্যুরো প্রধান ডেইজি মওদুদ।
অন্যদিক যুগ্ম সম্পাদক বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার বিশেষ প্রতিনিধি মিয়া মো. আরিফ, অর্থ সম্পাদক এটিএন বাংলার সিনিয়র রিপোর্টার আবুল হাসনাত, সাংস্কৃতিক সম্পাদক পোট্রেট নিউজের সম্পাদক রূপম চক্রবর্তী, ক্রীড়া সম্পাদক সিবার্তা-২৪ এর সম্পাদক রুবেল খান, গ্রন্থাগার সম্পাদক ইসলামিক টিভির সাবেক ব্যুরো প্রধান মো. শহীদুল ইসলাম, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক দৈনিক দিনকালের ব্যুরো প্রধান হাসান মুকুল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক দৈনিক পূর্বদেশের সিনিয়র রিপোর্টার ফারুক আবদুল্লাহ নির্বাচিত হয়েছেন।

এছাড়া কমিটিতে কার্যকরী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন টাইমস অব বাংলাদেশ এর ব্যুরো প্রধান সালেহ নোমান, দৈনিক ইনকিলাবের ডেপুটি ব্যুরো প্রধান রফিকুল ইসলাম সেলিম, একাত্তর টিভির ব্যুরো প্রধান সাইফুল ইসলাম শিল্পী এবং এনটিভি’র সিনিয়র রিপোর্টার আরিচ আহমেদ শাহ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতালের সাথে সাঈদ আল নোমানের মতবিনিময়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাহাড়তলীস্থ চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (সিইআইটিসি) এর সাথে চট্টগ্রাম-১০ আসনে বিএনপির প্রার্থী সাঈদ আল নোমানের মতবিনিময় সভা শুক্রবার বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত হয়। হাসপাতালের ইমরান সেমিনার হলে আয়োজিত সভায় দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাাখেন চক্ষু হাসপাতালের উপদেষ্টা ও সাবেক ম্যানেজিং ট্রাষ্টি আন্তর্জাতিক চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন। সভাপতিত্ব করেন হাসপাতালের ম্যানেজিং ট্রাষ্টি মো. জাহাঙ্গীর আলম খান। আইসিও এর পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা. মনিরুজ্জামান ওসমানীর পরিচালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতালের ছানি রোগ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. রাজিব হোসেন।

বক্তব্য রাখেন, কার্যকরী পরিষদের সদস্য মোহাম্মদ রেজওয়ান শাহিদী, ডা. মেরাজুল ইসলাম ভূঁইয়া, ফাহমিদা, মো. মামুন প্রমূখ। ম্যানেজিং ট্রাষ্টি মো. জাহাঙ্গীর আলম খান বলেন, হাসপাতালটির প্রতিষ্ঠাতা আন্তর্জাতিক চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন এমন একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেছেন যা বাংলাদেশ নয় দক্ষিণ এশিয়ায় আছে বলে মনে হয়না। তিনি এ প্রতিষ্ঠানটি যাতে সুরক্ষিত থাকে সে জন্য সাঈদ আল নোমানকে লক্ষ্য রাখার আহবান জানান।

সভায় অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন তার আত্মজীবনী ‘প্লেজার অ্যান্ড পেইন’’ নামক গ্রন্থটি সাঈদ আল নোমানের হাতে তুলে দেন। এ সময় অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন সাঈদ আল নোমানকে উদ্দেশ্য করে বলেন, নিজের জীবন, পরিবার, চিন্তা-ভাবনা এবং সম্পদের বড় একটি অংশ ব্যয় করে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করার যে দুঃসাহস দেখিয়েছে সেজন্য তিনি তার এই সাহসকে শ্রদ্ধা করেন। এমন দুঃসাহস জন্য আমরা গর্বিত।

তিনি বলেন, এমন শিক্ষিত, নন্দিত ব্যক্তি রাজনীতিতে আসার খুব কম নজির রয়েছে। তিনি তাঁর আরো সফলতা কামনা করেন। সাঈদ আল নোমান বলেন, মানবতার কন্যানে মানুষকে ভাালোবেসে আমার অভিভাবক অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠা করেছেন। তবে এই ৫৪ বছরে অনেক জঞ্জাল, সমস্যা তৈরি হয়েছে। আমরা যদি আমাদের সামষ্টিক শক্তি ধরে রাখতে পারি তাহলে আমরা আরো এগিয়ে যেতে পারবো।

চট্টগ্রামের স্বাস্থ্যখাত নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে সাঈদ আল নোমান বলেন, জেনারেল হাসপাতালের সক্ষমতা বর্তমানে খুবই সীমিত। এটিকে আধুনিক ও কার্যকর করে তোলার পাশাপাশি মেডিক্যাল কলেজে রূপান্তরের প্রয়োজন রয়েছে। বিশেষ করে পাহাড়তলী, খুলশী ও হালিশহর এলাকায় সরকারি হাসপাতালের ঘাটতি প্রকট। খুলশীতে কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থাকলেও হালিশহর ও পাহাড়তলীতে কোনো সরকারি হাসপাতাল নেই। ফলে চিকিৎসাসেবাকে অবশ্যই রাষ্ট্রীয়ভাবে বিবেচনা করতে হবে। বড় পরিসরে সরকারি উদ্যোগ ছাড়া এই খাতে টেকসই সমাধান সম্ভব নয়।

চট্টগ্রামে আনিসকে ৫ টুকরা করে বিভিন্ন খালে ফেলে দিলেন প্রেমিকা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরে আবারও এক যুবককে হত্যা করে টুকরা টুকরা করে বিভিন্ন খালে ফেলে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেল ৫টায় তার মাথা পাওয়া যায় অক্সিজেন এলাকার লোহারপুল সংলগ্ন খালে। এর আগে প্রথমে হাত দুটি এবং পা গুলো উদ্ধার করেছিল পুলিশ।সিএমপির বায়েজিদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল কবীর জানান, মঙ্গলবার থেকে নিহত আনিস নিখোঁজ ছিল।বুধবার তার দুটি হাত উদ্ধার করে পরিচয় জানার পর থেকে তদন্তে নামে পুলিশ। আমরা শরীরের একাধিক অংশ উদ্ধার করেছি। শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে খাল থেকে মাথা উদ্ধার করা হয়েছে।

জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে সোফিয়া নামের এক নারী আনিসকে ডেকে নিয়ে শীল-পাটা দিয়ে প্রথমে মাথায় আঘাত করে।এরপর দা দিয়ে ঘাড়ে কোপ দেয়। তারপর পাঁচ টুকরো করে নগরের বিভিন্ন খালে ফেলে দেওয়া হয়। মাথাটি ফেলেছিল অক্সিজেন মোড় সংলগ্ন লোহার পুল এলাকায়। পুলিশ শুক্রবার বিকেলে খালের বিভিন্ন অংশে তল্লাশি করতে দেখা গেছে। নিহত আনিস রাউজানের বাসিন্দা। তার স্বজনরা জানান, সোফিয়াকে তিনি দুই লাখ আশি হাজার টাকা ধার দিয়েছিলেন। সেই টাকা চাইলে সোফিয়া ডেকে নিয়ে আনিসকে হত্যা করেছে।

সোফিয়ার স্বজনরা জানায়, নির্মম হত্যার শিকার আনিস তার প্রেমিকা সোফিয়ার সঙ্গে অন্তরঙ্গ সময়ের ছবি এবং ভিডিও করে রেখে তাকে ব্ল্যাকমেইল করে। সেই ক্ষোভ থেকে সোফিয়া আনিসকে হত্যা করেছে।

২০২২ সালের নভেম্বরে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা এলাকা আয়াত নামের এক শিশুকে হত্যার পর ৬ টুকরা করে সাগরপাড়ে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। তারপরের বছর হাসান নামের আরেক বৃদ্ধকে তার স্ত্রী সন্তান ও পুত্রবধূ মিলে হত্যা করে কয়েক টুকরা করে খালে ফেলে দিয়েছিল। গ্রেপ্তার পুত্রবধূর ‘তখন আমার বিবেক কাজ করেনি, আবেগ কাজ করেছিল’ উক্তিটি দেশ-বিদেশে ব্যাপক ভাইরাল হয়।

আলোচিত খবর

জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণায় বেশি সময় লাগতে পারে- ইসি সচিব।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের দুই ধরনের ব্যালটে ভোট দিতে হবে এবং প্রার্থীর সংখ্যাও তুলনামূলক বেশি হওয়ায় ভোটগ্রহণ ও গণনা—উভয় প্রক্রিয়াতেই স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে মোবাইল অপারেটর, ব্যাংক ও বিএনসিসি কর্মকর্তাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

তিনি আরও জানান, এবারের নির্বাচনে প্রবাসী ভোটার ও দেশের অভ্যন্তরীণ ভোটারদের জন্য আলাদা ব্যালট ব্যবহৃত হবে। এর সঙ্গে প্রার্থীর সংখ্যা বেশি থাকায় ভোট গণনায় অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন হবে। বিশেষ করে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পোস্টাল ব্যালট গণনা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

উদাহরণ হিসেবে সচিব বলেন, ফেনী-৩ আসনে পোস্টাল ভোটার ১৬ হাজার ৩৮ জন, চট্টগ্রাম-১৫ আসনে ১৪ হাজার ২৭৪ জন এবং কুমিল্লা জেলায় ১৩ হাজার ৯৩৯ জন ভোটার পোস্টাল পদ্ধতিতে নিবন্ধিত। একটি কেন্দ্রে সাধারণত তিন হাজার ভোটার থাকলেও পোস্টাল ব্যালটের চাপ পাঁচ থেকে ছয় গুণ বেশি, যা ফল প্রকাশে বিলম্ব ঘটাতে পারে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ