আজঃ রবিবার ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে এখনও সক্রিয় রয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সময়ের সাথে সাথে ষড়যন্ত্রকারীদের রং-রূপ-চেহারা হয়তো পাল্টেছে, চরিত্র কিন্তু পাল্টায়নি- তারেক রহমান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দেশি-বিদেশি অপশক্তি অতীতের মতো বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে এখনও সক্রিয় রয়েছে। ঢাকার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে দলীয় আলোচনা সভায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান একথা বলেন।

আমাদের সবার সতর্ক থাকতে হবে। , বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে দেশি-বিদেশি অপশক্তি আগে যেমন সক্রিয় ছিল, এখনো সক্রিয় রয়েছে। সময়ের সাথে সাথে ষড়যন্ত্রকারীদের রং-রূপ-চেহারা হয়তো পাল্টেছে, চরিত্র কিন্তু পাল্টায়নি।

শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে ইতিহাস বিকৃত করেছে। দলীয় স্বার্থে বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের বিকৃতি করেছে। স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে দলীয় ইতিহাসে পরিণত করার অপরিণামদর্শী অপচেষ্টার কারণেই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে এখন মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত একটি চক্র ‘বিজয়ে’র নতুন ইতিহাস রচনার অপচেষ্টা করছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড মাঠে নিবাচনী সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সুদীর্ঘ ২০ বছর ৭ মাস পর মহাসমাবেশে যোগ দিতে চট্টগ্রামে আসছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।এই মহাসমাবেশ ঘিরে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ। নগরের বিভিন্ন মোড় ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে এলাকা। বিভিন্ন স্থানে প্রস্তুতি সভা, স্বাগত মিছিল ও প্রচারণা শেষ হয়েছে। এবার শুধু সমাবেশের অপেক্ষা। রোববার (২৫ জানুয়ারি) পলোগ্রাউন্ড মাঠে বিএনপি আয়োজিত এই নিবাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাাখেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এর আগে ২০০৫ সালে সর্বশেষ চট্টগ্রাম সফর করেন তারেক রহমান।


ওইসময় তিনি সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি’র মেয়র প্রার্থী মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিনের জন্য ভোট চেয়ে আয়োজিত সভায় যোগ দেন। রোববারের সমাবেশে ১০ লাখের বেশি জনসমাগম ঘটাতে চায় বিএনপি।
এদিকে সমাবেশ উপলক্ষে পলোগ্রাউন্ডে ১০০ ফুট দীর্ঘ ও ৬০ ফুট প্রশস্ত মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। চট্টগ্রাম এসে পুরাতন সার্কিট হাউজে অবস্থিত জিয়া স্মৃতি যাদুঘর পরিদর্শন করতে পারেন তারেক রহমান।

এ বিষয়ে চট্টগ্রামের সিটি মেয়র বিএনপি নেতা শাহাদাত হোসেন বলেন, পলোগ্রাউন্ড মাঠে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের যে জনসভা হবে, তাতে বিপুল সংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণের প্রস্ততি নিয়েছে বিএনপি। তিনি বলেছেন, আপনারা দেখেছেন, বারবার শেখ হাসিনা এখানে সমাবেশ করেছে। কিন্তু কমপ্লিটলি ফেইল হয়েছে। কিন্তু বৈরী পরিবেশে ২০২১ সালে আপসহীন নেত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার যে মহাসমাবেশ করেছিলাম।ওই পরিবেশে আমরা সেটা বাংলাদেশের অন্যতম ঐতিহাসিক সমাবেশ ছিল। আজকের প্রেক্ষাপটে তারেক রহমান ২৫ ডিসেম্বর উনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে যে বার্তা নিয়ে এসেছেন বাংলাদেশের মানুষের কাছে, মানুষের উচ্ছ্বাস আমরা দেখেছি। মানুষের মধ্যে ইমোশন কাজ করছে। উচ্ছ্বাস ও ইমোশনের মিশ্রণে আগামীকালের সমাবেশ আশা করি মহাসমুদ্রে রূপান্তর হবে।


শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর পলোগ্রাউন্ড মাঠে নির্বাচনি জনসভার প্রস্তুতি দেখতে গিয়ে এ কথা বলেনতিনি।
মেয়র শাহাদাত হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ইতোমধ্যে চেয়ারম্যান সিকিউরিটি ফোর্সের লোকজন এখানে চলে এসেছে। সকাল ৭টায় তারা পৌঁছেছে। রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় তারেক রহমান শিক্ষার্থীদের সাথে একটি অনুষ্ঠান করবেন জানিয়ে শাহাদাত হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের সাথে মত বিনিময়ের পরে উনি এই সমাবেশে যোগ দেবেন। এই সমাবেশের পর ঢাকার পথে আরো পাঁচটি সমাবেশ উনার আছে। একটি ফেনীতে, কুমিল্লাতে তিনটি আর নারায়ণগঞ্জে একটি।


এই ৫টি সমাবেশ শেষ করে উনি ঢাকায় পৌঁছাবেন। অতীতে আমাদের এই সমাবেশগুলো মহাসমু্দ্ের রূপান্তরিত হয়েছে। আগামীকাল এই সমাবেশটি হবে মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের একটি সমাবেশ।
ভোটের অধিকারের লড়াইয়ের জন্য মানুষ এত বছর সংগ্রাম করেছে মন্তব্য করে মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি শাহাদাত বলেন, এই লড়াইটা ছিল গণতান্ত্রিক অধিকারের লড়াই। এই ভোটের অধিকারের জন্য তারেক রহমান চট্টগ্রামের মাটিতে আসছেন। উনি মানুষকে শুধু এই আবেদনই করবেন, যে যাকে খুশি তাকে আপনারা ভোট দিবেন। কিন্তু গণতন্ত্রকে সমুন্নত করবেন।
তারেক রহমানের চট্টগ্রাম সফর ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে উচ্ছ্বাস কাজ করছে মন্তব্য করে ডা. শাহাদাত বলেন, আশা করছি শৃঙ্খলার মাধ্যমে একটি সমাবেশ চট্টগ্রামবাসীকে উপহার দিতে পারব। সরকারি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি আমাদের দলীয় স্বেচ্ছাসেবকরাও কাজ করছে সে লক্ষ্যে।২৩ জন সংসদ সদস্য প্রার্থী রোববারের মহাসমাবেশে যোগ দেবেন জানিয়ে তিনি বলেন, চট্টগ্রাম মিছিলের নগরীতে পরিণত হবে।

জানা গেছে, রোববার বেলা ১১টায় চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড মাঠে সমাবেশে বক্তব্য দেবেন তিনি। এর আগে ২০১২ সালের ৯ জানুয়ারি চট্টগ্রাম নগরীর সবচেয়ে বড় এ মাঠে তার মা খালেদা জিয়ার জনসভা হয়েছিল। মহাসমাবেশ ঘিরে ব্যাপক গণজমায়েতের প্রস্তুতি নিয়েছে বিএনপি। ইতিমধ্যে দলের প্রস্তুতি সভা করা হয়েছে। এছাড়া যুবদল, ছাত্রদল, মহিলা দল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠন প্রস্তুতি নিয়ে ব্যাপক লোক সমাগমের।পলোগ্রাউন্ড মাঠে সমাবেশের জন্য ১০০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৬০ ফুট প্রস্থের মঞ্চ তৈরি হচ্ছে। মঞ্চের উচ্চতা ৭ ফুট। যেখানে অন্তত ৩০০ লোক বসতে পারবে।
এর আগে চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে মহানগর বিএনপির নেতারা তারেক রহমানের মহাসমাবেশের সার্বিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করেছেন। পুলিশ কমিশনার পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও চট্টগ্রাম-৯ আসনে বিএনপির প্রার্থী আবু সুফিয়ান বলেন, চট্টগ্রাম ও বিএনপির সম্পর্ক গৌরব, ত্যাগ ও সংগ্রামের ইতিহাসে আবদ্ধ। বীর চট্টলা থেকেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে জাতিকে মুক্তির পথে এগিয়ে নিয়েছিলেন। সেই মহান চেতনার ধারাবাহিকতায় ২০১২ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক জনসভা দেশবাসীর মনে আশার আলো জ্বালিয়েছিল। আজ সেই ঐতিহ্য বহন করে বীর চট্টলায় আসছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। চট্টগ্রামের সর্বস্তরের মানুষ জিয়া পরিবারের সুযোগ্য উত্তরসূরি তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত। পলোগ্রাউন্ডের মহাসমাবেশ গণমানুষের অংশগ্রহণে নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে এক ঐতিহাসিক অনুপ্রেরণার মাইলফলকে পরিণত হবে।

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে বিএনপি প্রার্থী সরোয়ার আলমগীর বলেন, চট্টগ্রামের প্রতিটি সংসদীয় আসন থেকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীদের নেতৃত্বে জনস্রোত সৃষ্টি হবে। লাখ লাখ নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে স্পষ্ট হয়ে যাবে-চট্টগ্রাম বিএনপির শক্ত ঘাঁটি। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান বলেন, পলোগ্রাউন্ড মাঠে জনসমাবেশে ১৫ থেকে ২০ লাখ মানুষের সমাগম হবে বলে আমরা আশাবাদী। শুধু দলের নেতাকর্মীই নয়, সাধারণ মানুষও স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই সমাবেশে অংশ নিবেন।

নির্বাচনে নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ আইজিপির।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সকল পুলিশ সদস্যকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, সতর্কতা ও সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) বাহারুল আলম। একই সঙ্গে জনবান্ধব পুলিশিং আরও শক্তিশালী করে জনগণের জান-মাল রক্ষায় নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।শনিবার (২৪ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ লাইন্সের সিভিক সেন্টারে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে পুলিশ অফিসার ও ফোর্স সদস্যদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ প্রাক-নির্বাচনি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন আইজিপি।

আইজিপি বাহারুল আলম বলেন, দায়িত্ব পালনের সময় বডি-ওর্ন ক্যামেরার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে, যা পুলিশি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি করবে।তিনি বলেন, আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে যে কোনো পরিস্থিতিতে ধৈর্য ও পেশাদার আচরণ বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করতে হবে এবং জনগণের প্রত্যাশিত পুলিশি সেবা সহজ ও কার্যকরভাবে দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে।

এ সময় আইজিপির দিকনির্দেশনার আলোকে সকল ইউনিটকে শৃঙ্খলা, দায়িত্বশীলতা ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখে নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানানো হয়। সভায় উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা নির্বাচনকালীন চ্যালেঞ্জ, মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা এবং কল্যাণমূলক বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল— দ্বীপ থানাসমূহের জন্য স্পিডবোট সরবরাহ, মোটরসাইকেল ক্রয়ে ঋণ সুবিধা, দ্বীপ ভাতা চালু ও বৃদ্ধি এবং নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্তদের সরকারি সুবিধা বৃদ্ধি।সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হাসিব আজিজ।

সমাপনী বক্তব্য দেন অতিরিক্ত আইজিপি ও চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. আহসান হাবীব পলাশ। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খান। সভায় চট্টগ্রাম রেঞ্জ কার্যালয়, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশসহ চট্টগ্রাম বিভাগের আওতাধীন ২৯টি ইউনিটের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন পদবীর মোট ৪৫৮ জন অফিসার ও ফোর্স সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ