আজঃ রবিবার ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

কুতুবদিয়ায় ছোটন চেয়ারম্যানের ১০০ কর্মদিবস উদযাপন ! উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্ট এলাকাবাসী।

মো: মনিরুল ইসলাম, কুতুবদিয়া।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুতুবদিয়ার বড়ঘোপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আ. ন. ম শহীদ উদ্দিন ছোটনের দায়িত্ব গ্রহণে (১৫ ডিসেম্বর) ১০০ দিন পূর্ণ হওয়ায় কর্মদিবস উদযাপন করা হয়। এ উপলক্ষে এলাকাবাসী চেয়ারম্যানের উন্নয়ন মূলক কার্যক্রমে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে পরিষদ কার্যালয় বর্ণিল সাজে সাজানো হয় এবং সন্ধ্যায় আনন্দঘন পরিবেশে কেক কেটে ১০০কর্মদিবস উদযাপন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন বড়ঘোপ ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান তৌহিদুল ইসলাম, ইউপি সদস্য যথাক্রমে মাহাবুব আলম, মোঃ জামাল হোসেন, মো: সালাহ উদ্দিন, মো: আজিজুল হক, রেজাউল করিম ও এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারণ।

বড়ঘোপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আ. ন. ম শহীদ উদ্দিন ছোটনের দায়িত্ব গ্রহণের ১০০ কর্মদিবস উপলক্ষে ইউনিয়নজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে তার গৃহীত নানা উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ। দায়িত্ব গ্রহণের শুরু থেকেই চেয়ারম্যান ছোটন ইউনিয়নের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুষ্ঠু বাস্তবায়ন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রেখে চলেছেন। বিশেষ করে রাস্তা সংস্কার, অসহায় ও দুস্থদের সহায়তা প্রদান এবং সাধারণ মানুষের অভিযোগ দ্রুত সমাধানে তার আন্তরিকতা এলাকাবাসীর প্রশংসা কুড়িয়েছে।

ইউপি চেয়ারম্যান আ.ন.ম শহীদ উদ্দিন ছোটন বলেন, “এই ১০০ দিনে আমি চেষ্টা করেছি জনগণের পাশে থাকতে এবং ইউনিয়নকে একটি পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও উন্নয়নমুখী এলাকায় রূপ দিতে। আগামীতেও বড়ঘোপ ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করে যেতে চাই।”

এলাকাবাসী জানান, অল্প সময়ের মধ্যেই দৃশ্যমান পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা ইউনিয়নের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের প্রতি নতুন আশার সঞ্চার করেছে। চেয়ারম্যান ছোটনের এই কার্যক্রম বড়ঘোপ ইউনিয়নের উন্নয়ন যাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ,সিএমপি,র গণবিজ্ঞপ্তি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশিদের ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শ্রমিক-কর্মচারীদের ধর্মঘটে চট্টগ্রাম বন্দরে অচলাবস্থার পর মধ্যরাতে ওই এলাকায় সভা সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।শনিবার রাতে রাত সাড়ে ১১টার দিকে গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।তবে সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা এ নিষেধাজ্ঞার বাইরে রাখা হয়েছে।

বিদেশি কোম্পানির কাছে এনসিটি ইজারার বিরোধিতা করে শনিবার শ্রমিক দলের ডাকা আট ঘণ্টার ধর্মঘটে দিনভর চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম অচল ছিল।রোববার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দরে সব ধরনের প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া শ্রমিক-কর্মচারি ঐক্য পরিষদ (স্কপ) রোববার বেলা ১১টায় চট্টগ্রাম বন্দর ভবন অভিমুখে কালো পতাকা মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

গণবিজ্ঞপ্তি জারিতে বলা হয়েছে, বন্দর এলাকায় মিছিল, সভা-সমাবেশ, মানববন্ধন, পথসভা করলে যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে বন্দরের আমদানি-রফতানি কার্যক্রম ব্যাহত হয়, যা জাতীয় অর্থনীতির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করতে পারে।
এ কারণে বন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম নির্বিঘ্ন ও স্বাভাবিক রাখাসহ জনশৃঙ্খলা, শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার স্বার্থে চট্টগ্রাম বন্দর সংলগ্ন বারেক বিল্ডিং মোড়, নিমতলা মোড়, ৩ নম্বর জেটি গেইট, কাস্টমস মোড়, সল্টগোলা ক্রসিংসহ আশপাশের এলাকায় অস্ত্রশস্ত্র, তলোয়ার, বর্শা, বন্দুক, ছোরা, লাঠি, বিস্ফোরক দ্রব্য, ইট-পাথর বহন ও ব্যবহার এবং যে কোনো ধরনের মিছিল, সভা-সমাবেশ, মানববন্ধন ও পথসভা ১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে ২ মার্চ পর্যন্ত ১ মাসের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।এ আদেশ না মানলে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে হুঁশিয়ার করা হয়।চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ অধ্যাদেশ, ১৯৭৮ এর ৩০ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সিএমপি কমিশনার এ পর্যন্ত তিন দফায় এমন নিষেধাজ্ঞা জারি করলেন।

সাঈদ আল নোমানের সমর্থনে ধানের শীষ সমর্থক গোষ্ঠীর মত বিনিময় সভা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-১০ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সাঈদ আল নোমানের সমর্থনে ধানের শীষ সমর্থক গোষ্ঠী কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির এক মত বিনিময় সভা ৩০ জানুয়ারী রাতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। ধানের শীষ সমর্থক গোষ্ঠীর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ হারুনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন, ধানের শীষ সমর্থক গোষ্ঠীর উপদেষ্টা তোফাজ্জল হোসেন।

বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুল হক চৌধুরী ফয়সাল, যুগ্ম আহবায়ক সালাউদ্দিন লিটন, রাশেদুল হক জুয়েল, ব্যারিস্টার নাজমুল হক, রায়হান উদ্দিন চৌধুরী জুয়েল, ওমর ফারুক ভূঁইয়া, সিরাজুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন সুজন, হারুনুর রশীদ হারুন,

মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, মোহাম্মদ হাশেম, মোহাম্মদ বেলাল, মোহাম্মদ আব্দুল, ইব্রাহিম খলিল সুমন, নার্গিস আক্তার, রিয়াদ মোরশেদ, নুরুল আফসার টিটু, জাহেদুল আলম নিপু, শহিদুল ইসলাম পারভেজ, বাহার আহমেদ, মীর পারভেজ, আজফার ইকতিদার শাফি, ফরহাদ উদ্দিন চৌধুরী সুমন, ওসমান গনি তুষার, খলিলুর রহমান, মোহাম্মদ এস্কান্দার, জসীম উদ্দিন, মোঃ সানজিদ, মোহাম্মদ আরিফ, মোহাম্মদ রকি, মোহাম্মদ জিয়া, মোহাম্মদ বাবর, নিজামুদ্দিন, সখিনা বেগম, মোহাম্মদ মুসা, মোহাম্মদ ফিরোজ, মোহাম্মদ রিপন, সাজ্জাদ হোসেন, মোহাম্মদ সাকি, ইয়াসমিন আক্তার সুমি, জানু আক্তার, শওকত হোসেন প্রমুখ।

প্রধান অতিথি বলেন, সাঈদ আল নোমান ক্লিন ইমেজের স্মার্ট রাজনীতিবিদ। তাকে বিজয়ী করার জন্য ধানের শীষ সমর্থক গোষ্ঠীকে ব্যাপকভাবে গণসংযোগ করতে হবে। চট্টগ্রামের উন্নয়নে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সাঈদ আল নোমানের আগামীর ভূমিকা চট্টগ্রামবাসীর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া বলেন,সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে নিরলস পরিশ্রম করে, মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে ধানের শীষের প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য আহবান করতে হবে। সাঈদ-আল-নোমান দলের সম্পদ তথা দেশের সম্পদ। সাঈদ- আল- নোমানকে ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিজয়ী করে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে হবে।

আলোচিত খবর

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক সালিশি আদালত কানাডাভিত্তিক জ্বালানি প্রতিষ্ঠান নাইকোকে বাংলাদেশ সরকারকে ৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটস (আইসিডি/ICSID)-এর ট্রাইব্যুনাল এই রায় ঘোষণা করে। জ্বালানি মন্ত্রণালয় সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।


জ্বালানি সচিব বলেন, বাংলাদেশ এই মামলায় প্রায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছিল। প্রাপ্ত অর্থ সেই দাবির তুলনায় অনেক কম। রায়ের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে এবং পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে।প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের ১৬ অক্টোবর টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে খনন ও উন্নয়ন কাজের দায়িত্ব পায় কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান নাইকো।

পরবর্তীতে নাইকোর পরিচালনাধীন অবস্থায় টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে। ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি এবং একই বছরের ২৪ জুন গ্যাসক্ষেত্রে পরপর দুটি মারাত্মক বিস্ফোরণ হয়। এসব বিস্ফোরণের ফলে বিপুল পরিমাণ মজুদ গ্যাস পুড়ে যায় এবং আশপাশের অবকাঠামো, পরিবেশ ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়। টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র কার্যত অচল হয়ে পড়ে, যা দেশের জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ