আজঃ শনিবার ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬

মালেক শাহ (রাহ:) হুজুরের বার্ষিক ফাতিহা উপলক্ষে কুতুবদিয়ার ইউএনও’র সঙ্গে দরবার কমিটির মতবিনিময়

মো: মনিরুল ইসলাম, কুতুবদিয়া।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আগামী ২৯ ও ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য হজরত শাহ আব্দুল মালেক আল কুতুবী মুহিউদ্দিন আজমী (রাহ:) এর ২৬তম বার্ষিক ওরস-ফাতিহা শরীফ উপলক্ষে কুতুব শরীফ দরবারে আগত লাখ-লাখ ভক্ত-অনুরক্তদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে কুতুবদিয়া উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা করেছে কুতুব শরীফ দরবার কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (২২ ডিসেম্বর) কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন কুতুব শরীফ দরবারের প্রধান উপদেষ্টা শাহজাদা আল্লামা এম. এম. মুনিরুল মন্নান আল-মাদানী। সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ জামশেদ আলম রানার সঙ্গে বার্ষিক ওরস ও ফাতিহা শরীফ উপলক্ষে সার্বিক প্রস্তুতি ও জনদুর্ভোগ লাঘবে করণীয় বিষয়ে আলোচনা করা হয়।


দরবার কর্তৃপক্ষ সভায় জানান, বার্ষিক ওরস ও ফাতিহা শরীফ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে সমুদ্রপথ পাড়ি দিয়ে অন্তত ৮ থেকে ১০ লাখ ভক্ত-অনুরক্ত কুতুব শরীফ দরবারে আগমন করেন। এ সময় যেন কোনো প্রকার হয়রানি, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা বিশৃঙ্খলা না ঘটে, সে লক্ষ্যে আগামী ২৮, ২৯, ৩০ ও ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত পর্যাপ্ত ডেনিস বোটসহ অন্যান্য নৌযান ২৪ ঘণ্টা চালু রাখা, নৌযানে সর্বোচ্চ ৫০ জন যাত্রী পরিবহন নিশ্চিত করা, জেটিঘাটসমূহে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন, সার্বক্ষণিক প্রশাসনিক নজরদারি, মোবাইল টয়লেট স্থাপনসহ সম্ভাব্য আরও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ জামশেদ আলম রানা দরবার কর্তৃপক্ষের দাবিগুলো আন্তরিকতার সঙ্গে শুনে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে সাধারণ ভক্ত-অনুরক্তদের সর্বোচ্চ সুবিধা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাকিবুল আলম। এছাড়া দরবার কর্তৃক গঠিত উপ-কমিটির সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আকবর খান, কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম. এম. হাছান কুতুবী এবং মোরশেদুল মন্নান।
এ সময় স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নজরুল ইসলাম, আবুল কাশেম, শাহেদুল ইসলাম মনির, মো: মনিরুল ইসলাম, আনিছুর রহমান হীরু, হাছান মাহমুদ সুজন, মহিউদ্দিন, নাছির উদ্দিন, হানিফ কুতুবী সহ আরও অনেকে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নেত্রকোনায় শারীরিক প্রতিবন্ধী হিরনের পাশে দাঁড়ালেন মদন বাংলাদেশ প্রেসক্লাব।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় হতদরিদ্র প্রতিবন্ধী এক হাত এক পা বিকলাঙ্গ হিরন মিয়ার একটিমাত্র সম্বল ছিল তার একটি ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক।
গত ২২ জানুয়ারি রাতে এই ইজিবাইকটি কেবা কারা চুরি করে নিয়ে যায়। পরিবারের একমাত্র উপার্জনের বাহন হারিয়ে আজ পরিবার দু’মুঠো আহার যোগাতে দুচোখ দিয়ে অশ্রুজল ঝরছে প্রতিবন্ধী হিরন মিয়া।
এই চুরি হওয়া ঘটনাটি ঘটেছে মদন উপজেলার মদন ইউনিয়নের বাজিতপুর গ্রামে।প্রতিবন্ধী হিরণ মিয়া বাজিতপুর গ্রামের মৃত আব্দুল খালেক এর ছেলে।

পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়,
১০ বছর পূর্বে টাইফয়েড জ্বর হওয়ার পর হিরন মিয়া একটি পা এবং একটি হাত প্যারালাইস অবশ হয়ে যায়। এরপর থেকে পরিবার নিয়ে বিপাকে পড়ে প্রতিবন্ধী হিরন মিয়া পরে স্থানীয় এলাকাবাসীর সহায়তা তাকে একটি ইজিবাইক ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা কিনে দেন তাকে।

ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা দিয়ে যা উপার্জন হতো পরিবারের ৫ সদস্যদের কোনরকম ডাল ভাত খেয়ে জীবন যাপন করছিল।গত ২২ জানুয়ারি আনুমানিক রাত তিনটার দিকে কেবা কারা এই ইজি বাইকটি চুরি করে নিয়ে যায়।

অটোরিক্সা ৪টা ব্যাটারি অটো রিক্সার মটারটা নিয়ে গিয়ে মদন উচিতপুর ব্রিজের পাশে খালি অটো রিক্সাটা ফেলে রেখে চলে যায় চুরচক্রের সদস্যরা।প্রতিবন্ধী হিরনের স্ত্রী বলেন, অটোরিক্সা দিয়ে যা উপার্জন করত বিকেল বেলা চাল ডাল নিয়ে আসতো আমার স্বামী আমাদের পরিবার চলত । অটো রিক্সার ব্যাটারি চুরি হওয়াতে এখন আমরা খুব কষ্টে আছি।

এমন সময় হতদরিদ্র হিরন মিয়ার পাশে দাঁড়ালেন মদন উপজেলার বাংলাদেশ প্রেসক্লাব। নিজেদের উদ্যোগে এবং নিজেদের অর্থায়নে কিছু প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিয়ে হিরন মিয়ার পাশে দাঁড়িয়েন। এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মদন উপজেলা বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্ট কবি সাহিত্যিক সিনিয়র সাংবাদিক বীর মুক্তিযোদ্ধা আজহারুল ইসলাম হিরু।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মদন সরকারি হাজী আব্দুল আজিজ খান ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক গিয়াস মাহমুদ রুবেল,বাংলাদেশ প্রেসক্লাব মদন উপজেলা শাখার সভাপতি দৈনিক আমাদের সময় উপজেলা প্রতিনিধি হাবিবুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক শেখ আসাদুজ্জামান মাসুদ, সহ-সভাপতি দৈনিক অগ্নিশিখা জেলা প্রতিনিধি এ এম শফিক, দৈনিক যুগ যুগান্তর জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক রাজিব প্রমুখ। এলাকার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

পাবনার ভাঙ্গুড়ার গুমানি নদীতে বাঁশের বেড়া দিয়ে চুরি, ডাকাতি ঠেকাতে গ্রামবাসীর উদ্যোগ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার দিলপাশার ইউনিয়নের বেতুয়ান গ্রামে সম্প্রতি নৌ-পথে চুরি ও ডাকাতি বেড়ে যাওয়ায় গ্রামবাসী গুমানি নদীর মাঝেই বাঁশের বেড়া দিয়েছেন। নদীর মাঝ অংশে একটির পর একটি বাঁশ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে এ বাঁশের বেড়া। একটি অংশে নৌ চলাচলের পথ রাখা হয়েছে। জানা গেছে, সম্প্রতি বেতুয়ান গ্রাম থেকে দুটি মহিষ ও একটি গরু চুরি হয়েছে। এছাড়াও উপজেলার অষ্টমণিষা বাজারে সোনার দোকানে ডাকাতি এবং কয়েকটি পৃথক স্থানে গরু চুরির ঘটনা এই গুমানি নৌ-পথেই হয়েছে।
দুর্বৃত্তরা ইঞ্জিনচালিত নৌকা ব্যবহার করে গুমানি নদী দিয়ে ভাটির দিকে পালিয়ে যায়। এ কারণেই নিজ এলাকা নিরাপদ রাখাতে গ্রামবাসীর স্বেচ্ছাশ্রমে গুমানি নদীর মাঝেই বাঁশের বেড়া দিয়েছেন।


বেতুয়ান গ্রামের তানজু শেখ বলেন, আমাদের গ্রাম থেকে সাম্প্রতিক সময়ে দুটি মহিষ ও একটি গরু নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। আমরা গ্রামে নিরাপত্তা বাড়াতে নিজেরাই নদীর মাঝ বরাবর বাঁশের বেড়া দিয়েছি।

একই গ্রামের বাসিন্দা রুমান উদ্দিন বলেন, রাতের বেলা নৌকা নিয়ে চোরদের গ্রামে ঢুকার ভয় ছিল। এখন বেড়া থাকায় আমরা অনেকটা নিরাপদ বোধ করছি।গ্রামের অন্য একজন বাসিন্দা রুকসানা আক্তার বলেন, গ্রামবাসী সবাই মিলে কাজ করেছে। আমাদের নিরাপত্তার জন্য এটি খুব জরুরি উদ্যোগ ছিল।

দিলপাশার ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ শরিফুল ইসলাম সজীব খাঁন জানান, বাঁশের খুঁটি পুঁততে তিন দিন সময় লেগেছে। গ্রামের মানুষ রাতের অন্ধকারে স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করেছেন। বেড়ার একটি অংশে নৌ চলাচলের জন্য পথ রাখা হয়েছে যাতে দিনে নৌকা চলাচলে কোনো সমস্যা না হয়।

ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মোস্তাাফিজুর রহমান বলেন, নৌ-পথে গরু চুরি ও ডাকাতির ঘটনায় গ্রামবাসীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছিল। তারা গ্রামবাসী গুমানি নদীর মাঝ বরাবর বেড়া দেওয়ার উদ্যোগ নিয়ে বাঁশের বেড়া কাজ করেছে। দিনে নৌকা চলাচলে যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেটা নিশ্চিত করতে গ্রামবাসীর পক্ষে সার্বক্ষণিক নজরদারি চলছে।

আলোচিত খবর

জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণায় বেশি সময় লাগতে পারে- ইসি সচিব।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের দুই ধরনের ব্যালটে ভোট দিতে হবে এবং প্রার্থীর সংখ্যাও তুলনামূলক বেশি হওয়ায় ভোটগ্রহণ ও গণনা—উভয় প্রক্রিয়াতেই স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে মোবাইল অপারেটর, ব্যাংক ও বিএনসিসি কর্মকর্তাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

তিনি আরও জানান, এবারের নির্বাচনে প্রবাসী ভোটার ও দেশের অভ্যন্তরীণ ভোটারদের জন্য আলাদা ব্যালট ব্যবহৃত হবে। এর সঙ্গে প্রার্থীর সংখ্যা বেশি থাকায় ভোট গণনায় অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন হবে। বিশেষ করে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পোস্টাল ব্যালট গণনা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

উদাহরণ হিসেবে সচিব বলেন, ফেনী-৩ আসনে পোস্টাল ভোটার ১৬ হাজার ৩৮ জন, চট্টগ্রাম-১৫ আসনে ১৪ হাজার ২৭৪ জন এবং কুমিল্লা জেলায় ১৩ হাজার ৯৩৯ জন ভোটার পোস্টাল পদ্ধতিতে নিবন্ধিত। একটি কেন্দ্রে সাধারণত তিন হাজার ভোটার থাকলেও পোস্টাল ব্যালটের চাপ পাঁচ থেকে ছয় গুণ বেশি, যা ফল প্রকাশে বিলম্ব ঘটাতে পারে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ