আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

বীরের বেশে আসছে ফিরে তারেক রহমান।

মোঃ জহিরুল ইসলাম (জহির) :

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যার রাজনৈতিক প্রজ্ঞার কাছে বার বার পরাজিত হয়েছেন পলাতক ফ্যাসিস্ট হাসিনা। তিনি সুদূর লন্ডনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে পতন ঘটিয়েছেন হাসিনার ফ্যাসিবাদের। দীর্ঘ ১৭ বছর নির্বাসিত জীবনের সংগ্রাম, ত্যাগ ও নির্বাসনের কঠিন অধ্যায় পেরিয়ে তিনি আজ আবার বাংলাদেশের রাজনীতির কেন্দ্রে। তাঁর প্রত্যাবর্তন কেবল একজন নেতার ফেরা নয়-এটি গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও মানুষের অধিকার পুনরুদ্ধারের প্রতীক। খুনী হাসিনা স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান, দেশপ্রেমিক চেতনা ও ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের রূপরেখা-সব মিলিয়ে তারেক রহমান আজ কোটি মানুষের আশার নাম।

এক-এগারো সরকারের কুশীলবদের ষড়যন্ত্রে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করে রিমান্ডের নামে নির্যাতনের শিকার হয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর সপরিবার লন্ডনে পাড়ি জমান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান; পরে সেখানে রাজনৈতিক আশ্রয় নেন। প্রায় ১৭ বছর ধরে লন্ডনে আছেন তিনি। সেখান থেকেই নিজ বাসায় বসে অনলাইনে দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন দিনরাত নিরলসভাবে। ভার্চুয়াল মাধ্যমে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করার পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতেও অংশ নিয়েছেন তিনি।

একটি ছোট রুম, থাকে থাকে সাজানো বই, একটি চেয়ার, একটি টেবিল-টেবিলের উপর ডাইরি, কলম, আর একটি কম্পিউটার সঙ্গী করে-আমাদের প্রিয় নেতা, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে প্রবাসের মাটিতে থেকেও দলের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। এই সীমিত পরিবেশে থেকেও তিনি দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন, দেশ-বিদেশে নেতা-কর্মীদের খোঁজখবর নিয়েছেন, দেশের মানুষের দুঃখ-কষ্টে পাশে থেকেছেন, ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের দিকনির্দেশনা দিয়েছেন, সংকট দূরীকরণে নিরলসভাবে পরিশ্রম করেছেন।

খুনী হাসিনার একটি স্বপ্ন ছিলো বিএনপি ভেঙে টুকরো টুকরো করবে কিন্তু বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, দুরদৃষ্টি সম্পন্ন নেতৃত্বের কাছে খুনী হাসিনা বার বার পরাজয় বরণ করেন। ফিনিক্স পাখির মতো বার বার বিএনপির নেতা-কর্মীরা গায়েবি মামলার বেড়াজাল, গুম-খুন শতো কষ্ট উপেক্ষা করে প্রিয় নেতা তারেক রহমানের ডাকে রাজপথে নেমে আসে বার বার।

দেশবিরোধী অপতৎপরতা দেমে নেই তারেক রহমানের দেশে ফেরা ঠেকাতে এবং আগামী নির্বাচন যাতে যথাসময়ে হতে না পারে সেজন্য নানা রকম ষড়যন্ত্র চলমান। একদিকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া’র অসুস্থতার সময় তারেক রহমান কেনো দেশে আসে নাই মায়া কান্নার নাটক অন্যদিকে যখনই দেশে আসতে সব ঠিক করলেন তখনই ষড়যন্ত্রকারীরা দেশে অরাজকতা সৃষ্টি, দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত।

গত ১২ ডিসেম্বর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের যোদ্ধা, ইনকিলাব মঞ্চে মুখপাত্র ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী শরীফ ওসমান বিন হাদি’র উপর নির্মম ভাবে দিনে-দুপুরে ঢাকার পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। ক্ষমতাচ্যুত পলাতক খুনী হাসিনার দল আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের কর্মী হাদির মাথায় গুলি করেন। শহীদ হাদির জানাজার লাখো লাখো মানুষের জনস্রোত বলে দেয় এদেশের জনগণ বাংলাদেশ পন্থী এরা কারো গোলামী করবে না। তারেক রহমানের ঘোষণা সবার আগে বাংলাদেশ আজ ১৮ কোটি মানুষের হ্নদয়ে ধ্বনিত হচ্ছে।

বিএনপি ১২ ডিসেম্বর রাতেই সাংবাদিক সম্মেলন করে তারেক রহমানের দেশে ফেরার বার্তা দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ভার্চুয়াল মাধ্যমে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করার পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতেও অংশ নিয়ে দলের নেতা-কর্মীদের সব সময় চাঙা রেখেছেন, আগলে রেখেছেন। বিএনপি সহ দেশের মানুষ উনার বক্তব্যে, দিক, নির্দেশনাতে আশার আলো দেখতে পেয়েছেন। খুনী হাসিনা গং উনার নেতৃত্ব কে সব সময় ভয় পেতো, তাই তারেক রহমানের নামে নানাবিধও প্রোপাগান্ডা অতীতের ন্যায় বর্তমানেও চালাচ্ছে। ষড়যন্ত্র এখনও চলমান যা এদেশের মানুষের পাশাপাশি সারাবিশ্বের গণতান্ত্রিগামী মানুষ অবগত।

জুলাই যোদ্ধা ওসমান শরীফ হাদি ঢাকার রাজপথে গুলিবিদ্ধ হওয়ার পরে চিকিৎসার জন্য তাঁকে সিঙ্গাপুরে পাঠিয়েছিল অন্তর্র্বতী সরকার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ১৮ ডিসেম্বর মৃত্যুর কাছে হার মানলেন বাংলাদেশের জুলাই আন্দোলনের অন্যতম মুখ তথা ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি। বৃহস্পতিবার রাতে তাঁর মৃত্যুর খবর প্রচারিত হওয়ার পরেই ঢাকায় নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। শাহবাগে জমায়েত হয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ।

একটি দেশবিরোধী চক্র আবারও মেতে উঠে নতুন খেলায়। প্রথম আলো-ডেইলি স্টার অফিস ভাংচুর, আগুন দেয় ছায়ানট ভবনে। সব কিছুর পিছনেই দেশবিরোধী চক্রের হাত রয়েছে। তারেক রহমান দেশে আসলে নির্বাচন হবে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হবে। এটা পলাতক হাসিনার বন্ধু রাষ্ট্র সহজে মেনে নিতে পারছে না। জিয়া পরিবারকে এদেশের জনগণের ভালোবাসা থেকে দুরে রাখতে সব আয়োজন করেছিলো হাসিনা গং। কিন্তু সত্য চিরন্তন জিয়া পরিবারই এদেশকে আপন করে নিয়েছে সকল সংকটে দেশের আপামর জনসাধারণের পাশেই ছিলো, ভবিষ্যতেও থাকবে ইনশাআল্লাহ।

এদিকে তারেক রহমান কে অভ্যর্থনা জানাতে গঠন করা কমিটির প্রধান ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, বাংলাদেশ বিমানের নিয়মিত বাণিজ্যক ফ্লাইটে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ২৫শে ডিসেম্বর বাংলাদেশে আসছেন। ওইদিন ফ্লাইটটি ১১টা ৫৫ মিনিটে অবতরণ করবে তারেক রহমান কে বরণ করে নিতে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল সহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ব্যাপক প্রস্তুতি ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে।

নানা অরাজনৈতিক সংগঠন ও দেশের আপামর জনসাধারণ তারেক রহমান কে স্বাগত জানাতে ঢাকার রাজপথে নেমে আসবে কারণ উনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দেশে নবজাগরণ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি শুধু বিএনপির নেতা নন ১৮ কোটি মানুষের নেতায় পরিণত হয়েছেন। টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া, রুপসা থেকে পাথুরিয়া আজ তারেক রহমানের আগমনে উচ্ছ্বসিত। চারিদিকে আজ একই রব বীরের বেশে আসছে ফিরে তারেক রহমান। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আর তারেক রহমানের দেশে ফিরে আসা সব ই একসূত্রে গাঁথা। বাংলাদেশের হারানো গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে আগামী নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে এই ১ম তারেক রহমান বগুড়া-৬ থেকে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী।

সুদীর্ঘ প্রবাস জীবন ছেড়ে মা, মাটি ও মানুষের ডাকে এদেশ বির্নিমানে তারেক রহমান জনগণের পালস বুঝে মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত কাজ করে যাবেন এটা আমাদের সকলের চাওয়া। মহান স্বাধীনতার ঘোষক, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ও সাবেক ৩ বারের প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া’র সুযোগ্য সন্তান, যিনি আজ নিজ যোগ্যতায়, নিজ কর্মগুনে, নেতৃত্বগুনে এদেশের আপামর জনসাধারণের কন্ঠস্বরে পরিনত হয়েছেন।

বাংলাদেশের স্টেটসম্যানে পরিনত হয়েছেন। ফ্যাসিস্টমুক্ত নতুন বাংলাদেশের ইতিহাসে এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মাহেন্দ্রক্ষণ এক অনন্য গৌরবময় অধ্যায়। দীর্ঘ লড়াই, ত্যাগ ও প্রত্যাশার পর গণমানুষের আকাঙ্খা ধারণ করে তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন জাতির জন্য আশার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। লাল-সবুজের পতাকায় মোড়ানো মাতৃভূমিতে আপনাকে জানাই হৃদয়ের গভীরতম অভিনন্দন ও উষ্ণ স্বাগতম।

এই প্রত্যাবর্তন কেবল একজন নেতার দেশে ফেরা নয়; এটি গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার পুনরুদ্ধারের প্রতীক। দমন-পীড়ন, অন্যায় ও অন্ধকার সময় পেরিয়ে নতুন বাংলাদেশের পথে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। আপনার নেতৃত্বে দেশ আরও ঐক্যবদ্ধ হবে, মানুষের কণ্ঠস্বর শক্তিশালী হবে, এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে উঠবে-এই প্রত্যাশাই আজ সর্বত্র।

লাল-সবুজের প্রিয় মাতৃভূমি আপনাকে বরণ করে নিচ্ছে অগণিত মানুষের ভালোবাসা, বিশ্বাস ও আশার আলো নিয়ে। এগিয়ে যাক প্রিয় বাংলাদেশ-স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও উন্নয়নের পথে।

লেখক: বি.এস.সি ইন ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং,এল.এল.বি, সাবেক সহ দপ্তর সম্পাদক, চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিশ্ব শরণার্থী দিবস উপলক্ষে ইইউ,র ১৪ মিলিয়ন ইউরো অনুদান ঘোষণা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সহায়তায় অতিরিক্ত ১৪ মিলিয়ন ইউরো অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের সঙ্গে অংশীদারত্বের মেয়াদ নবায়নের মাধ্যমে এই অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে, যা জরুরি মানবিক সহায়তা ও সুরক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় ব্যয় করা হবে।

আজ ১৮ জুন ইইউ ও ইউএনএইচসিআরের যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নতুন এই অর্থায়নের আওতায় কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা এবং প্রায় ৭০ হাজার স্থানীয় বাসিন্দা উপকৃত হবেন। বিশেষভাবে দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি সম্প্রসারণ এবং পরিচ্ছন্ন জ্বালানি হিসেবে এলপিজির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধি দলের প্রধান মাইকেল মিলার বলেন, রোহিঙ্গা সংকট দীর্ঘমেয়াদি রূপ নিয়েছে। তাই শুধু জরুরি ত্রাণ নয়, শিক্ষা, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং জীবিকা অর্জনের সুযোগ তৈরির বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। বাংলাদেশে ইউএনএইচসিআরের প্রতিনিধি ইভো ফ্রেইসেন ইইউর ধারাবাহিক সহযোগিতার প্রশংসা করে বলেন- বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য এমন সহায়তা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এটি তাদের সুরক্ষা, মৌলিক চাহিদা পূরণ এবং ভবিষ্যতের প্রতি আশাবাদ ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।বিশ্ব শরণার্থী দিবস ২০ জুন উপলক্ষে এই সহায়তার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

অপতথ্য ও গুজবের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের জোরালো ভূমিকা নিতে হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি বলেছেন, গুজব ও অপতথ্য মোকাবেলায় সাংবাদিকদের জোরালো ভূমিকা নিতে হবে।তিনি সোমবার ১৫ জুন ময়মনসিংহের নান্দাইলে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) আয়োজিত
১৩-১৫ জুন তিন দিনব্যাপী সাংবাদিক প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন।

অপতথ্য ও গুজব ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের সময় ব্যক্তিগতভাবে অপতথ্যের শিকার হয়েছি। এখন রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে গুজব ও অপতথ্য প্রচার করা হচ্ছে। এটি মোকাবেলায় সাংবাদিকদের জোরালো ভূমিকা রাখতে হবে। প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়িয়ে সাংবাদিকদের দক্ষ করে তুলতে সারা দেশে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম নেওয়া হবে। সমাজে নানান বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে সাংবাদিকদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা নিতে হবে।

নান্দাইল উপজেলা পরিষদের হলরুমে আয়োজিত সাংবাদিকদের মাল্টিমিডিয়া, ফ্যাক্ট চেক ও এআই বিষয়ক প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন (জুম মাধ্যমে) পিআইবির মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ এবং নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফাতেমা জান্নাত। প্রশিক্ষণটি সমন্বয় ও সভা সঞ্চালনা করেন পিআইবির প্রশিক্ষক সাহানোয়ার সাইদ শাহীন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন নান্দাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এনামুল হক বাবুল এবং প্রেসক্লাব নান্দাইলের সভাপতি হান্নান মাহমুদ। নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমা জান্নাত প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নান্দাইল উপজেলার ৩৫ জন সাংবাদিকের হাতে আনুষ্ঠানিক সনদপত্র তুলে দেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ