‘চট্টগ্রামে কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দিচ্ছেন বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা। মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষদিন সোমবার সকাল থেকেই চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সম্ভাব্য প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দেন। মনোনয়নপত্র দাখিলে পাঁচ জনের বেশি উপস্থিত না হতে নির্দেশনা থাকলেও তা মানছেন না বেশিরভাগ প্রার্থী। বেলা ১২টার দিকে চট্টগ্রাম-৯ (কোতয়ালী-বাকলিয়া) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আবু সফিয়ান চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার এম জিয়াউদ্দিনের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
এরপর মনোনয়ন জমা দিতে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সামনে আসেন চট্টগ্রাম-১০ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাঈদ আল নোমান। এসময় তার সঙ্গে শতাধিক নেতাকর্মী ছিলেন। তারা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের ভেতরে যেতে চাইলে পুলিশ তাদের বাধা দেয় এবং ধাক্কাধাক্কি হয়। পরে সাঈদ আল নোমান কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে ভেতরে গিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
তার আগে সাঈদ আল নোমান সাংবাদিকদের বলেন,মানুষের এই ভালোবাসা-আবেগ চট্টগ্রামের ঐতিহ্য। বাবার আমল থেকে তা দেখে আসছি।তবে এটি একদিকে যেমন অর্জন, তেমনি বিব্রতকরও। সবার কাছে দোয়া, ভালোবাসা চেয়ে তিনি বলেন, মানুষ যদি সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেন, তাহলে আরও কঠিন দায়িত্ব আসবে। জনসেবার জন্য এসেছি, সেবার কাজটি সবসময় করে যেতে চাই।
চট্টগ্রামের ১৬টি আসনের মধ্যে ১৫ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা হচ্ছেন বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।
এর মধ্যে চট্টগ্রাম-১১ ছাড়া মহানগরের ৫টির রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করছেন বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন। চট্টগ্রাম-১১ এর রিটার্নিং কর্মকর্তা হচ্ছেন আঞ্চলিক মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন চৌধুরী।এছাড়া মহানগরের বাইরের ১০টি আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বে আছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।