আজঃ বুধবার ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

কক্সবাজার-১ আসনে ৩ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা।

কক্সবাজার প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থীদের মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শুক্রবার বিকেলে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সম্পন্ন হয়েছে।যাচাই বাছাই শেষে কক্সবাজার-১ আসনে মনোনয়ন জমা দেওয়া ৫ প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদ, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল ফারুক, গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী আব্দুল কাদেরসহ ৩ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের বিএনপির প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে আদালত তাকে প্রার্থিতা ফেরত দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। মঙ্গলবার বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

বিএনপি প্রার্থী সরওয়ার আলমগীরের আইনজীবী এড. ইউসুফ আলী মাসুদ বলেন, আদালতে এ আদেশের ফলে সরওয়ার আলমগীরের নির্বাচনে অংশগ্রহণে আর কোন বাধা রইল না। আদালতে শুনানিতে সরওয়ার আলমগীরের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান ও ব্যারিস্টার ফয়সল মাহমুদ ফয়েজি।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, প্রার্থিতা ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে চট্টগ্রাম-২ আসনে (ফটিকছড়ি) বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের করা রিটের ওপর আদেশের জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য্য রেখেছিলেন হাইকোর্ট, যা আদালতের মঙ্গলবার কার্যতালিকায় ৮৩ নম্বর ক্রমিকে ওঠে।

এর আগে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে শুনানি শেষে ১৮ জানুয়ারি সরওয়ার আলমগীররের বিরুদ্ধে জামাত প্রার্থী নুরুল আমিনের আপিল প্রথম দফা নামঞ্জুর করেছিলো ইসি। কিন্তু ওইদিন বিকেল পাঁচটায় সরওয়ার আলমগীরের মালিকানাধীন এএনএফজেড টেরি টেক্সটাইলের বিরুদ্ধে প্রিমিয়ার লিজিং এন্ড ফাইনান্স লিমিটেডের একটি স্থিতিআদেশ জমা দেন তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামাত প্রার্থী। নির্বাচন কমিশন একতরফাভাবে ফটিকছড়ি আসনের বিএনপির প্রার্থী সরওয়ার আলমগীরের মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করেছিলো। ইসির ওই সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে সরওয়ার আলমগীর ২০ জানুয়ারি মনোনয়ন ফেরত চেয়ে রিটটি করেন।

বিএনপির প্রার্থী সরওয়ার আলমগীরকে নির্বাচনের মাঠের বাইরে রাখতে জামাত মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক নুরুল আমিন ছয়টি সিভিল পিটিশন দায়ের করেন। ২২ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার জজের সর্বশেষ আদেশে বলা হয় চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরকে আর ঋণখেলাপি হিসেবে গণ্য করা হবে না।
আপিল বিভাগের চেম্বার জজ বিচারপতি মো. রেজাউল হক প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্স সার্ভিসেস লিমিটেডের করা এক আবেদনের শুনানি শেষে এই আদেশ দিয়েছিলেন।

সরোয়ার আলমগীর ঋণখেলাপি নন বলে ঘোষণার বিষয়ে হাইকোর্টের রায়ের ওপর আগে দেওয়া স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের আবেদন জানানো হলে তার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার পথ সুগম হয় । চেম্বার জজ তার আগের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করায় হাইকোর্টের ওই রায় কার্যকর রাখে।

প্রিমিয়ার লিজিংয়ের সঙ্গে সরোয়ার আলমগীরের ঋণ পুনঃতফসিলের বিষয় নিয়ে তার মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করা হলেও পরবর্তীতে রিট শুনানিতে যমুনা ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংকে সরওয়ার আলমগীরের খেলাপি ঋন রয়েছে মর্মে অভিযোগ উত্থাপন করেন জামায়াত প্রার্থীর আইনজীবীরা।

সরওয়ার আলমগীরের আইনজীবী আহসানুল করিম জানান, এই আদেশের ফলে সরওয়ার আলমগীরের নির্বচনে অংশগ্রহণে আর কোন বাধা রইল না। তিনি চট্টগ্রাম-২ ফটিকছড়ি আসনে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন। সকল আইনি বাধা তিনি পার করলেন।

এ বিষয়ে বিএনপি প্রার্থী সরওয়ার আলমগীর বলেন, সত্যের জয় অবশ্যাম্ভবি। সেটা আবারও প্রমাণিত হল। একটি গোষ্টি আমাকে নির্বাচন থেকে দুরে সরিয়ে রাখতে নানাভাবে চেষ্টা করেছে কিন্তু তারা সফল হয়নি। মাননীয় আদালতে ন্যায় বিচার পেয়েছি। ফটিকছড়িবাসি আমার সাথে আছে। আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম মহানগরের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত এ পরিদর্শন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শনকালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদ সেনাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময়কালে ওয়ার সেমেট্রির ঐতিহাসিক গুরুত্ব, সংরক্ষণ ব্যবস্থা, নান্দনিক পরিবেশ এবং পরিবেশগত দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম নগরের উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, স্বাস্থ্যসেবা ও নাগরিক সেবাখাতে ভবিষ্যতে সহযোগিতার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন বলে জানা যায়।

আলোচিত খবর

গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার করতে পারবেন না নির্বাচনি কর্মকর্তারা: ইসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্বে থাকা কোনো নির্বাচনি কর্মকর্তা গণভোটে কোনো পক্ষেই প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তবে ভোটারদের গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার অনুমতি থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন-রিটার্নিং অফিসার কমিশনেরই লোক। সেজন্য আমাদের কাছে এলেও প্রাথমিক পর্যায়ে সেটা রিটার্নিং অফিসার আমাদের মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি প্রত্যেকটা আসনে রয়েছে। আমাদের জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজ পর্যায়ের বিচারকরা রয়েছেন। তারা তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আমলে নিচ্ছেন। তাদের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

মোবাইল কোড প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চলেছেন এবং প্রতিদিনই আমরা রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫০-৭০টি কেস রুজু হয়েছে। কোথাও জরিমানা হচ্ছে কোথাও শোকজ হচ্ছে। মানে কার্যক্রম একার্যক্রম জোরশোরে চলছে।

গণভোটের প্রচারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন-আমাদের বক্তব্য হচ্ছে গণভোটের জন্য আমরা উদ্বুদ্ধ করছি। নির্বাচনি কাজের দায়িত্বে যারা থাকবেন, তারা আইনগতভাবে কোনো পক্ষে কাজ করবেন না। এটি রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক), অ্যাসিস্টেন্ট রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও) এবং অন্যান্য যারা নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন, তারা গণভোটের প্রচার করবে। কিন্তু পক্ষে-বিপক্ষে যাবে না।

সরকার এবং সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা গণভোটের ‘হ্যাঁ’ পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রচারণা করছেন। এটা আসলে কতটা আইনসঙ্গত বলে মনে করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির এই কর্মকর্তা বলেন-নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি কোনো মন্তব্য করতে রাজি না। আমরা স্বাধীন। আমরা একটা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। আমরা কারও কাছে দায়বদ্ধ না।

সিসিটিভির বিষয়ে তিনি বলেন -সিসিটিভির আপডেট এখনো আমাদের কমিশনে আসেনি। আমরা এটা ফিল্ড লেভেল থেকে তথ্য নিয়ে কতগুলো কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থানীয়ভাবে দিতে পারতেছে বা পারে নাই, এই তথ্যগত বিষয়টা আমরা নেব। যেহেতু আরো সময় আছে সেই সময়ের ভেতরে এই তথ্য আমাদের কাছে আসলে আপনাদেরকে জানানো হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ