আজঃ শনিবার ১৪ মার্চ, ২০২৬

দশ বছরেও সন্ধান মেলেনি শাহজাহানের, উৎকণ্ঠিত তার পরিবার।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে রহস্যজনকভাবে এক নিখোঁজ ঘটনায় দীর্ঘ দশ বছর ধরে অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছে একটি পরিবার। নিখোঁজ ব্যক্তি শাহজাহান সিরাজ বাহার। সে চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার ৬ নম্বর ইছাখালী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চুনু মিঝির টেক গ্রামের বাসিন্দা। তিনি শাহ-আলম মাস্টার বাড়ির মরহুম শাহ আলম মাস্টারের বড় ছেলে।

পারিবারিক সূত্র জানায়, ২০১৫ সালের ২০ জুলাই শাহজাহান সিরাজ বাহার তার চাচাকে দেখতে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন। পরদিন ২১ জুলাই সকালে প্রায় ৮টার দিকে শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে তিনি মুঠোফোনে কথা বলেন তার মা জাহানারা বেগমের সঙ্গে। সেটিই ছিল পরিবারের সঙ্গে তার শেষ যোগাযোগ। এরপর থেকে তার সঙ্গে পরিবারের সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

প্রথম ছয় মাস আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুদের মাধ্যমে খোঁজাখুঁজি চালানো হলেও কোনো সন্ধান মেলেনি। পরবর্তীতে ২০১৫ সালের ৬ ডিসেম্বর মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়রি (নং-২২৩) করা হয়। জানা গেছে, নিখোঁজ শাহজাহান সিরাজের পরিবারে রয়েছেন তার বৃদ্ধা মা, স্ত্রী ও দুই সন্তান। ছেলের ফেরার অপেক্ষায় দিন গুনছেন অসহায় মা। অন্যদিকে এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে স্বামীর সন্ধানে এখনো দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন তার স্ত্রী হ্যাপি। স্থানীয়রা জানান, শাহজাহান সিরাজ রাজনৈতিকভাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে রাজনীতির কোনো অপব্যবহারের সঙ্গে তিনি জড়িত ছিলেন না।

বরং সামাজিক কর্মকান্ডে তার সক্রিয় ভূমিকা ছিল বলে জানান ইউনিয়ন বিএনপির নেতা শেখ ফরিদ গাজী।
দীর্ঘ এক দশক পার হলেও এখনো কোনো খোঁজ না মেলায় উৎকণ্ঠা ও হতাশায় ভুগছে পরিবারটি। নিখোঁজ শাহজাহান সিরাজ বাহারের সন্ধান পেলে নিকটস্থ থানা অথবা পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন স্বজনরা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় আগুনে পুড়ে নিঃস্ব ৪ পরিবার, অসহায়দের পাশে উপজেলা প্রশাসন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভাঙ্গুড়া উপজেলায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত চার টি অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে ভাঙ্গুড়া উপজেলা প্রশাসন।শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মিজানুর রহমান।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার অষ্টমনীষা ইউনিয়নের সিংগাড়ি গ্রামে। জানা যায়, শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে একটি বসত ঘরের চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের ঘরবাড়িতে। এতে চারটি পরিবারের ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র, ধান, চাল, সরিষা ও নগদ অর্থ পুড়ে যায়। এতে প্রায় ১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো হলো-
মৃত খইমুদ্দিন সরকারের ছেলে মো. রফিকুল ইসলাম, মৃত খইমুদ্দিনের স্ত্রী সবুরা খাতুন, মৃত আজগার আলী মন্ডলের স্ত্রী শাহিদা খাতুন এবং মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে জাহিদুল ইসলাম।

শনিবার দুপুরে ঘটনাস্থলে পরিদর্শনে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজখবর নেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মিজানুর রহমান।
এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করেন এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

এ সময় অষ্টমনীষা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুলতান জাহান বকুল, ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন যুব ক্রীড়া বিভাগের সভাপতি মো. ওয়ারেছ আলী উপস্থিত ছিলেন।

 

চট্টগ্রামে চেক জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের চেষ্টায় একজনের কারাদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে চেক জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থ
আত্মসাতের চেষ্টায় একজনের কারাদণ্ড
ছবি-৩
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রামে স্বাক্ষর নকল ও চেক জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যাংক থেকে অর্থ আত্মসাতের চেষ্টার দায়ে নজরুল ইসলাম একজনকে ৯ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন একটি আদালত। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমান খানের আদালত এই রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত মো. নজরুল ইসলাম পটিয়া উপজেলার ভাটিখাইন ইউনিয়নের মো. নুরুল ইসলামের ছেলে।রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের বিশেষ পিপি মোকাররম হোসাইন। তিনি বলেন, রায়ের সময় আসামি পলাতক ছিলেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, নজরুল ইসলাম ও মো. শাহাজাহান ডবলমুরিং এলাকার মেসার্স নবী এন্ড সন্সের কর্মচারী ছিলেন। নজরুল ইসলাম ছিলেন ওই প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার। ২০০৭ সালের ৩ জুন দুপুর ২টার দিকে নগরীর সদরঘাট এলাকার স্ট্যান্ড রোডের জনতা ব্যাংকের শাখা থেকে তারা দুই কর্মচারী মিলে প্রতিষ্ঠানের মালিকের বড় ভাই মো. সেলিমের স্বাক্ষর জাল করে ৬টি চেক জনতা ব্যাংকে জমা দেয় টাকা উত্তোলনের জন্য। পরে ব্যাংক থেকে প্রতিষ্ঠানের মালিকপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে বিষয়টি বুঝতে পেরে তারা টাকা দিতে নিষেধ করেন। পরদিন অর্থাৎ ওই বছরের ৫ জুন চেকগুলোর মাধ্যমে টাকা প্রদান না করার জন্য ব্যাংক বরাবর লিখিত আবেদন করেন প্রতিষ্ঠানটির মালিক আবু সাদাত মোহাম্মদ শামীম। পরে ওই বছরের ১৮ জুলাই তিনি এ ঘটনায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় পুলিশ ২ নম্বর আসামির সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় শাহাজাহানকে চার্জশিট থেকে বাদ দিয়ে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন। ওই মামলায় আজ আসামি নজরুল ইসলামকে ৯ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ