আজঃ সোমবার ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬

দশ বছরেও সন্ধান মেলেনি শাহজাহানের, উৎকণ্ঠিত তার পরিবার।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে রহস্যজনকভাবে এক নিখোঁজ ঘটনায় দীর্ঘ দশ বছর ধরে অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছে একটি পরিবার। নিখোঁজ ব্যক্তি শাহজাহান সিরাজ বাহার। সে চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার ৬ নম্বর ইছাখালী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চুনু মিঝির টেক গ্রামের বাসিন্দা। তিনি শাহ-আলম মাস্টার বাড়ির মরহুম শাহ আলম মাস্টারের বড় ছেলে।

পারিবারিক সূত্র জানায়, ২০১৫ সালের ২০ জুলাই শাহজাহান সিরাজ বাহার তার চাচাকে দেখতে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন। পরদিন ২১ জুলাই সকালে প্রায় ৮টার দিকে শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে তিনি মুঠোফোনে কথা বলেন তার মা জাহানারা বেগমের সঙ্গে। সেটিই ছিল পরিবারের সঙ্গে তার শেষ যোগাযোগ। এরপর থেকে তার সঙ্গে পরিবারের সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

প্রথম ছয় মাস আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুদের মাধ্যমে খোঁজাখুঁজি চালানো হলেও কোনো সন্ধান মেলেনি। পরবর্তীতে ২০১৫ সালের ৬ ডিসেম্বর মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়রি (নং-২২৩) করা হয়। জানা গেছে, নিখোঁজ শাহজাহান সিরাজের পরিবারে রয়েছেন তার বৃদ্ধা মা, স্ত্রী ও দুই সন্তান। ছেলের ফেরার অপেক্ষায় দিন গুনছেন অসহায় মা। অন্যদিকে এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে স্বামীর সন্ধানে এখনো দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন তার স্ত্রী হ্যাপি। স্থানীয়রা জানান, শাহজাহান সিরাজ রাজনৈতিকভাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে রাজনীতির কোনো অপব্যবহারের সঙ্গে তিনি জড়িত ছিলেন না।

বরং সামাজিক কর্মকান্ডে তার সক্রিয় ভূমিকা ছিল বলে জানান ইউনিয়ন বিএনপির নেতা শেখ ফরিদ গাজী।
দীর্ঘ এক দশক পার হলেও এখনো কোনো খোঁজ না মেলায় উৎকণ্ঠা ও হতাশায় ভুগছে পরিবারটি। নিখোঁজ শাহজাহান সিরাজ বাহারের সন্ধান পেলে নিকটস্থ থানা অথবা পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন স্বজনরা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দুপক্ষের মধ্যে সংঘাতের আশংকা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মিরসরাইয়ে পাশ্ববর্তি জমি দখল করে ভবন নির্মান ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মিরসরাইয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পাশ্ববর্তি জমির একাংশ দখল করে ভবন নির্মানের অভিযোগ গনমাধ্যমকর্মীদের জানান জনৈক ভুক্তভোগী । পৌরসভার এস রহমান স্কুল রোডে এ নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে সংঘাতের আশংকা ও উত্তেজনা পরিলক্ষিত হয়। ভুক্তভোগী নিজাম উদ্দিন ( ৫২) গনমাধ্যমকর্মীদের জানান তাঁর বিএস ২৪১৭ নং খতিয়ান হতে ৫ শতাংশ জমি তিনি মাহবুবুল আলম ( ৪০) এর কাছে বিক্রি করেছিলেন। কয়েক মাস পূর্বে তিনি হজ্বে থাকাকালীন সময় উক্ত ব্যক্তি মাপজোকের সীমানা পিলার ফেলে দিয়ে

আমার অবশিষ্ট জায়গার বৃহৎ অংশ দখল করে ফাউন্ডেশান দিয়ে ঘর নির্মান শুরু করে। আমি এসে বিষয়টি দেখতে পেয়ে মাপজোক করে সমাধানের প্রস্তাব দিলে তিনি মাফ জোক করে আমার জমির মূল্য পরিশোধ না করে আবারো জোরপূর্বক ২য়তলার ও ছাদ দিয়ে ফেলে। অবশেষে আমি চট্টগ্রাম জর্জকোর্টের অতিরিক্ত ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে এই বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থার আবেদন করিলে আদালত মিরসরাই থানার মাধ্যমে গত ৬ জানুয়ারী থেকে উক্ত স্থানে ১৪৫ধারা জারি করে স্থিতিঅবস্থার নির্দেশ দেয় । কিন্তু এরপরও উক্ত ব্যক্তি আরো দ্রুত নির্মান কাজ অব্যাহত রাখে।

গত শুক্রবার (১৬ জানুয়ারী ) রাতে এবার তড়িঘড়ি করে ৩ তলার ছাদ দিয়ে ফেলে। এই বিষয়ে অভিযুক্ত আলাউদ্দিন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন স্বীকার করছি আমার অনুপস্থিতিতে কিছু জায়গা এদিকে বেশী চলে এসেছে। আমি সকলের বিচারে এখন মূল্য দিয়ে দিতে চাই। তবে ভুক্তভোগি নিজাম উদ্দিন জানান তিনি দাম দিবেন বলে ও দিচ্ছেননা বৈঠকেও বসছেন না জোরপূর্বক দখল করতে চাইছেন আমার জমি।
এদিকে এই বিষয়ে আশেপাশের কয়েকজন প্রত্যক্ষর্শী জানান উক্ত জমি ও নির্মান কাজ নিয়ে প্রায়ই ঝগড়া বিবাদ পরিলক্ষিত হচ্ছে যা থেকে বড় ধরনের সংঘাতের আশংকা রয়েছে।

এই বিষয়ে উক্ত উক্ত অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা মিরসরাই থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত এসআই শাহিন আহমেদ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমরা উভয় পক্ষকে শান্ত থেকে সমাধান করার জন্য এবং সমাধান পর্যন্ত চলমান কাজ না করার নির্দেশনা দিয়েছি। আবার আদালতের নির্দেশনায় স্থিতি ও শান্তি শৃংখলা রক্ষার চেষ্টা করছি।

পাবনার ফরিদপুরে হাত-পা বাঁধা স্কুলছাত্রীর লা’শ উদ্ধার; নিখোঁজের পাঁচ দিন পর।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

‎পাবনার ফরিদপুর উপজেলায় নিখোঁজের পাঁচ দিন পর হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় এক স্কুলছাত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি এলাকাজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

‎নিহত শিক্ষার্থীর নাম মোছা. সুরাইয়া খাতুন (১৩)। সে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী এবং ফরিদপুর উপজেলার বি.এল. বাড়ি ইউনিয়নের জন্তিহার গ্রামের মো. স্বপন খানের মেয়ে।

‎পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) বিকেলে সুরাইয়া নিজ বাড়ির সামনে থেকে নিখোঁজ হয়। সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান না পাওয়ায় ১৬ জানুয়ারি (শুক্রবার) তার দাদা মো. আব্দুল জব্বার খান ফরিদপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

‎জিডি করার দুই দিন পর, ১৮ জানুয়ারি (রবিবার) সকালে জন্তিহার ও পার্শ্ববর্তী বিলনলুয়া গ্রাম সংলগ্ন একটি বিল থেকে সুরাইয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় কৃষকেরা জমিতে কাজ করতে গিয়ে পানিতে অর্ধনিমজ্জিত অবস্থায় হাত-পা ও মুখ বাঁধা লাশটি দেখতে পেয়ে গ্রামবাসীকে খবর দেন। পরে স্বজনেরা ঘটনাস্থলে এসে লাশটি সনাক্ত করেন। পরবর্তীতে থানা পুলিশ এসে লাশটি উদ্ধার করে।‎পরিবার সূত্রে জানা যায় মেয়েটি মানসিকভাবে কিছুটা অসুস্থ ছিল।

‎এ ঘটনায় পরিবারে শোকের মাতম চলছে। এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

‎এ বিষয়ে ফরিদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শামীম আকনজি বলেন, “লাশটি হাত পা বাধা অবস্থায় উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।”

‎এর আগে নিখোঁজের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফরিদপুর থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত তদন্তকারী কর্মকর্তা সাব-ইন্সপেক্টর নূর মোহাম্মদ সরকার জানিয়েছিলেন, “জিডিভুক্ত করে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।নাবালিকা শিক্ষার্থীর এমন মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডে গোটা এলাকায় শোক ও ক্ষোভের ছায়া নেমে এসেছে।

আলোচিত খবর

নতুন রাজনৈতিক মুভমেন্ট এনপিএ’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গণতন্ত্র, সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং প্রাণ, প্রকৃতি ও পরিবেশ সুরক্ষা এই পাঁচ মূলনীতি নিয়ে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন-এনপিএ’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে।আজ ১৬ জানুয়ারি শুক্রবার বিকেল চারটায় রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্ল্যাটফর্মটির ১০১ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কাউন্সিল ঘোষণা করা হয়।

কাউন্সিলের মুখপাত্র হয়েছেন ফেরদৌস আরা রুমী, নাজিফা জান্নাত ও তুহিন খান। তারা একেকজন একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য পালাক্রমে এই দায়িত্ব পালন করবেন।কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- অনার্য মুর্শিদ, অনিক রায়, অনিকেত চার্বাক, অনিন্দ্য পন্ডিত, অনিরুদ্ধ রতন দাস, অনুপম সৈকত শান্ত, অপু সাহা, অমর্ত্য রায়, অলিউর সান, অলিক মৃ, আফজাল হোসেন, আতিকুর রহমান আতিক, আদ্রিতা কবির, আলমগীর কবির মিথুন, আসাদ রেহমান, আশিকুর রহমান অনিক, আহমেদ আন-নাবা, ইমতিয়াজ নাদভী, ইরফান আহমেদ, ইলোরা সুলতানা, ঋভু রহমান, কাওসার শাকিল, কাওসার হামিদ, কে এম সুফিয়ান, কৌশিক আহমেদ, খালিদ হাসান আলো, জাকারিয়া হোসেইন, জান্নাতুল মাওয়া আইনান, জাহিদ জামিল, জাহিদ হোসেন ইনকিয়াদ, টিপু গোস্বামী, তসলিম আহমেদ, তাসলিমা মিজি, তাহমীদুর আর চৌধুরী, তাহসিন আহমেদ অমি, নজরুল ইসলাম, নাজমুল আহমেদ, নাফিসা রায়হানা, নাশাদ ময়ুখ, নাসিরউদ্দিন টগর, নিসর্গ নিলয়, নীলা চাকমা, নূমান আহমাদ চৌধুরী, পারভেজ আলম, পুন্নি কবির, ফজলে রাব্বী খান তাজ, ফয়জুল্লাহ আনান, ফরহাদ নাইয়া, ফারিয়া জামান নিকি, ফেরদৌস আরা রুমী, বাকী বিল্লাহ, বিনয় আমিন, মঈনুল ইসলাম শুদ্ধ, মনোয়ার হোসেন নাইম, মাঈন আহমেদ, মাহবুবুর রহমান, মামুনুর রশিদ, মারুফ বিল্লাহ তন্ময়, মাসুদ রানা, মিম আরাফত মানব, মিতা নাহার, মীর মোকাররম শুভ, মীর হুযাইফা আল-মামদূহ, মুকুল ইসলাম, মুশফিকুর রহমান, মো. হাসিব, মোশফেক আরা শিমুল, মোহন বড়ুয়া, রঞ্জন কুমার দে, রহমত উল আলম, রাজীব চক্রবর্তী সুকান্ত, রাফসান আহমেদ, রাশেদুল কবীর রাফি, রাহাত মুস্তাফিজ, রাহুল দাস, রিয়াদুস সালেহীন জাওয়াদ, রেজওয়ান আমীন, রেজাউর রহমান রিন্টু, রৌদ্র তাপসী, শর্মী হোসেন, শামীম আরা নীপা, শেখ ফাতেমা খায়রুন, সমির সরকার, হাসান ইকবাল সজীব, সমির সরকার, সজীব তানভীর, সাখাওয়াত ফাহাদ, সাদ আহমেদ, সাদিক মোহাম্মদ আলম, সামি মোহাম্মদ, সালেহ রাব্বি, সেতু আরিফ, সৈয়দা নীলিমা দোলা, সোনিয়া আফরোজ যুথী, সৌরভ দেব, হাবিব ইমরান জনি, হাসান সালিহি এবং হাসান সোলাইমান।

নতুন মাত্রায় এফ্ল্যাটফর্মের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের মধ্যে রয়েছে: সর্বস্তরে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, সাম্য ও সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা, সংবিধান সংস্কার, মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণ, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহের সংস্কার এবং অর্থনৈতিক রূপান্তর।এসময় স্বাগত বক্তব্যে কাউন্সিলের সদস্য অনিক রায় বলেন- আমরা রাজনীতিকে কেবল ভাবাদর্শিক লড়াইয়ে পরিণত করতে চাই না। আবার ওয়েলফেয়ারের নামে পেট্র-ক্লায়েন্ট ভিত্তিক রাজনীতিও আমাদের লক্ষ্য নয়। আমরা চাই রাষ্ট্র ও নাগরিকের সম্পর্কের একটি মৌলিক রূপান্তর। আমরা চাই একটি মানবিক রাষ্ট্র, শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, ন্যায্য অর্থনীতি এবং সম্পদের সুষ্ঠু বণ্টন।তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি পুঁজির গণতান্ত্রিক বিকাশ, সামাজিক নিরাপত্তা এবং ন্যায়ভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাই পারে এই দেশকে সত্যিকারের গণতান্ত্রিক ও মানবিক রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করতে। এই কারণেই আমরা বলছি আমাদের পথ একটি সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট, সামাজিক গণতন্ত্রের আন্দোলন। এটি কেবল ক্ষমতার লড়াই নয় বরং সমাজকে সুসংহত ও গণতান্ত্রিক করে তোলা এবং মানুষের আত্মসামাজিক মুক্তি নিশ্চিত করার সংগ্রাম। যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ একটি ন্যায্য ও মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ