দশ বছরেও সন্ধান মেলেনি শাহজাহানের, উৎকণ্ঠিত তার পরিবার।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে রহস্যজনকভাবে এক নিখোঁজ ঘটনায় দীর্ঘ দশ বছর ধরে অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছে একটি পরিবার। নিখোঁজ ব্যক্তি শাহজাহান সিরাজ বাহার। সে চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার ৬ নম্বর ইছাখালী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চুনু মিঝির টেক গ্রামের বাসিন্দা। তিনি শাহ-আলম মাস্টার বাড়ির মরহুম শাহ আলম মাস্টারের বড় ছেলে।

পারিবারিক সূত্র জানায়, ২০১৫ সালের ২০ জুলাই শাহজাহান সিরাজ বাহার তার চাচাকে দেখতে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন। পরদিন ২১ জুলাই সকালে প্রায় ৮টার দিকে শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে তিনি মুঠোফোনে কথা বলেন তার মা জাহানারা বেগমের সঙ্গে। সেটিই ছিল পরিবারের সঙ্গে তার শেষ যোগাযোগ। এরপর থেকে তার সঙ্গে পরিবারের সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

প্রথম ছয় মাস আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুদের মাধ্যমে খোঁজাখুঁজি চালানো হলেও কোনো সন্ধান মেলেনি। পরবর্তীতে ২০১৫ সালের ৬ ডিসেম্বর মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়রি (নং-২২৩) করা হয়। জানা গেছে, নিখোঁজ শাহজাহান সিরাজের পরিবারে রয়েছেন তার বৃদ্ধা মা, স্ত্রী ও দুই সন্তান। ছেলের ফেরার অপেক্ষায় দিন গুনছেন অসহায় মা। অন্যদিকে এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে স্বামীর সন্ধানে এখনো দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন তার স্ত্রী হ্যাপি। স্থানীয়রা জানান, শাহজাহান সিরাজ রাজনৈতিকভাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে রাজনীতির কোনো অপব্যবহারের সঙ্গে তিনি জড়িত ছিলেন না।

বরং সামাজিক কর্মকান্ডে তার সক্রিয় ভূমিকা ছিল বলে জানান ইউনিয়ন বিএনপির নেতা শেখ ফরিদ গাজী।
দীর্ঘ এক দশক পার হলেও এখনো কোনো খোঁজ না মেলায় উৎকণ্ঠা ও হতাশায় ভুগছে পরিবারটি। নিখোঁজ শাহজাহান সিরাজ বাহারের সন্ধান পেলে নিকটস্থ থানা অথবা পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন স্বজনরা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পৃথক সড়ক দুর্ঘটনা চট্টগ্রাম মহানগরের ডবলমুরিং ও ইপিজেডে নারীসহ নিহত-৩

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নারীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। ডবলমুরিং ও ইপিজেড থানা এলাকায় গত বুধবার (৭ অক্টোবর) রাতে ডবলমুরিংয়ের ধনিয়ালাপাড়া এলাকায় এবং বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে সিইপিজেডের ৫ নম্বর সড়কে এসব দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে ইপিজেড থানাধীন সিইপিজেডের ৫ নম্বর সড়কে পিকআপভ্যানের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই শ্রমিক গুরুতর আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহতরা হলেন- তামান্না ও মো. খলিল। তামান্না শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি নগরের কলসির দীঘির পাড় এলাকার ওয়াসিম চৌধুরী পাড়ায় থাকতেন। তার স্থায়ী ঠিকানা বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে। নিহত মো. খলিলও শ্রমিক ছিলেন। তিনি ইপিজেডের ফ্রি পোর্ট, নিউমুরিং এলাকায় থাকতেন। তার বাবা মৃত গোলাম মোস্তফা ও মা নুর জাহান বেগম। ইপিজেডের দুর্ঘটনায় আহতদের উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নিয়ে আসেন ‘স্মার্ট জ্যাকেট’র সুপারভাইজার ছোটন।

চমেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক বলেন, গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে, গত বুধবার রাত ১১টা ৩৩ মিনিটের দিকে ডবলমুরিং থানাধীন ডিটি রোডের ধনিয়ালাপাড়া রাস্তার মাথায় একটি ট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেল আরোহী মাছুম গুরুতর আহত হন। পরে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত মাছুম ডবলমুরিংয়ের ধনিয়ালাপাড়ার মগবুল মঞ্জিল এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম মৃত রমজান আলী। বর্তমানে তার মরদেহ চমেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

নোয়াখালীতে এসিড পান করে যুবকের মৃত্যু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নোয়াখালীর সেনবাগে দুরারোগ্য রোগের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে রাসায়নিক পদার্থ (এসিড) পান করে দোলন কুমার বণিক (৩০) নামে এক শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের উত্তর মোহাম্মদপুর গ্রামের বণিক বাড়ির পাশের একটি বাগানে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত দোলন কুমার বণিক ওই গ্রামের মানিক লাল বণিকের ছেলে। তিনি শারীরিক প্রতিবন্ধী ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দোলন দীর্ঘদিন ধরে দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত ছিলেন। ভারতসহ বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা করিয়েও কোনো প্রতিকার পাননি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরে বাড়ির পাশের বাগানে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে, রোগের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে সবার অগোচরে তিনি সেখানে রাসায়নিক পদার্থ পান করেন। এতে তার পরনের কাপড়ও পুড়ে যায়।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হযরত আলী মিলন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে।

 

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ