পাহাড়তলী চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র জন্ম থেকে ১৫ মাস বয়স পর্যন্ত শিশুদের (ইপিআই টিকা প্রাপ্তকারী) টিকাদানকারীর মাধ্যমে চোখ পরীক্ষা করে চোখের চিকিৎসা চলতি মাসেই শুরু হচ্ছে। এ উপলক্ষে সবল প্রকার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।
জন্ম থেকে ১৫ মাস বয়স পর্যন্ত শিশুদের (ইপিআই টিকা প্রাপ্তকারী) টিকাদানকারীর মাধ্যমে চোখ পরীক্ষা করে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে জার্মান এনজিও কাকস্-এর অর্থায়নে প্রকল্পটি কাজ শুরু হয়েছে। ৮৪ লাখ টাকার দুই বছর মেয়াদি প্রকল্পটি মাঠ পর্যায়ে পরিচালনা করছে চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল এবং সমন্বয়ক হিসেবে তদারকি করছেন রোটারি ক্লাব অব চিটাগং খুলশী সেন্ট্রাল।
প্রকল্পের আওতায় জন্ম থেকে ১৫ মাস বয়সী শিশুদের চোখের অস্বাভাবিক লক্ষণগুলো শনাক্ত, ছানি, ক্যান্সার, টেরা চোখ, গ্লুকোমা ইত্যাদি নির্ণয় করে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হবে। চট্টগ্রাম, ফেনী, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার, বান্দরবান— এই ৬টি জেলায় প্রশ্নটির কার্যক্রম চলবে।
এর আগে শিশুর অন্ধত্ব প্রতিরোধে চোখের দৃশ্যমান ত্রুটি নির্ণয়ে পাহাড়তলী চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সঙ্গে জার্মান এনজিও সংস্থা ‘কাকস্’ ও রোটারি ক্লাব অব চিটাগং খুলশী সেন্ট্রালের নতুন প্রকল্পের প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে। ওই কর্মসূচিতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন হাসপাতালের একাডেমিক কোঅর্ডিনেটর অধ্যাপক ডা. মো. মনিরুজ্জামান ওসমানী। প্রশিক্ষণ প্রদান করেন চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতালের কনসালট্যান্ট ডা. সোমা রানী রায়।
দৃশ্যমান চোখের ত্রুটি নির্ণয়ের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন চিফ কনসালট্যান্ট ডা. নাসিমুল গনি চৌধুরী ও শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. অনন্যা সিনহা। এতে প্রশিক্ষণ নেন প্রকল্প সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের ১৬ জন জুনিয়র চক্ষু বিশেষজ্ঞ। বক্তব্য রাখেন- রোটারি ক্লাব অব চিটাগং খুলশী সেন্ট্রালের প্রেসিডেন্ট এরশাদুল মোস্তফা, প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, রোটারিয়ান নজরুল ইসলাম নান্টু, চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতালের ডা. সুজিত কুমার বিশ্বাস, ডা. তাহমিনা, ডা. জেসমিন আক্তার,
ডা. ইফতেখার শামীম।