বাংলাদেশ রেলওয়ের ৪৫তম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা–২০২৬ জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত।

ক্রীড়া প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


বাংলাদেশ রেলওয়ের ক্রীড়া নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের আয়োজনে জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ের ৪৫তম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা–২০২৬। দুই দিনব্যাপী এই ক্রীড়া আয়োজন রেলওয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ভ্রাতৃত্ববোধ সৃষ্টি করে।

রঙিন ব্যানার, অলিম্পিক রিংয়ের প্রতীক ও দৌড়বিদদের প্রাণবন্ত চিত্রে সজ্জিত মূল মঞ্চে বেলুন ও এক ঝাঁক পায়রা উড়িয়ে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে খেলাধুলার চেতনা, শৃঙ্খলা ও সৌহার্দ্যের বার্তা স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে। প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভিন্ন জোন ও বিভাগের খেলোয়াড়রা অংশগ্রহণ করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহাব্যবস্থাপক (পূর্ব) এবং বাংলাদেশ রেলওয়ে ক্রীড়া নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের সভাপতি জনাব মোঃ সুবক্তগীণ।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক জনাব মোঃ আফজাল হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন—
অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) মোঃ নাজমুল ইসলাম,অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো) জনাব আল ফাত্তাহ মাসুদুর রহমান,অতিরিক্ত মহাপরিচালক (উন্নয়ন)।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মহাব্যবস্থাপক (পশ্চিম) জনাব মোঃ ফরিদ উদ্দিন, রেলওয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কর্মচারী ও বিপুল সংখ্যক ক্রীড়াপ্রেমী দর্শক।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মহাপরিচালক জনাব মোঃ আফজাল হোসেন বলেন,“ক্রীড়া চর্চা শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানসিক দৃঢ়তা ও পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ গড়ে তোলে। কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা, শৃঙ্খলা ও পেশাগত উৎকর্ষতা বৃদ্ধিতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই।”

অন্যান্য বক্তারাও বলেন, নিয়মিত ক্রীড়া আয়োজন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ঐক্য, শৃঙ্খলা ও কর্মস্পৃহা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং সুস্থ কর্মপরিবেশ গড়ে তুলতে সহায়ক।

বিভিন্ন ইভেন্টে অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে প্রতিযোগিতার সফল সমাপ্তি ঘটে। খেলোয়াড় ও দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো আয়োজনটি এক আনন্দঘন মিলনমেলায় পরিণত হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম প্রেস ও র‌্যাব-৭ এর প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ও র‌্যাব-৭ এর মধ্যে এক উৎসবমুখর প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের লড়াইয়ে ৩-১ গোলের ব্যবধানে প্রেস ক্লাব টিমকে হারিয়ে জয় তুলে নেয় র‌্যাব-৭ টিম। গতকাল শনিবার (১ আগস্ট) বিকালে চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গা এলাকায় র‌্যাব-৭ এর সদর দপ্তরের সংরক্ষিত নিজস্ব একটি খেলার মাঠে জমকালো এ প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।

প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, র‍্যাব-৭ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান। ম্যাচ উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. শাহনওয়াজ। এসময় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, ক্রীড়া সম্পাদক রুবেল খান, ক্রীড়া উপ-কমিটির আহবায়ক সাইফুল্লাহ চৌধুরী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ, ক্রীড়া উপ-কমিটির সদস্য মনিরুল ইসলাম পারভেজ, ফারুক মুনির সহ র‌্যাব-৭ এর উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ম্যাচ শুরুর প্রথমার্ধে র‌্যাব-৭ টিমের খেলোয়াড়ের চোখধাঁধানো জোরালো শটে বল জড়ান জালের ওপরের কোণে। র‌্যাব-৭ টিম এগিয়ে যায় ১-০ গোলের ব্যবধানে। এক গোলে পিছিয়ে পড়ে ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে গোল শোধে মরিয়া হয়ে লড়ে প্রেস ক্লাব টিম। এমন সময় প্রেস ক্লাব টিমের খেলোয়াড়ের চমৎকার শটে ১-১ গোলে সমতায় ফেরান। শেষ মুহূর্তে টানটান উত্তেজনা চলছে। খেলায় জয় পেতে দুই দলই মরিয়া হয়ে উঠে। ঠিক সেই সময় দুর্দান্ত গতিতে আরও দুটি গোল করে ৩-১ গোলের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে র‌্যাব-৭ টিম। এরপর রেফারির শেষ বাঁশির সাথে সাথেই জয়ের উল্লাসে মেতে উঠে র‌্যাব-৭ শিবির।

প্রীতি ম্যাচে র‌্যাব-৭ টিমের পক্ষে অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান দুটি গোল এবং অপস অফিসার এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন একটি গোল করেন। আর প্রেস ক্লাব টিমের পক্ষে একটি করে ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ।

ম্যাচ শেষে র‍্যাব-৭ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হাফিজুর রহমানের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দ। প্রীতি ম্যাচটি অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন হয়। এসময় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সদস্যবৃন্দ এবং র‌্যাব-৭ এর বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা এই জমজমাট ম্যাচটি উপভোগ করেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধরে রাখতে শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের সর্বোচ্চ সম্মান নিশ্চিত করতে হবে: মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং আন্দোলনে অংশ নেওয়া সাহসী মানুষদের যথাযথ মর্যাদা ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান কোনো একক দল বা গোষ্ঠীর আন্দোলন ছিল না। ছাত্র, শ্রমিক, কৃষক, নারী, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণে স্বৈরাচারী আওয়ামী সরকারের বিরুদ্ধে এই ঐতিহাসিক আন্দোলন গড়ে উঠেছিল। তাই এই আন্দোলনের ইতিহাস সংরক্ষণ এবং শহীদ ও আহতদের সম্মান রক্ষা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

রবিবার (২ আগস্ট) দুপুরে নগরীর কাজীর দেউরী সেনা কল্যাণ কনভেনশন সেন্টারে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’ আয়োজিত শহীদ পরিবারের সদস্যদের সম্মাননা স্মারক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর। সঞ্চালনা করেন ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’ এর যুগ্ম সম্পাদক আহমদ আব্দুল্লাহ আল সাহেদ।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, আন্দোলনের সময় রাজনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবে ছাত্রদের সামনের সারিতে রেখে আমরা পেছন থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছি। শেখ হাসিনা যাতে আন্দোলনকে কোনো রাজনৈতিক দলের নামে আখ্যায়িত করতে না পারে, সে কারণেই এই কৌশল গ্রহণ করা হয়েছিল। তবে আন্দোলনের প্রতিটি পর্যায়ে আমরা রাজপথে ছিলাম এবং আহতদের পাশে দাঁড়িয়েছি।তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গুলিবিদ্ধদের দেখতে এবং শহীদদের মরদেহের খোঁজ নিতে আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গিয়েছি। সেই সময় চিকিৎসকরাও অসাধারণ সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। তাদের অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

মেয়র বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার, আহত, পঙ্গু ও দৃষ্টিশক্তি হারানো যোদ্ধাদের প্রতি রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা রয়েছে। তাদের সম্মান, পুনর্বাসন ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে হবে। আমরা চাই, তারা মহান মুক্তিযুদ্ধের বীরদের মতোই জাতির সম্মানিত আসনে অধিষ্ঠিত থাকুক।তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল করি বলে সব কৃতিত্ব আমাদের, এমন দাবি করি না। জুলাই আন্দোলন ছিল সর্বস্তরের মানুষের ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম। এই ঐক্যের শক্তিই স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছে। এখন প্রয়োজন নতুন বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করা।

নতুন প্রজন্মের প্রত্যাশার কথা তুলে ধরে মেয়র বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং অবাধ ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে হবে। মিথ্যা ও অপপ্রচারের রাজনীতি নয়, বাস্তবভিত্তিক উন্নয়নই এখন সময়ের দাবি।চট্টগ্রাম নগরের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পরিচ্ছন্ন, সবুজ, স্বাস্থ্যকর ও জলাবদ্ধতামুক্ত নগর গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমরা নিরলসভাবে কাজ করছি। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে নগরবাসীর আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন।

সভাপতির বক্তব্যে আবুল হাশেম বক্কর বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান একদিনে সৃষ্টি হয়নি। দীর্ঘ ১৬-১৭ বছরের গণতান্ত্রিক আন্দোলন, ত্যাগ, নির্যাতন ও আত্মদানের ধারাবাহিকতার মধ্য দিয়ে এই গণঅভ্যুত্থানের জন্ম হয়েছে।তিনি বলেন, জুলাইয়ের শহীদ, আহত যোদ্ধা এবং আন্দোলনের সাহসী অংশগ্রহণকারীদের স্মৃতি অম্লান রাখতেই এ আয়োজন। তাদের আত্মত্যাগের কারণেই বাংলাদেশের ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে।

আবুল হাশেম বক্কর বলেন, স্বৈরাচারী শাসনামলে বিএনপির নেতাকর্মীরা অসংখ্য মামলা, গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। কিন্তু তারা রাজপথ ছেড়ে যাননি। সেই দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের ধারাবাহিকতাই শেষ পর্যন্ত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে চূড়ান্ত রূপ লাভ করে।অনুষ্ঠানে ১২ জন শহিদ পরিবার এবং ১১০ জন আহত জুলাই যোদ্ধাকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন শহিদ ফয়সাল শান্তের বাবা, আমরা জুলাই যোদ্ধা চট্টগ্রামের সভাপতি ওমর ফারুক, সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম আবির, স্মৃতিচারণ করেন আহত জুলাই যোদ্ধা গাজী রাসেল, ওসমান কাশেমী, মো. লিটন, সোলাইমান স্বপন। আয়োজক কমিটিতে দায়িত্ব পালন করেন শহিদুল ইসলাম সজীব।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ