চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফে গাউসুল আজম হযরত মাওলানা শাহসূফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারীর (ক.) এর ১২০তম উরস শরীফ উপলক্ষে বিশেষ মোনাজাতে ধর্মসাম্য, ধনসাম্য ও বিচারসাম্যের দর্শন তুলে ধরেন মাইজভাণ্ডার শরীফ গাউসিয়া হক মঞ্জিলের সাজ্জাদানশীন রাহবারে আলম হযরত সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী (ম.)।
শনিবার বাদ ফজর অনুষ্ঠিত মোনাজাতে তিনি বলেন, হুজুর গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী (ক.) মানবমুক্তির লক্ষ্যে যে আধ্যাত্মিক দর্শন উপহার দিয়ে গেছেন, তা বিশ্বমানবতার জন্য পথনির্দেশক। তাঁর প্রবর্তিত মাইজভাণ্ডারী দর্শনে রয়েছে ইসলামের মৌলিক চেতনা- উসূলে সাবা, ধর্মীয় সহনশীলতা, সামাজিক ন্যায়বিচার ও সম্পদের ভারসাম্যপূর্ণ
বণ্টনের আহ্বান।উরস উপলক্ষে সকালেই শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারীর (ক.) রওজা শরীফ গোসল ও গিলাফ চড়ানোর মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।১০ মাঘের প্রধান দিবসকে কেন্দ্র করে দেশ-বিদেশ থেকে লাখো ভক্ত আশেক দরবারে সমবেত হন।
শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (ক.) ট্রাস্টের উদ্যোগে উরস উপলক্ষে ১০ দিনব্যাপী মানবসেবামূলক কর্মসূচি পালন করা হয়। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে মানবকল্যাণ ও শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
মোনাজাতে সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী (ম.) বলেন, আল্লাহ ও রাসূল (সা.) এর সন্তুষ্টি অর্জনের আশায় ভক্ত আশেকরা দূর-দূরান্ত থেকে দরবারে সমবেত হয়েছেন।তিনি মাইজভাণ্ডারী শিক্ষাকে সমাজের সর্বস্তরে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।
উরস উপলক্ষে গাউসিয়া হক মঞ্জিল, হক কমিটি ও আশেক ভক্তদের বিভিন্ন খেদমত কবুলের জন্য আল্লাহর দরবারে দোয়া করা হয়। পাশাপাশি দেশের শান্তি ও সমগ্র মানবজাতির কল্যাণ কামনা করা হয় বিশেষ মোনাজাতে।