চট্টগ্রাম বন্দরে এলেন নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের প্রতিনিধিদল।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত Brent T. Christensen এর নেতৃত্বে ৫ সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধিদল চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন করেছেন। প্রতিনিধিদল চট্টগ্রাম বন্দরে আগমনের পর চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান, ওএসপি, এনডিসি, এনসিসি, পিএসসি এর সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন। চেয়ারম্যান জুলাই গণঅভ্যুত্থান-২০২৪ পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উল্লেখযোগ্য অর্জন সমূহ প্রতিনিধিদলকে অবহিত করেন।

তিনি বিগত সময়ের নানা অনিয়ম, শ্রম অসন্তোষ, বিভিন্ন প্রেশার গ্রুপের আধিপত্য, অগ্নী দূর্ঘটনা ও ডিজিটাইজেশনে বাধাসহ অন্যান্য চ্যালেঞ্জ সমূহ মোকাবেলা করে বন্দরের নানা যুগোপযুগি সংস্কার করেছেন। ফলে সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রাম বন্দর হ্যান্ডলিং রেকর্ড, জাহাজের টার্ন এরাউন্ড টাইম হ্রাস, ডুয়েল টাইম হ্রাস, পোর্ট লিমিট বৃদ্ধি, সর্বাধিক মুনাফা অর্জন, পানগাঁও আইসিটি ও লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালে বিদেশী অপারেটর নিয়োগ, বে টার্মিনাল ও মাতারবাড়ি বন্দর উন্নয়ন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন, ডিজিটাইজেশন, ইউএস কোস্টগার্ড কর্তৃক আইএসপিএস এর জিরো অবজারভেশন প্রভৃতি বিষয়ে অভূতপূর্ব অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। তিনি প্রতিনিধিদলকে আরো জানান যে, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর ও বে টার্মিনাল চালু হলে বন্দরটি বিশ্বের অন্যান্য বন্দরের সাথে সরাসরি জাহাজ চলাচল ও প্রতিবেশী দেশের মালামাল পরিবহনের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার নৌ বাণিজ্যি হাবে পরিনত হবে যা দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে । এতে দেশে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে । চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে আমদানীকৃত রেফার কন্টেইনার সংরক্ষনে কোল্ড চেইন ইন্ডাস্ট্রি স্থাপনের ব্যাপারে মার্কিন সরকারের আগ্রহকে স্বাগত জানান। তাছাড়া বন্দরে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের ইতিবাচক ভূমিকা থাকার কারনে বন্দরে নির্বিঘ্নে অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে মর্মে মান্যবর রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন।

রাষ্ট্রদূত চট্টগ্রাম বন্দরের বর্তমান ও ভবিষ্যত কর্মকান্ডে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বন্দরকে আরো দক্ষ, অধুনিক ও বিশ্বমানের বন্দর হিসেবে গড়ে তুলতে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি বাংলাদেশে বন্দর কেন্দ্রিক বিদেশী বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য বিষয়ে সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাস্ট্র থেকে রপ্তানীকৃত পণ্য খালাস কাজে চট্টগ্রাম বন্দরের সহযোগিত কামনা করেন। সৌজন্য সাক্ষাতে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রতিনিধিদলেরে Micheal Pennell, Economic Unit Chief, Paul Frost, Commercial Counselor, Firoze Ahmed, Political Specialist, Asif Ahmed, Economic Specialist চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) মোঃ ওমর ফারুক ও সচিব মোহাম্মদ আজিজুল মওলাসহ অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আন্দোলনের মধ্যেই অবশেষে হচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি চুক্তি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরের সবচেয়ে লাভজনক গুরুত্বপূর্ণ নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) অবশেষে দুবাইভিত্তিক অপারেটর ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দিয়ে পরিচালনার চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করতে যাচ্ছে সরকার। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকাল তিনটায় ঢাকার ইনভেস্ট বাংলাদেশ অডিটরিয়ামে ডিপি ওয়ার্ল্ড ও ইনভেস্ট বাংলাদেশ এই চুক্তি স্বাক্ষর করবে। বন্দর শ্রমিকরা এর প্রতিবাদে আগে থেকেই ঘোষণা দিয়েছিল ‘চুক্তির সঙ্গে সঙ্গেই বন্দর অচল করে দেওয়া হবে’। একইসঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর অভিমুখে মশাল মিছিলের কর্মসূচি রেখেছে শ্রমিকরা।

সরকারি এই উদ্যোগের প্রতিক্রিয়া জানতে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সদস্য সচিব ইব্রাহিম খোকন ফোনে সাড়া দেননি। চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা কমিটির সদস্য সচিব ফজলুল কবির মিন্টুও ফোনে সাড়া দেননি। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে খুব সীমিত আয়োজন করেছে ইনভেস্ট বাংলাদেশ। যেখানে অতিথি থাকবেন একশজন। ৩০ অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে চট্টগ্রাম থেকে। বাকিরা ঢাকার। অনুষ্ঠানে দুপক্ষের প্রতিনিধিত্ব করবেন ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের চেয়ারম্যান এশা কাজিম।

শ্র্রমিকদের দাবি, চট্টগ্রাম বন্দর দেশের অর্থনীতির প্রধান প্রবেশদ্বার। আমদানি-রপ্তানির বড় অংশ এই বন্দরের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। ফলে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ এই অবকাঠামোর পরিচালনা বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে দেওয়ার আগে এর অর্থনৈতিক, কৌশলগত ও সার্বভৌমত্বের বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া জরুরি। পৃথিবীর কোথাও কোনো দেশের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রবন্দর শতভাগ বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়ার নজির নেই। চট্টগ্রাম বন্দরের কোনো বিকল্প এখনো তৈরি হয়নি। তাই এ নিয়ে অবিবেচনাপ্রসূত সিদ্ধান্ত দেশের জন্য বড় সংকট তৈরি করতে পারে। এরজন্য সরকারকে চরম মাশুল দিতে হবে।

চট্টগ্রামে বন্দরে ব্যবহৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ ঘোষণা দিয়ে আসছে রেসিং কার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

চট্টগ্রাম বন্দরে আবারও ব্যবহৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ ঘোষণা দিয়ে বিএমডব্লিউ রেসিং কারসহ বিভিন্ন ধরনের গাড়ি আমদানির আনা হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি) এমন তথ্য জানিয়েছে।

জানা যায়, চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ‘এম/এস আয়াজ অটো ইন্টারন্যাশনাল’ সংযুক্ত আরব আমিরাতের ‘আরব জাপান ইউজড কারস অ্যান্ড স্পেয়ার পার্টস কোম্পানি’ থেকে ‘ব্যবহৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ’ঘোষণা দিয়ে একটি চালান বন্দরে আনেন।

গতকাল কায়িক পরীক্ষায় দেখা যায়, ওই চালানে সিকেডি (খণ্ড ) অবস্থায় একটি বিএমডব্লিউ স্পোর্টস বা রেসিং কার, আরেকটি বিএমডব্লিউ ৭৪০আই মডেলের সামনের অর্ধাংশ এবং অর্ধেক কেটে আনা পাঁচটি ইসুজু ট্রাক রয়েছে। গাড়িটির মডেল এস ড্রাইভ ২৩আই, ইঞ্জিন সক্ষমতা প্রায় ২৫০০ সিসি।

কায়িক পরীক্ষায় প্রথমে সিকেডি অবস্থায় একটি বিএমডব্লিউ দুই আসনের স্পোর্টস বা রেসিং কার পাওয়া যায়। গাড়িটির মডেল এস ড্রাইভ ২৩আই, ইঞ্জিন সক্ষমতা প্রায় ২৫০০ সিসি। আরও পাওয়া যায় বিএমডব্লিউ ৭৪০আই এর সামনের অর্ধাংশ। ২০১৬ মডেলের ওই গাড়ির ইঞ্জিনের ক্ষমতা প্রায় ৩০০০ সিসি।

কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কাস্টমস আইন ২০২৩ এবং বিদ্যমান আমদানি নীতি লঙ্ঘনের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি বিএমডব্লিউ গাড়িটির বাকি অংশের বিষয়েও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ