ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) মাদকের আড্ডাখানা ও বেশ্যাখানা ছিল। এমন মন্তব্য করেছেন বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মো. শামীম আহসান। এধরণের বক্তব্যের পর তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে দলটি। জেলা কর্মপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অভিযুক্ত নেতার দলীয় সদস্য (রোকন) পদ স্থগিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে জেলা সহকারী সেক্রেটারিসহ সংগঠনের সব ধরনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
তার বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, ওই মন্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন। বিষয়টি দলীয় নীতি ও আদর্শের পরিপন্থি হওয়ায় এবং এতে সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ায় সংশ্লিষ্ট নেতার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
জামায়াতে ইসলামীর বরগুনা জেলার আমির মাওলানা মহিবুল্লাহ হারুন সাংবাদিকদের বলেন- শামীম আহসান যে ভাষায় বক্তব্য দিয়েছেন, তা জামায়াতে ইসলামীর নীতি ও আদর্শের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।এদিকে জামায়াত নেতা শামীম আহসানের অশালীন মন্তব্যের প্রতিবাদে আজ বরগুনা সরকারি কলেজ ও পাথরঘাটায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।