আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

চট্টগ্রাম-১৫ আসনে জামায়াতের ঘাঁটিতে ‘পুরোনোর’ সাথে ‘নতুন’র লড়াই।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে চট্টগ্রাম-১৫ আসনটি জামায়াতে ইসলামীর ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। আসন্ন নির্বাচনে আসনটিতে জামায়াত-বিএনপি প্রার্থী বিরামহীন প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।এই আসনে জামায়াত এবার প্রার্থী করেছে দুইবারের সাবেক সংসদ সদস্য পোড়খাওয়া রাজনীতিক শাহজাহান চৌধুরীকে। অন্যদিকে বিএনপির প্রার্থী হয়েছেন প্রথমবারের মতো নির্বাচনি লড়াইয়ে আসা নাজমুল মোস্তফা আমিন।
ভোটের মাঠের ‘পুরনো খেলোয়াড়’ শাহাজাহান চৌধুরীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীক আর নবাগত নাজমুল মোস্তফা আমিনের ধানের শীষের প্রচার চলছে সমানতালে।

প্রথমবার খেলতে নেমে তরুণ নাজমুল বাজিমাত করবেন না-কি বয়সে প্রবীণ শাহজাহানের শিরোপা অক্ষুন্ন থাকবে- লড়াইয়ের চূড়ান্ত ফলাফল দেখার অপেক্ষায় আছেন সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার আপামর জনসাধারণ।
এদিকে প্রচারে সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার মানুষের কাছে সেই নির্যাতনের কাহিনি তুলে কাতর কণ্ঠে ভোট প্রার্থনা করছেন শাহজাহান চৌধুরী। বিভিন্ন গণসংযোগে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, আমি শাহজাহান চৌধুরী, আমি বড় মজলুম, নির্যাতিত। সময়ে সময়ে নয়টি বছর আমি কারাগারে কাটিয়েছি। আমি জেলে থাকা অবস্থায় আমার মা আমাকে ছেড়ে পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন। আমি বড় ছেলে হিসেবে নিজের মাকে কবরে দেওয়ার সুযোগ পাইনি। আমাদের নেতারা ফাঁসির কাষ্ঠে গিয়েছেন।

আল্লামা সাঈদীকে বিষ প্রয়োগ করে হত্যা করা হয়েছে। আমি রাজপথে রক্ত দিয়েছি। আমি আপনাদের দুয়ারে এসেছি। আপনারা আমাকে ফেরত দেবেন না। অতীতে যেভাবে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে আপনারা ভোট দিয়ে আমাকে জয়ী করেছিলেন, আমি আবারও আপনাদের কাছে একটি ভোট ভিক্ষা চাই। আগামীদিনে আমি নিরাপদ, শান্তির সাতকানিয়া-লোহাগাড়া গড়ে তুলব। ব্রিজ, কালভার্ট, রাস্তাঘাট- আপনাদের যা যা প্রয়োজন, আমি আপনাদের পাশে থাকব।

অন্যদিকে নাজমুল মোস্তফা আমিনও বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামের কথা তুলে ধরে ভোটারদের নিজের দিকে টানার চেষ্টা করছেন। পাশাপাশি সন্ত্রাসমুক্ত সাতকানিয়া-লোহাগাড়া গড়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। তবে ব্যক্তিগত আক্রমণ থেকে উভয় প্রার্থীই বিরত আছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগে গিয়ে নাজমুল মোস্তফা আমিন বলেন, ১৬ বছর আমি রাজপথে ছিলাম।

আওয়ামী লীগ আমার ওপর অনেক জুলুম করেছে। আমি ঘরে থাকতে পারিনি। রাজনীতিতে আমার ত্যাগের জন্য দেশনায়ক তারেক রহমান আমাকে এ আসনে প্রার্থী করেছেন। সাতকানিয়া ও লোহাগাড়াবাসীর কাছে আমার আকুল আবেদন, আপনারা গত ৩৬ বছরে এখানে বিভিন্ন প্রতীকের অনেক প্রার্থীকে দেখেছেন। এবার ধানের শীষে আপনাদের ভোট চাই। সাতকানিয়া-লোহাগাড়ায় আমি সন্ত্রাসের কবর রচনা করব। মানুষ শান্তিতে ঘুমাতে পারবে, কথা দিচ্ছি। উন্নত, সমৃদ্ধ, আধুনিক এলাকা গড়ার জন্য আপনারা ধানের শীষে ভোট দিন।

ভোটের মাঠের কী অবস্থা— জানতে চাইলে তিনি বলেন, ধানের শীষ জনগণের প্রতীক। ধানের শীষ মানেই জোয়ার, ধানের শীষ মানেই ঘূর্ণিঝড়। ইনশাল্লাহ, আমি সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার সর্বস্তরের জনগণের বিপুল সাড়া পাচ্ছি। ধানের শীষ বিপুল ভোটে জয়ী হবে বলে আমি আশাবাদী। তবে এখানে সন্ত্রাসীদের দাপট দেখতে পাচ্ছি। তারা কিছু একটা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। আমি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অনুরোধ করেছি, তারা যেন ভোটের দিনের আগেই অবৈধ অস্ত্র, লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার করে এবং সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে।

জানা গেছে, পুরো লোহাগাড়া উপজেলা ও সাতকানিয়া উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা নিয়ে গঠিত চট্টগ্রাম-১৫। এই আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৬ হাজার ৫৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৭০ হাজার ৯১৫ জন এবং নারী ভোটার ২ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৪ জন। নির্বাচনে প্রার্থী মাত্র তিনজন। জামায়াতে ইসলামীর শাহজাহান চৌধুরী ও বিএনপির নাজমুল মোস্তফা আমিনের সঙ্গে প্রার্থী হিসেবে আরও আছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শরীফুল আলম চৌধুরী।

তিনবার নির্বাচন করে দুইবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও গেল ২৫ বছরে চারটি সংসদ নির্বাচনে ভোটের মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছিল জামায়াতে ইসলামীর চট্টগ্রামের আলোচিত নেতা শাহজাহান চৌধুরীকে। ওয়ান-ইলেভেন পরবর্তী সময়ে জরুরি অবস্থায় এবং আওয়ামী লীগের টানা ১৬ বছরের অধিকাংশ সময়ই তাকে জেলখানায় কাটাতে হয়েছে। অর্ধশতাধিক মামলার আসামি হয়েছিলেন। কারাগারের বাইরে থাকলেও দিন কাটাতে হয়েছে লোকচক্ষুর অন্তরালে থেকে।

এছাড়া শাহজাহান চৌধুরী ১৯৯১ সালে তরুণ বয়সে প্রথমবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) হেভিওয়েট নেতা আক্তারুজ্জামান চৌধুরী বাবুকে হারিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৯৬ সালের সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হলেও বিএনপির প্রার্থী অলি আহমদের কাছে পরাজিত হন। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াতের নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট থেকে এ আসনে প্রার্থী করা হয়েছিল শাহজাহান চৌধুরীকে। কিন্তু অলি আহমদ ওই আসনে নির্বাচন করতে অনড় অবস্থান নেন। ফলে জোট থেকে আসনটি উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

অলি আহমদ ধানের শীষে এবং শাহজাহান চৌধুরী দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে প্রার্থী হন। নির্বাচনে তিনি অলি আহমদকে হারিয়ে জয় ছিনিয়ে আনেন।কিন্তু ২০০৭ সালে এক-এগারো প্রেক্ষাপট পরবর্তী জরুরি অবস্থায় শাহজাহান চৌধুরী গ্রেফতার হয়ে কারাগারে যান। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনে মামলা করা হয়। সেই মামলায় সাজা হলে ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত নবম সংসদ নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হতে পারেননি। পরে অবশ্য ওই মামলায় উচ্চ আদালত থেকে সাজা বাতিল হয়। ওই নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে আরেক জামায়াত নেতা আ ন ম শামসুল ইসলাম প্রার্থী হয়ে বিজয়ী হয়েছিলেন।

২০১৪ সালে ‘একতরফাভাবে’ অনুষ্ঠিত দশম সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী অংশ নেয়নি। ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী অংশ নিয়ে প্রার্থী করে আ ন ম শামসুল ইসলামকে। বিতর্কিত ওই নির্বাচনে তাকে পরাজিত ঘোষণা করা হয়। ২০২৪ সালের দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী অংশ নেয়নি। এর ফলে ২৫ বছর পর জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়ন নিয়ে আবারও ভোটের মাঠে এসেছেন শাহজাহান চৌধুরী।

অন্যদিকে নাজমুল মোস্তফা আমিন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। এর আগে তিনি দক্ষিণের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং লোহাগাড়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের টানা ১৬ বছরে দলের কঠিন দুঃসময়ে সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার তৃণমূলের নেতাকর্মীদের আশ্রয় দিয়ে ও মামলা মোকাবিলায় সহযোগিতা করে তিনি দলের ভেতর গ্রহণযোগ্যতা পান বলে বিএনপি নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।
নাজমুল মোস্তফা আমিন ছাড়া চট্টগ্রাম-১৫ আসনে আরও তিনজন বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন।

এরা হলেন- চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ মো. মহিউদ্দিন, বর্তমান যুগ্ম আহ্বায়ক জামাল হোসেন ও মুজিবুর রহমান। নাজমুলকে প্রার্থী করা হলে তিনজন ও তাদের অনুসারীরা বিদ্রোহ করেছিলেন। কিন্তু হাইকমান্ডের নির্দেশে পরবর্তী সময়ে তিনজনই নাজমুলের পক্ষে কাজ করতে সম্মত হন। বর্তমানে আসনটিতে ধানের শীষের জয়ের জন্য নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে নেমেছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ