আজঃ রবিবার ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রাম মহানগরের ১৬ থানায় ৬০৭টি ভোট কেন্দ্রর মধ্যে ৩০৮টি ঝুঁকিপূর্ণ।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

বন্দর থানা এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ নেই, আকবরশাহে সবগুলোই ঝুঁকিপূর্ণ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের ১৬টি থানায় ৬০৭টি ভোট কেন্দ্রর মধ্যে ৩০৮টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। এসব থানাগুলোর মধ্যে বন্দর থানা এলাকায় কোন ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র না থাকলেও আকবরশাহ থানার ২২টি কেন্দ্রের মধ্যে সবগুলোই ঝুঁকিপূর্ন বলে পুলিশ চিহ্নিত করেছে। নগরের এসব থানার মধ্যে চারটি সংসদীয় আসন ও হাটহাজারীর আংশিক এলাকা রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় নগর পুলিশ।এদিকে ঝুঁকি মোকাবেলায় এসব কেন্দ্রে বাড়তি নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ভোটের চারদিন আগে থেকে এবং ভোটের পরবর্তী দুই দিন মিলিয়ে মোট ছয়দিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ভোটকেন্দ্রে মোতায়েন থাকবে।

নগর পুলিশের তালিকা অনুযায়ী, সবেচেয়ে বেশি অধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র রয়েছে খুলশীতে। সেখানে ৪৬টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪৪টি অধিক গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বন্দর থানা এলাকায় অধিক গুরুত্বপূর্ণ কোনো কেন্দ্র নেই। আকবরশাহ থানার ২২টি কেন্দ্রের মধ্যে সবগুলোই অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, নগর পুলিশের করা তালিকা অনুযায়ী- নগরীর চারটি আসন ও হাটহাজারীর আংশিক নির্বাচনী এলাকার ১৬ থানায় ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ৬০৭টি। ভোটকেন্দ্রগুলোকে সাধারণ, গুরুত্বপূর্ণ ও অধিক গুরুত্বপূর্ণ- এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এরমধ্যে ৩০৮টি কেন্দ্রকে অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

এদিকে কোতোয়ালী থানার ৫২ কেন্দ্রের মধ্যে ৩৮টি ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে। এছাড়া সদরঘাট থানার ২৩ কেন্দ্রের মধ্যে ১৫, চকবাজারের ১৬ কেন্দ্রের মধ্যে ৪, বাকলিয়ার ৩৯ কেন্দ্রের মধ্যে ১৩, চান্দগাঁওয়ে ৫৬ কেন্দ্রের মধ্যে ২৭, পাঁচলাইশে ৩২ কেন্দ্রের মধ্যে ১৮, বায়েজিদে ৫৬ কেন্দ্রের মধ্যে ১৮, ডবলমুরিংয়ে ৪৮ কেন্দ্রের মধ্যে ১৮, হালিশহরে ৪২ কেন্দ্রের মধ্যে ৩২, পাহাড়তলীতে ২৮ কেন্দ্রের মধ্যে ১৯, ইপিজেডে ৩১ কেন্দ্রের মধ্যে ১৩, পতেঙ্গায় ২৫ কেন্দ্রের মধ্যে ৭ এবং কর্ণফুলী থানা এলাকায় ৪৭ কেন্দ্রের মধ্যে ১৯ কেন্দ্রকে অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

এর আগে গত ৬ জানুয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় থেকে মাঠ পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে পাঠানো পরিপত্রে বলা হয়েছে, অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে অস্ত্রসহ চারজন পুলিশ, একজন অস্ত্রধারী সেকশন কমান্ডারের নেতৃত্বে একজন সাধারণ আনসার, প্রতিটি ভোট কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসারের নিরাপত্তার জন্য একজন অস্ত্রসহ আনসার সদস্য, অস্ত্রসহ একজন সহকারী সেকশন কমান্ডার, লাঠিসহ চারজন মহিলা ও ছয়জন পুরুষ আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে।সাধারণ কেন্দ্রগুলোতে অস্ত্রসহ তিনজন পুলিশ সদস্য,

অস্ত্রসহ একজন সেকশন কমান্ডারসহ একজন আনসার সদস্য, প্রিজাইডিং অফিসারের নিরাপত্তার জন্য একজন অস্ত্রসহ আনসার সদস্য, সহকারী সেকশন কমান্ডারের নেতৃত্বে একজন আনসার সদস্য ও চারজন মহিলা এবং ছয়জন পুরুষসহ ১০ জন আনসার সদস্য কেন্দ্রের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে।এছাড়া নির্বাচনী এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড (উপকূলীয় এলাকায়), র‌্যাব, পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন ও আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্য নিয়োজিত থাকবে। পরিপত্রে বলা হয়েছে, পুলিশ কমিশনার গুরুত্ব বিবেচনায় রিটার্নিং অফিসারের সাথে পরামর্শক্রমে প্রয়োজন অনুসারে ভোটকেন্দ্রে পুলিশ এবং আনসার ও ভিডিপি সদস্য সংখ্যা কম বেশি করতে পারবেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কর্ণফুলী টানেলে সড়ক দুর্ঘটনায় আরও এক আনসার সদস্যের মৃত্যু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেল সড়কে সংঘটিত মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় আহত আনসার সদস্যদের মধ্যে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা দাঁড়াল দুইজনে। শুক্রবার রাত ২টা ৪০ মিনিটে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আনসার সদস্য সুলতান মিয়া মৃত্যুবরণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাহিনীর উপপরিচালক মো. আশিকউজ্জামান।এর আগে একই দুর্ঘটনায় আনসার সদস্য মো. আব্দুল জব্বার ঘটনাস্থলেই ইন্তেকাল করেন।

মো. আশিকউজ্জামান জানান, গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেল সড়কের চৌরাস্তামোড় এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। এতে মোট ২৩ জন অঙ্গীভূত আনসার সদস্য আহত হন।আহতদের মধ্যে ১৫ জনের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের ছাড়পত্র দিয়েছে।

বর্তমানে চিকিৎসাধীন সদস্যদের একজন আইসিইউতে চিকিৎসাধীন, একজন (গাড়িচালক) হাসপাতালের ওয়ার্ডে ভর্তি, তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামের সিএমএইচে রেফার্ড করা হয়েছে। এছাড়া একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আহতদের অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সর্বোচ্চ চিকিৎসা-সহায়তা নিশ্চিত করতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রামে জুতার কারখানায় আগুন, দগ্ধ ১

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরের মাদারবাড়ি এলাকায় একটি জুতার কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন দগ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স–এর আটটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

ফায়ার সার্ভিসের চট্টগ্রাম বিভাগের কন্ট্রোল রুম জানায়, বিকেল ৩টায় আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর দ্রুত ইউনিট পাঠানো হয়। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় বিকেল ৫টার পর আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে।অগ্নিকাণ্ডে একজন আহত হয়েছেন। তবে আগুন লাগার কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

আলোচিত খবর

নবনির্বাচিত সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ভারত, চীন, পাকিস্তানসহ ১৩ দেশকে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। নবনির্বাচিত সরকারের শপথ অনুষ্ঠানকে ঘিরে চীনের প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ভারত-পাকিস্তানসহ ১৩ দেশকে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে। আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নিতে যাচ্ছে নতুন সরকার।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ