আজঃ রবিবার ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

৬৯ পদাতিক ব্রিগেড সদর দপ্তরের আরএইচআইসি’র অভিযানে শটগানের কার্তুজ ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার।

বান্দরবান প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বান্দরবান ৬৯ পদাতিক ব্রিগেড সদর দপ্তরের আরএইচআইসি’তেমোতায়েন আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যদের সাহসিকতা ও বিচক্ষণতায় শটগানের কার্তুজ ও বিভিন্ন প্রকার দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানের সময় অস্ত্র বহনকারী সন্ত্রাসীরা একটি ব্যাগ ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ওই এলাকায় সন্দেহজনকভাবে তাদের আনাগোনা ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গত ২৬ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ৯টা ৫৫ মিনিটে বান্দরবান বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ট্যানেলের পশ্চিম পাশে দায়িত্ব পালনকালে বান্দরবান আনসার ব্যাটালিয়ন (১০ বিএন)-এর নায়েক মোঃ জাহিদুল ইসলাম এবং সিপাহি মকছুদুর রহমান দুইজন সন্দেহজনক ব্যক্তির গতিবিধি লক্ষ্য করেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে গাঁজা সেবনের গন্ধ পাওয়া যায় এবং কথাবার্তায় সন্দেহের সৃষ্টি হয়।


সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এগিয়ে গেলে তারা পূরবী পরিবহনের একটি বাসের পেছনে একটি পুরাতন শপিং ব্যাগ ফেলে রেখে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ফেলে যাওয়া ব্যাগটি তল্লাশি করে একটি পলিথিনে মোড়ানো ১০ রাউন্ড শটগানের কার্তুজ এবং ৫টি বিভিন্ন প্রকার দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আমূল পরিবর্তন চট্টগ্রাম বন্দরের ড্রেজিং কার্যক্রমে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (চবক) দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও দূরদর্শী পরিকল্পনায় ড্রেজিং কার্যক্রমে এক আমূল পরিবর্তন এসেছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট সকলের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও সরাসরি হাইড্রোগ্রাফী বিভাগের তত্ত্বাবধানে কর্ণফুলী নদীর মোহনা হতে বন্দর সীমানার অন্তর্গত প্রধান জেটি এবং কালুরঘাট পর্যন্ত নেভিগেশনাল চ্যানেলে ও বন্দর সীমার অন্যান্য চ্যানেলে নাব্যতা রক্ষায় এখন এক সাশ্রয়ী ও কার্যকর মডেল অনুসরণ করা হচ্ছে।


বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও চবক এর যৌথ হাইড্রোগ্রাফিক জরিপ কার্য পরিচালনা করতঃ সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। কর্তৃপক্ষের এই সমন্বিত উদ্যোগের ফলে ড্রেজিং খাতের ব্যয় অতীতের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে, যা সংস্থার আর্থিক সাশ্রয়ে এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের হাইড্রোগ্রাফী বিভাগের মাধ্যমে পরিচালিত এই ড্রেজিং কার্যক্রমে বর্তমানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে দক্ষ ঠিকাদার নিয়োগ নিশ্চিত করে ড্রেজিংয়ের কাজগুলোকে ছোট ছোট পরিকল্পিত অংশে ভাগ করে নির্দিষ্ট সময়সীমা ও কাজের পরিমাণ নির্ধারণ করে দেওয়ায় ঠিকাদাররা অনেক বেশি দায়বদ্ধতার সাথে কাজ সম্পন্ন করতে পারছে। বাস্তবসম্মত ব্যয় নির্ধারণ এবং আধুনিক মনিটরিং ব্যবস্থার ফলে অতীতে ড্রেজিং খাতে যে অতিরিক্ত ব্যয়ের প্রবণতা ছিল, তা কমানো সম্ভব হয়েছে।

মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত মনিটরিং ও কঠোর প্রশাসনিক তদারকি এই সাফল্যের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে। চবক-এর সরাসরি তত্ত্বাবধানে নিয়মিত তদারকির ফলে ড্রেজিংয়ের প্রকৃত পরিমাণ ও মান নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে, যা রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এই কৌশলী উদ্যোগের ফলে বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ নৌ-চ্যানেলগুলোতে প্রয়োজনীয় নাব্যতা সার্বক্ষণিক বজায় থাকছে, যার ফলে বড় আকৃতির বাণিজ্যিক জাহাজগুলো এখন অনেক বেশি নিরাপদে এবং নির্বিঘ্নে বন্দরে যাতায়াত করতে পারছে।

এর ফলে বন্দরের পণ্য খালাস ও হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক নৌ-রুটে চট্টগ্রাম বন্দরের বিশ্বস্থতা আরও সুদৃঢ় হয়েছে।ড্রেজিং খাতে সাশ্রয় হওয়া এই বিপুল অর্থ এখন বন্দরের অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন প্রকল্পে বিনিয়োগ করা সম্ভব হচ্ছে।

যথাযথ তদারকির ফলে ঠিকাদার-নির্ভর ড্রেজিং কার্যক্রমে এই ধরনের আর্থিক শৃঙ্খলা ও ব্যয়-সাশ্রয়ী ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি শুধুমাত্র বন্দরের অভ্যন্তরীণ ভিত্তিকেই শক্তিশালী করেনি, বরং জাতীয় অর্থনীতিতেও অত্যন্ত ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। স্বচ্ছতা ও টেকসই উন্নয়নের এই ধারা বজায় রেখে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের এই প্রধান প্রবেশদ্বারকে বিশ্বমানের আধুনিক বন্দরে রূপান্তর করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

ধর্মঘটে চট্টগ্রাম বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম অচল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপিপন্থী শ্রমিক সংগঠনের ডাকা আট ঘন্টার ধর্মঘটে চট্টগ্রাম বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম কার্যত অচল হয়ে পড়ে। চট্টগ্রাম বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল ও চট্টগ্রাম বন্দর জাতীয়তাবাদী সাবেক সিবিএ এ কর্মসূচির ডাক দেয়। ধর্মঘটের সমর্থনে শ্রমিক-কর্মচারিরা বন্দর এলাকায় মিছিল-সমাবেশ করে।

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) আরব-আমিরাতভিত্তিক ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধের দাবিতে শনিবার সকাল ৮টা থেকে এ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। ধর্মঘটে বন্দরের জেটিতে জাহাজ থেকে কনটেইনার ও পণ্য নামানো এবং জাহাজে ওঠানোর কার্যক্রম অনেকটাই বন্ধ ছিল। ধর্মঘট চলাকালে বন্দর থেকে খালাস হওয়া কনটেইনার ও পণ্য পরিবহন এবং জাহাজে তোলার জন্য কনটেইনার পরিবহন ব্যাহত হয়।


জানা গেছে, শনিবার সকালের সূচি অনুযায়ী কার্যক্রমে বন্দরের কর্মচারি ও বন্দরে নিয়োজিত বেসরকারি শ্রমিকেরা কেউ কাজে যোগ দেননি। এর ফলে বন্দরের তিনটি টার্মিনাল জিসিবি, সিসিটি ও এনসিটিতে অপারেশাল কার্যক্রম অনেকটাই বন্ধ ছিল। তিন টার্মিনালে জাহাজ থেকে কনটেইনার ওঠানো-নামানোর কার্যক্রমে প্রায় অচলাবস্থা তৈরি হয়। শুধু এনসিটিতে বেসরকারি ডিপো থেকে আনা রফতানি পণ্যবাহী কনটেইনার জাহাজে তোলার কার্যক্রম চলে। কনটেইনার টার্মিনালগুলোতে যন্ত্রপাতির অপারেটররাও কাজে যোগ দেননি বলে জানা গেছে।

চট্টগ্রাম বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম খোকন বলেন, এনসিটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা দেওয়ার প্রতিবাদে আমাদের ডাকা কর্মসূচিতে শ্রমিক-কর্মচারিরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে সাড়া দিয়েছেন। আশা করি, সরকার তাদের সিদ্ধান্ত বাতিল করে চুক্তির প্রক্রিয়া থেকে বিরত থাকবে। অন্যথায় আমরা আরও কঠোর কর্মসূচিতে যাব।

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দরে সব ধরনের প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। রোববার বিকেল ৫টায় আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
শ্রমিক-কর্মচারি ঐক্য পরিষদ (স্কপ) ধর্মঘটের প্রতি সর্বাত্মক সমর্থন ও পূর্ণ সহযোগিতা ঘোষণা করেছে। একইসাথে চট্টগ্রাম বন্দরের সকল শ্রমিক-কর্মচারিদের এ কর্মসূচিতে একাত্ম হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে স্কপ। এছাড়া স্কপের পক্ষ থেকে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম বন্দর ভবন অভিমুখে কালো পতাকা মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক সালিশি আদালত কানাডাভিত্তিক জ্বালানি প্রতিষ্ঠান নাইকোকে বাংলাদেশ সরকারকে ৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটস (আইসিডি/ICSID)-এর ট্রাইব্যুনাল এই রায় ঘোষণা করে। জ্বালানি মন্ত্রণালয় সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।


জ্বালানি সচিব বলেন, বাংলাদেশ এই মামলায় প্রায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছিল। প্রাপ্ত অর্থ সেই দাবির তুলনায় অনেক কম। রায়ের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে এবং পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে।প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের ১৬ অক্টোবর টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে খনন ও উন্নয়ন কাজের দায়িত্ব পায় কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান নাইকো।

পরবর্তীতে নাইকোর পরিচালনাধীন অবস্থায় টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে। ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি এবং একই বছরের ২৪ জুন গ্যাসক্ষেত্রে পরপর দুটি মারাত্মক বিস্ফোরণ হয়। এসব বিস্ফোরণের ফলে বিপুল পরিমাণ মজুদ গ্যাস পুড়ে যায় এবং আশপাশের অবকাঠামো, পরিবেশ ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়। টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র কার্যত অচল হয়ে পড়ে, যা দেশের জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ