জামালপুর সদর দোস্ত এইড বাংলাদেশ এর উদ্যোগে!
নিরাপদ খাদ্য ও পুষ্টি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জামালপুর সদর উপজেলায় ৫০০ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি ফুড প্যাকেট বিতরণ করেছে দোস্ত এইড বাংলাদেশ সোসাইটি।
দোস্ত এইড বাংলাদেশ সোসাইটির হেড অফিস প্রাঙ্গনে আয়োজিত ‘মাহে রমজান ফ্যামিলি ফুড প্যাকেট বিতরণ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামালপুর সদর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজনীন আখতার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দোস্ত এইড বাংলাদেশ সোসাইটির হেড অব একাউন্টস অ্যান্ড এডমিন কহিনুর আলম চৌধুরী। দোস্ত এইড বাংলাদেশ সোসাইটির প্রজেক্ট ম্যানেজার আবুল কায়েসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অপারেশন ম্যানেজার জহুরুল ইসলাম, একাউন্টস ডেপুটি ম্যানেজার মাজহারুল ইসলাম, এসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার আবুল কালাম আজাদ রাজন, এসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার শওকত মিয়া, জামালপুর মডেল প্রেস ক্লাবের সাধারন সম্পাদক! সাংবাদিক মাসুদুর রহমান সহ দোস্ত এইডের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং উপকারভোগীরা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজনীন আখতার বলেন,
“রমজান মাসে দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের জন্য সেহরি ও ইফতারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা একটি সময়োপযোগী এবং মানবিক উদ্যোগ। দোস্ত এইড বাংলাদেশ সোসাইটি দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ঠার সঙ্গে মানবকল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। এ ধরনের সংগঠিত উদ্যোগ শুধু তাৎক্ষণিক খাদ্য সহায়তাই নয়, বরং সামাজিক সংহতি ও মানবিক মূল্যবোধকে আরও শক্তিশালী করে। ভবিষ্যতেও দোস্ত এইডের এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আমি আশাবাদী।”
তিনি আরও বলেন, সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমেই দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন সম্ভব এবং দোস্ত এইডের মতো সংগঠন এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।
প্রতিটি ফ্যামিলি ফুড প্যাকেটে রয়েছে ২৫ কেজি চাল, ১০ কেজি আটা, ৫ লিটার সয়াবিন তেল, ২ কেজি মসুর ডাল, ২ কেজি খেজুর, ২ কেজি ছোলা, ২ কেজি চিনি, ২ কেজি লবণ এবং ১ কেজি মুড়ি। এছাড়াও প্রতিটি পরিবারের শিশুদের জন্য ললিপপ ও বিস্কুট সামগ্রী অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রায় ৫২ কেজি ওজনের এই ফ্যামিলি ফুড প্যাকেট একটি পরিবারের পুরো রমজান মাসজুড়ে সেহরি ও ইফতারের খাদ্যচাহিদা পূরণে পর্যাপ্ত ও কার্যকর সহায়তা প্রদান করবে।
উল্লেখ্য, প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর নেতৃত্বে দোস্ত এইড বাংলাদেশ সোসাইটি দীর্ঘদিন ধরে দেশব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তা, দুর্যোগকালীন ত্রাণ সহায়তা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পানি ও স্যানিটেশন, মসজিদ নির্মাণ এবং দারিদ্র্য বিমোচনে বহুমাত্রিক মানবিক ও উন্নয়নমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে আসছে।