তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানা‌লেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট।

ডেস্ক নিউজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানা‌লেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সাইবার নিরাপত্তাঝুঁকিতে শিক্ষার্থীরা : বেসরকারি ওয়েবসাইটে ফাঁস ব্যক্তিগত তথ্য

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে গত চার বছরে ১০ লাখের বেশি এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীর রোল, রেজিস্ট্রেশন নাম্বার, জিপিএ এবং জন্মতারিখসহ স্পর্শকাতর সব তথ্য এখন পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন ধরনের বেসরকারি ওয়েবসাইটে, যা সাইবার জগতে বিপুল শিক্ষার্থীকে ফেলেছে নিরাপত্তাঝুঁকিতে, একই সঙ্গে এর মাধ্যমে লঙ্ঘন হচ্ছে ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষার আইনেরও। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থীদের রোল, রেজিস্ট্রেশন নাম্বারসহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত তথ্য থাকার কথা অনুমোদিত তিনটি সরকারি ওয়েবসাইটের অনলাইন সার্ভারে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শিক্ষা বোর্ডের তথ্যভাণ্ডার বা ডেটাবেজ হ্যাকিং না হলে এসব সংবেদনশীল তথ্য বাইরে আসার সুযোগ নেই। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশ অপ্রাপ্তবয়স্ক। ফলে অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া তথ্যগুলো জনসমক্ষে উন্মুক্ত হয়ে পড়ায় তাদের মারাত্মক সাইবার ঝুঁকিতে ও সামাজিক প্রতারণার মুখে পড়ার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। যদিও নিরাপত্তাঝুঁকির বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছে শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ।

তবে তথ্য ফাঁসের বিষয়টি অস্বীকার করলেন চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী। তার দাবি, বোর্ড থেকে কোনো ব্যক্তিগত তথ্য উন্মুক্ত করা হয়নি বা কাউকে দায়িত্বও দেওয়া হয়নি। আমাদের মূল ডেটাবেজ হ্যাক হওয়ার সুযোগ নেই। ফলাফল প্রক্রিয়ার জন্য আমরা বুয়েট, চিটাগং ডকইয়ার্ড লিমিটেড ও টেলিটককে তথ্য দিয়ে থাকি, সেখান থেকে কিছু হয়ে থাকতে পারে। তবে এতে বড় কোনো ঝুঁকি সৃষ্টি হবে না বলেও তিনি মনে করেন।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩-২৬ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল ৭ লাখ ২২ হাজার ৩৯৯ জন।

আর ২০২৩-২৫ পর্যন্ত এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছেন ৩ লাখ ১০ হাজার ১৩৬ জন। সব মিলিয়ে দুই পাবলিক পরীক্ষায় ১০ লাখ ৩২ হাজার ৫৩৫ শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক তথ্য এভাবে ফাঁস হয়েছে। অনুসন্ধানে অন্তত তিনটি ওয়েবসাইট ঠিকানার সন্ধান মিলেছে। এর মধ্যে দুটির ডোমেইন ভারসেল ডট অ্যাপ এবং আরেকটি ডোমেইন গিটহাব ডট আইও। ওয়েবসাইটগুলোর মধ্যে একটিতে পরীক্ষার্থীদের রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম, পরীক্ষার বছর, ধরন, বিভাগ, মেরিট র‌্যাংক, মোট প্রাপ্ত নম্বর, জিপিএ, মা-বাবার নাম, জন্মতারিখ এবং বিষয়ভিত্তিক প্রাপ্ত নম্বরসহ ১৪ ধরনের তথ্য সরাসরি দেখা যাচ্ছে। ২০২৩, ২০২৪ ও ২০২৬ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সব তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

আরেকটিতে শিক্ষার্থীর নাম, প্রতিষ্ঠানের নাম, রোল, জিপিএসহ সাত ধরনের তথ্য যে কেউ দেখতে পাচ্ছেন। এখানে ২০২২ সালের এসএসসি, ২০২৩, ২০২৪ ও ২০২৫ সালের এসএসসি ও এইচএসসি এবং ২০২৬ সালের এসএসসির ফলাফলভিত্তিক আটটি তথ্য উন্মুক্ত। একইভাবে অন্তত আট ধরনের ব্যক্তিগত তথ্য উন্মুক্ত তৃতীয় ওয়েবসাইটটিতেও। এখানে ২০২৪ ও ২০২৫ সালের এইচএসসি এবং ২০২৫ ও ২০২৬ সালের এসএসসির ফলের সব তথ্য মিলছে।

এদিকে দৈবচয়ন ভিত্তিতে অন্তত ১০০ শিক্ষার্থীর রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর শিক্ষা বোর্ডের অফিসিয়াল ফলাফলের ওয়েবসাইটে দিয়ে যাচাই করা হয়েছে। তাতে দেখা যায়, সরকারি পোর্টালে সার্চ দিলে ফল, গ্রেডসহ ১১টি তথ্য মেলে। অথচ অননুমোদিত ওয়েবসাইটগুলোয় রোল-রেজিস্ট্রেশনের বিপরীতে জন্মতারিখসহ বাড়তি আরও তিনটি তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

জানা গেছে, ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা আইন-২০২৬ ও বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত ডেটা প্রাইভেসি নীতিমালা অনুযায়ী, নাম, জন্মতারিখ, মা-বাবার নাম এবং প্রাতিষ্ঠানিক রোল ও রেজিস্ট্রেশন ‘ব্যক্তিগতভাবে শনাক্তযোগ্য তথ্য’ (পিআইআই) হিসেবে বিবেচিত। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অনুমতি ছাড়া এসব তথ্য প্রকাশ বা প্রদর্শন করা সম্পূর্ণ বেআইনি।মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের অধিকাংশ শিক্ষার্থীর বয়স ১৮ বছরের নিচে, তাই আইনের বিধান অনুযায়ী তাদের তথ্য সংগ্রহ ও প্রকাশের আগে অভিভাবকের স্পষ্ট সম্মতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু এসব ওয়েবসাইটে কোনো ধরনের সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা বা সম্মতির প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি।

সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের কোনো অভ্যন্তরীণ ডেটাবেজ বা এপিআই (অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস) থেকে হয়তো এসব তথ্য হ্যাক করা হয়েছে। এভাবে নাম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও মা-বাবার নাম প্রকাশ্যে থাকলে তা দিয়ে হ্যাকার বা প্রতারক চক্র খুব সহজেই ভুয়া পরিচয় তৈরি (আইডেন্টিটি থ্যাফট) করতে পারে। একই সঙ্গে বিষয়ভিত্তিক নম্বর ও ফলের ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বা কোচিং সেন্টার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাদের ব্যক্তিগত নম্বরে যোগাযোগ করে বিরক্ত করার সুযোগ পায়, যা সাইবার বুলিংয়ের ঝুঁকিও বাড়ায়।
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মীর মু. সাক্বী কাওসার বললেন, যেসব তথ্য শিক্ষা বোর্ড প্রকাশ করেনি, সেগুলো থার্ডপার্টি

ওয়েবসাইটে পাওয়ার অর্থ হলো, তাদের ডেটাবেজ হ্যাক হয়েছে। কারণ কেউ স্ক্র্যাপ করলে তারা যা প্রকাশ করেছে, তা-ই শুধু পাওয়া যেত। বাড়তি তথ্য পাওয়া যেত না। এটি ভয়াবহ ঘটনা। ব্যক্তিগত তথ্য পাবলিক ডোমেইনে প্রকাশ হওয়ায় শিক্ষার্থীরা প্রতারিত হওয়াসহ নানা নিরাপত্তাঝুঁকিতে পড়েছে। শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার দায়িত্ব শিক্ষা বোর্ডের। এর দায় শিক্ষা বোর্ডকে নিতে হবে।শিক্ষা বোর্ড ও সরকারের সাইবার নিরাপত্তা-সংক্রান্ত বিভাগগুলোর দ্রুত এসব অননুমোদিত ওয়েবসাইট বন্ধ করা এবং শিক্ষা বোর্ডের তথ্যভাণ্ডারের নিরাপত্তাব্যবস্থা পুনর্মূল্যায়ন করা জরুরি বলে মনে করছেন তিনি।

ডিজিটাল অধিকার ও সাইবার নিরাপত্তাবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘ডিজিটালি রাইট’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিরাজ আহমেদ চৌধুরীও বিষয়টি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুতর এবং এটি বোর্ডের পুরো ডিজিটাল অবকাঠামোর নিরাপত্তাব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার আইন লঙ্ঘনের পাশাপাশি এসব তথ্য ব্যবহার করে প্রতারকরা শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের নানামুখী হয়রানি ও আর্থিক প্রতারণার মুখে ফেলতে পারেন। এজন্য শিক্ষা বোর্ডকে অবশ্যই জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।

সীতাকুণ্ডে শিপইয়ার্ডে জাহাজে হাউসকিপিংয়ের সময় বিষাক্ত গ্যাসে ৮ শ্রমিক নিহত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ফেরদৌস স্টিল শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ড নামে একটা জাহাজ ভাঙা কারখানায় বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে ৮ জন শ্রমিক মারা গেছেন। শুক্রবার (১৪ আগষ্ট) সকালে ইয়ার্ডে একটি জাহাজে হাউসকিপিংয়ের কাজ করার সময় এ দূর্ঘটনা ঘটে। আহত বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। জাহাজটিতে জোয়ারের পানি ঢুকে পড়ায় তল্লাশি চালাতে ভাটার জন্য অপেক্ষা করছে ফায়ার সার্ভিস। স্থানীয় লোকজনের শঙ্কা, ভেতরে আরও লাশ থাকতে পারে। নিহত ৮ শ্রমিকের মধ্যে ৫ জনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন- সানি জলদাস (২২), পলাশ জলদাস (২৭), হাবিবুর রহমান (৫০) এবং দুই ভাই মনসুর আলী (৪০) ও নাসির উদ্দিন (৩৮)। সীতাকুণ্ডের শিপইয়ার্ডগুলোয় পরিত্যক্ত জাহাজ ভেঙে-কেটে মূলত রড তৈরির লোহা সংগ্রহ করা হয়। সেখানে কাজটি অনিরাপদ পরিবেশে করা হয় বলে অভিযোগ বহুদিনের।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক ইশতিয়াক রহমান জানান, দুই দফায় ওই কারখানা থেকে সাতজনকে হাসপাতালে আনা হয়। তাঁদের মধ্যে ছয়জনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। অপর একজনকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। নিহতদের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। অন্যদিকে সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আলমগীর জানান, ঘটনাস্থলেও দুজনের মরদেহ রয়েছে।
কারখানার মালিকের প্রতিনিধি মো. মহিউদ্দিন বলেন, দুর্ঘটনার সময় তিনি কারখানার বাইরে ছিলেন। পরে কারখানা থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, জাহাজে কাজ করার সময় ছয় থেকে আটজন শ্রমিক বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

চট্টগ্রাম শিল্প পুলিশ সুপার (এসপি) মাহমুদা বেগম জানান, বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে নিহত ৮ জনের লাশ চমেক হাসপাতালে আছে। আহতদের মধ্যেও আশঙ্কাজনক আছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
ফায়ার সার্ভিসের উপ পরিচালক তৌহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে আমাদের নিকটতম কুমিরা ফায়ার স্টেশনে সংবাদ আসে ফেরদৌস শিপ রিসাইক্লিং ইয়ার্ডে দুর্ঘটনা ঘটছে। সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথে আমাদের কুমিরা ফায়ার স্টেশনের দুইটি ইউনিট, রেসকিউ ভ্যান, অ্যাম্বুল্যান্সসহ তারা এসেছে। তারা তিনটি লাশ এবং দুইজনকে প্রথমে উদ্ধার করে নিকটবর্তী বিএসবিএ হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। সবশেষে মুমূর্ষু অবস্থায় ফোরম্যানকে উদ্ধার করে আমাদের অ্যাম্বুল্যান্স দিয়ে হাসপাতালে পাঠিয়েছি। এখানে এসে জানলাম, আমরা আসার দু-আড়াই ঘণ্টা আগে দুর্ঘটনা ঘটেছে। কিছু লোককে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করেছেন। এখন সাগরে সম্পূর্ণ জোয়ার চলছে। আমরা অ্যাম্বুল্যান্সসহ অপেক্ষা করছি জোয়ারের পানি নেমে ভাটা আসলে সর্বশেষ তল্লাশি (সার্চ) করব।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমরা আসার পর গ্যাসের বা কেমিক্যালের দুর্গন্ধ ছিল। জোয়ারের পানি ঢোকার পর থেকে দুর্গন্ধ নেই। কার্বন মনোঅক্সাইড বা কার্বন থেকে উপজাত গ্যাস থেকে এ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এটি এলএনজিবাহী পুরাতন জাহাজ। ২০-২৫ বছরের পুরোনো জাহাজ স্ক্র্যাপ হিসেবে বিক্রি করা হয়। জাহাজে এলএনজির অনেক উপজাত থাকে। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে এ ধরনের জাহাজ কাটার আগে পরিষ্কার করতে হয়। আমাদের দেশে অনেক শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ড মালিক সাধারণত এটা করে না। দীর্ঘদিন এটা অব্যবহৃত পড়ে ছিল। কাটিংয়ের আগে রাসায়নিক ফ্রি করতে হয়। এখানে পাইপ কাটার জন্য যখন শ্রমিকেরা গেছেন সামনে যারা ছিল তারা মারা গেছেন, একটু দূরে যারা ছিলেন তারা আক্রান্ত হয়েছেন।

আলোচিত খবর

মির্জা ফখরুল পেলেন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মির্জা ফখরুল পেলেন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে রাষ্ট্রপতি পদের মনোনয়নপত্র নিচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ