প্রেস ক্লাব শৃংখলা বিরোধী কার্যকলাপের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত।

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ব্যববস্থাপনা কমিটি ও উপদেষ্টা কমিটির ৭ম সভা বুধবার ক্লাবের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে।প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিএমইউজে) এর সভাপতি ও ক্লাবের উপদেষ্টা মো. শাহনওয়াজ,

কমনওয়েলথ জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (সিজেএ) বাংলাদেশ চ্যাপ্টার’র সেক্রেটারী জেনারেল ও ক্লাবের উপদেষ্টা ওসমান গণি মনসুর, এনটিভির ব্যুরো প্রধান ও উপেদেষ্টা শামসুল হক হায়দরী, চট্টগ্রাম রিপোটার্স ফোরাম (সিআরএফ) এর সভাপতি ও উপদেষ্টা কাজী আবুল মনসুর, কালের কণ্ঠের ব্যুরো প্রধান ও সিনিয়র সহ-সভাপতি মুস্তফা নঈম, টাইমস অব বাংলাদেশের ব্যুরো প্রধান ও সিএমইউজের সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান,

দৈনিক বাংলার ব্যুরো প্রধান ও সহ-সভাপতি ডেইজি মউদুদ, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) বিশেষ প্রতিনিধি ও যুগ্ম সম্পাদক মিয়া মো. আরিফ, একাত্তার টিভির ব্যুরো প্রধান ও কার্যকরী সদস্য সাইফুল ইসলাম শিল্পী, এনটিভির সিনিয়র রিপোর্টার ও কার্যকরী সদস্য আরিচ আহমেদ শাহ, গ্রীন টিভির সিইও ও কার্যকরী সদস্য ওয়াহিদ জামান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক রূপম চক্রবর্তী, ক্রীড়া সম্পাদক মো. রুবেল খান, গ্রন্থাগার সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম, দৈনিক দিনকালের ব্যুরো প্রধান ও সমাজসেবা ও অ্যাপায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল, দৈনিক পূর্বদেশের সিনিয়র রিপোর্টার ও প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ।

সভায় প্রেস ক্লাব পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় এবং ক্লাবের শৃংখলা বিরোধী কার্যকলাপের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এছাড়া অন্তর্বতী সরকারের মেয়াদ শেষে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারের নতুন বাংলাদেশ গড়ার অভিযাত্রায় সবসময় পাশে থাকবে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদ ঘোষিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদ ঘোষিত সাংগঠনিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে ফটিকছড়ি উপজেলা ‘ক’ জোনের আওতাধীন সকল শাখা কমিটিকে নিয়ে গত ৩১ জুলাই ২০২৬, রোজ শুক্রবার, সকাল ৯:০০টায় সাংগঠনিক সংলাপ-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদ এর সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ রেজাউল আলী জসিম চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লন মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদ এর সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ দিদারুল আলম।

এছাড়াও কেন্দ্রীয় পর্ষদের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শেখ মজিবুর রহমান বাবুল, এস. এম. মোর্শেদুল আমিন, কাজী মোহাম্মদ নিজামুল ইসলাম, কাজী মোহাম্মদ হারেজ, মোহাম্মদ জয়নাল আবেদিন জুলু, মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, মোহাম্মদ আবুল হাসেম, মোহাম্মদ আমির খসরু এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ শামসুল আলম। সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন ফটিকছড়ি উপজেলা ‘ক’ জোনের সাংগঠনিক সমন্বয়কারী মাষ্টার দিদারুল আলম, মাষ্টার মনির উদ্দিন খোরশেদ, মোহাম্মদ আলমগীর আলম ও মোহাম্মদ আলাউদ্দিন;

‘খ’ জোনের সাংগঠনিক সমন্বয়কারী মোহাম্মদ মাহাবুল আলম, মাষ্টার আহমদ হোসেন ও মোহাম্মদ শহিদুল; ‘গ’ জোনের সাংগঠনিক সমন্বয়কারী মাষ্টার কবির আহমদ, মোহাম্মদ নুরুল হুদা মেম্বার ও মোহাম্মদ আনিস উদ্দিন সোহেল; এবং ‘ঘ’ জোনের সাংগঠনিক সমন্বয়কারী মাষ্টার মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, মাষ্টার মোহাম্মদ আজিম উদ্দিন ও আক্তারুজ্জামান বাবর। অনুষ্ঠানে ফটিকছড়ি উপজেলা ‘ক’ জোনের আওতাধীন সকল শাখা কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, প্রতিনিধিবৃন্দ, অতিথিবৃন্দ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে সাংগঠনিক কার্যক্রম, দাপ্তরিক নথিপত্র পর্যালোচনা, ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ সংগঠনের আদর্শ ও লক্ষ্য বাস্তবায়নে করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রধান অতিথি ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ সংগঠনের আদর্শ, শৃঙ্খলা, দাপ্তরিক কার্যক্রমের মানোন্নয়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতির ফেসবুক পোস্ট তীব্র বিতর্ক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সিলেট ও হবিগঞ্জে এনসিপি নেতা–কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলামের ফেসবুক পোস্ট তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।পোস্টে হামলার পেছনে ‘সুপরিকল্পিত উদ্দেশ্য’ থাকতে পারে বলে মন্তব্য করায় শুরু হয় পাল্টাপাল্টি বক্তব্য। পরে পোস্টটি সরিয়ে নেয়ার পরও বিতর্ক থামেনি।

একদিকে এপোস্টকে নিয়ে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনসহ একাধিক নেতা জাহিদুল ইসলামের বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন। মনিরা শারমিন নিজের ফেসবুক পোস্টে জামায়াতের সাম্প্রতিক বিতর্কিত একটি ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে হামলার প্রতিবাদ না জানিয়ে ‘ডিপ প্ল্যান’ খোঁজার প্রবণতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেন।

অন্যদিকে, শিবির-সমর্থিত বিভিন্ন ফেসবুক অ্যাকাউন্টে জাহিদুল ইসলামের বক্তব্যের পক্ষের পোস্টও যথেষ্ট দেখা যায়। বিষয়টি নিয়ে এনসিপি ও জামায়াত-সমর্থকদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য অব্যাহত রয়েছে।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ