আজঃ শুক্রবার ১৭ এপ্রিল, ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরে ৬২ হাজার টন গম নিয়ে মার্কিন জাহাজ।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৬২ হাজার ১৫০ টন গম নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের বহিঃনোঙরে পৌঁছেছে। শুক্রবার (২৭ মার্চ) খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।খাদ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ সরকার ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের আওতায় এই গম আমদানি করা হয়েছে। এই গমটি নগদ ক্রয় চুক্তি নম্বর জি টু জি-০৩ এর অধীনে এসেছে। এর আগে একই চুক্তির আওতায় ৫৮ হাজার ৪৫৭ টন গম বাংলাদেশে পৌঁছেছিল।

বর্তমানে জাহাজে থাকা গমের নমুনা পরীক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং দ্রুত খালাসের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। জাহাজে থাকা গমের মধ্যে ৩৭ হাজার ২৯০ টন চট্টগ্রাম বন্দরে এবং অবশিষ্ট ২৪ হাজার ৮৬০ টন মোংলা বন্দরে খালাস করা হবে।

এই চুক্তির আওতায় এর আগে সরকার-টু-সরকার (জি টু জি) ভিত্তিতে মোট ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৮৮৪ মেট্রিক টন গম দেশে এসেছে। এর মধ্যে দুটি চুক্তির আওতায় যথাক্রমে ২ লাখ ৩৭ হাজার ৮৪৫ মেট্রিক টন এবং ২ লাখ ৩০ হাজার ৩৯ মেট্রিক টন গম আমদানি হয়েছে।প্রঙ্গদেশের বার্ষিক গমের চাহিদা প্রায় ৭০ লাখ টন, যেখানে দেশের উৎপাদন প্রায় ১০ লাখ টন। বাকি চাহিদা পূরণ করতে সরকার এবং বেসরকারি খাত বিদেশ থেকে গম আমদানি করে।

এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও চট্টগ্রাম বন্দরে প্রায় দুই লাখ টন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) নিয়ে তিনটি জাহাজ আসছে। এর মধ্যে একটি জাহাজ ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সমুদ্রসীমায় পৌঁছেছে, এবং বাকি দুটি জাহাজ আগামী বুধবারের মধ্যে বন্দরে পৌঁছাবে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অস্ট্রেলিয়া থেকে ৬১ হাজার ৯৯৭ টন এলএনজি বহনকারী ‘এইচএল পাফিন’ ট্যাংকারটি কুতুবদিয়া উপকূলে পৌঁছেছে। এছাড়া, ইন্দোনেশিয়া থেকে ৬১ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ‘নিউ ব্রেভ’ এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় ৭০ হাজার টন এলএনজি বহনকারী ‘সেলসিয়াস গ্যালাপাগোস’ জাহাজ দুটি বুধবারের মধ্যে বন্দরে পৌঁছানোর কথা।
স্থানীয় শিপিং এজেন্ট ইউনি গ্লোবাল বিজনেস লিমিটেডের জ্যেষ্ঠ উপমহাব্যবস্থাপক মো. নুরুল আলম জানিয়েছেন, বর্তমানে ট্যাংকার দুটি সময়মতো পৌঁছাবে বলেই আশা করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ইস্টার্ন রিফাইনারির পরিশোধন কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) পরিশোধন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার ১৪ এপ্রিল সকাল থেকে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। সবশেষ গত রোববার ১২ এপ্রিল বিকালে তেল পরিশোধন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এরপর ক্রুড তেলের সংকটের কারণে মজুত ক্রুড তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের প্রভাবে গত প্রায় দুই মাস ধরে ক্রুড তেল আমদানি ব্যাহত হচ্ছে এমনটাই জানা যায়।

পরিশোধনের পরিমাণ কমিয়ে আনা হয় সংকট মোকাবিলায় মার্চ মাস থেকেই। যেখানে দৈনিক গড়ে ৪ হাজার ৫০০ টন ক্রুড তেল পরিশোধন করা হতো, সেখানে তা কমিয়ে ৩ হাজার ৫০০ টনে নামিয়ে আনা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত মজুত শেষ হওয়ায় সম্পূর্ণভাবে কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, দেশে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটবে না বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

ভূটানের মান্যবর রাষ্ট্রদূতের চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশে নিযুক্ত কিংডম অব ভূটান এর রাষ্ট্রদূত চট্টগ্রাম বন্দরে আগমন করেন। চট্টগ্রাম বন্দরে পেৌছালে মাননীয় চেয়ারম্যান চবক, রিয়ার এডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান, ওএসপি, এনডিসি, এনসিসি, পিএসসি রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান। এসময় চেয়ারম্যান তাঁর সময়কালে চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন অগ্রগতির বিষয়ে রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন। চেয়ারম্যান আনন্দের সাথে জানান, সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রাম বন্দর কন্টেইনার, কার্গো ও জাহাজ হ্যান্ডলিং এ রের্কড গড়াসহ, জাহাজের ওয়েটিং টাইম শূন্যে নামানো, অটোমেশন এর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত এবং ISPS টিম কর্তৃক জিরো অবজারভেশন অর্জনসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।

মান্যবর রাষ্ট্রদূত চবক এর সাফল্যে অভিভূত হন এবং চেয়ারম্যান, চবক কে ভূটান সরকারের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন। মান্যবর রাষ্ট্রদূত ইতোপূর্বে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করে ভূটানে কন্টেইনার প্রেরনের বিষয়ে সহযোগিতার জন্য চবক চেয়ারম্যানকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ভবিষ্যতে চট্টগ্রাম বন্দরকে ব্যবহার করে ভূটানের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য কার্যক্রম আরো গতিশীল করা সম্ভব হবে। পরিশেষে মান্যবর রাষ্ট্রদূত ও চেয়ারম্যান, চবক দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি করে ভবিষ্যতে দুদেশের সম্পর্ককে আরো উচ্চতায় নিতে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে মান্যবর রাষ্ট্রদূত বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম সরেজমিনে পরির্দশন করেন এবং কার্যক্রম দেখে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ