ইআরপি সক্ষমতা আরও উন্নতে জিপিএইচ ইস্পাতের সঙ্গে পিডব্লিউসির চুক্তি

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেড এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং (ইআরপি) সক্ষমতা আরও উন্নত ফরতে পিডব্লিউসির সঙ্গে একটি স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপের চুক্তি করেছে। এ চুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির এসএপি এস/৪এইচএএনএ সিস্টেমের দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণ ও সাপোর্ট নিশ্চিত করা হবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেডের গ্রুপ সিএফও এইচএম আশরাফ-উজ-জামান এফসিএ, চিফ অপারেটিং অফিসার টি মোহন বাবু, ডিরেক্টর (স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন) সালেহীন মুশফিক সাদাফ, ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ফাইন্যান্স) প্রণব চৌধুরী, অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার (ইএইচএস) শামশুদ্দীন আহাম্মদ, সিনিয়র ম্যানেজার (আইসিটি) কফিল উদ্দিন মাহামুদসহ জিপিএইচ ইস্পাতের আইসিটি টিমের সদস্যরা। পিডব্লিউসির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন কান্ট্রি ম্যানেজিং পার্টনার শামস জামান, ডিরেক্টর (অ্যাডভাইজরি) রুমেলা হোসেন, ম্যানেজার (ওয়ান কনসাল্টিং) মাহামুদুল হাসান এবং ম্যানেজার (অ্যাডভাইজরি করপোরেট) মো. মোজাম্মেল হক।

চুক্তিটি জিপিএইচ ইস্পাতের চলমান ডিজিটাল রূপান্তর যাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই পার্টনারশিপের আওতায় পিডব্লিউসি জিপিএইচ ইস্পাতের এসএপি এস/৪এইচএএনএ প্ল্যাটফর্মের জন্য পূর্ণাঙ্গ ইআরপি রক্ষণাবেক্ষণ ও সাপোর্ট সেবা দেবে।এর মাধ্যমে সিস্টেমের নিরবচ্ছিন্ন কার্যক্রম, অপ্টিমাইজেশন এবং ধারাবাহিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে।
পরবর্তী প্রজন্মের ইআরপি সিস্টেম হিসেবে এসএপি এস/৪এইচএএনএ রিয়েল টাইম ডাটা প্রসেসিং এবং উন্নত অ্যানালিটিকস সুবিধা দেয়, যা প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত ও সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করে। এই সহযোগিতার মাধ্যমে জিপিএইচ ইস্পাত তাদের কার্যক্রমের দক্ষতা বৃদ্ধি, ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং সিস্টেমের নির্ভরযোগ্যতা আরও জোরদার করতে চায়।এই পার্টনারশিপ জিপিএইচ ইস্পাতের ডিজিটাল অবকাঠামোকে আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার প্রতিশ্রুতিও তুলে ধরে।পিডব্লিউসির অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘমেয়াদে স্কেলেবিলিটি, উন্নত সিস্টেম পরিচালনা এবং ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির জন্য একটি টেকসই প্রযুক্তিগত ভিত্তি গড়ে তুলতে চায়।

জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেডের গ্রুপ সিএফও এইচএম আশরাফ-উজ-জামান এফসিএ বলেন, পিডব্লিউসির সঙ্গে এই পার্টনারশিপ আমাদের ডিজিটাল রূপান্তরের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।এসএপি এস/৪এইচএএনএ সক্ষমতা আরও উন্নত করার মাধ্যমে আমরা কার্যক্রমের উৎকর্ষ, দক্ষতা এবং ভবিষ্যতমুখী প্রবৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি আরও দৃঢ় করছি।

পিডব্লিউসির প্রতিনিধি বলেন, জিপিএইচ ইস্পাতের সঙ্গে কাজ করতে পেরে আমরা আনন্দিত। তাদের ইআরপি সিস্টেমের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, ধারাবাহিক উন্নয়ন বজায় রাখা এবং উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য।এই চুক্তির মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি স্ট্রাটেজিক পার্টনারশিপের সূচনা হলো, যা ভবিষ্যতে কার্যক্রমের উৎকর্ষ এবং ডিজিটাল রূপান্তরকে আরও এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

১ হাজার ৫০টি ইউনিয়নে প্রথম ধাপে ভোট আয়োজনের পরিকল্পনা ইসির

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দেশে প্রথম ধাপে দেশের ১ হাজার ৫০টি ইউনিয়ন পরিষদে ভোট গ্রহণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ ধাপে উপজেলা সদরসংলগ্ন ইউনিয়নগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।৮ নভেম্বর রোববার ইসি সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

ভবিষ্যতে আর কোনো নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার না করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন ইসি সচিব। তবে বর্তমানে অব্যবহৃত ইভিএমগুলোর বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা এখনো চূড়ান্ত করতে পারেনি নির্বাচন কমিশন।এ ছাড়া ছয় বছর বয়স থেকে নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন আখতার আহমেদ।

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের দাঁতভাঙ্গা জবাব দেওয়া হবে – জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন-দেশের ভেতরে ও বাইরে থেকে যারা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যারা ষড়যন্ত্র করছে, তাদের প্রত্যেককে একে একে জবাব দেওয়া হবে। আজ ৭ নভেম্বর শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির আয়োজিত শোভাযাত্রার আগে এক সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বহু বছর পর দেশের মানুষ মুক্তভাবে বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালনের সুযোগ পেয়েছে। তবে দেশের বিরুদ্ধে আবারও একটি মহল ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। অতীতের মতো এবারও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ও স্বাধীনতাকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা চলছে। কিন্তু এ দেশের মানুষকে কোনো ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দমিয়ে রাখা যাবেনা।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের মানুষের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশকে স্বাধীন করেছিল। স্বাধীনতার পেছনে মানুষের প্রত্যাশা ছিল একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের ভেতরে ও বাইরে বিভিন্ন মহল বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব মেনে নিতে পারেনি। তারা সাধারণ মানুষকে দাবিয়ে রাখা এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছে।

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার মধ্য দিয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী অপশক্তিকে পরাজিত করা হয়েছিল। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে আবারও গণতন্ত্রের সূচনা হয়। তবে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার মেনে নিতে না পারা একটি মহল বিভিন্ন সময়ে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করেছে। বারবার জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের মানুষ আবারও তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়েও জনগণের সেই অধিকার বিভিন্নভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ও সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধার করেছে। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের মতো ২০২৪ সালের ৫ আগস্টও জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে অপশক্তিকে পরাজিত করেছে।তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আন্দোলন শুধু দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, একই সঙ্গে ছাত্র-জনতা স্বৈরাচারী শক্তিকেও দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে। বাংলাদেশের মানুষ অতীতেও অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে। তাই কোনো ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জনগণের আন্দোলন ও অর্জন থামিয়ে রাখা যাবে না।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতের মতো আবারও একটি মহল দেশ নিয়ে ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বাধাগ্রস্ত করতে চায়। একই সঙ্গে জনগণের ভোটের রাজনীতি ও গণতান্ত্রিক নির্বাচনব্যবস্থা বন্ধ করার চেষ্টা করছে। তবে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর, ১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ঘটনা প্রমাণ করে, এ দেশের মানুষ অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে জানে।

দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি জাতীয় ঐক্যের ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো বিভেদ থাকা উচিত নয়। জাতীয় স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
অতীতের বিভিন্ন আন্দোলন ও গণ-অভ্যুত্থানের মতো এবারও ষড়যন্ত্রকারীদের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে। দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিটি ষড়যন্ত্রের জবাব একে একে দেওয়া হবে। কোনো শক্তিই বাংলাদেশের মানুষকে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে পারবে না।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ