আজঃ শনিবার ৩০ মে, ২০২৬

ভূটানের মান্যবর রাষ্ট্রদূতের চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশে নিযুক্ত কিংডম অব ভূটান এর রাষ্ট্রদূত চট্টগ্রাম বন্দরে আগমন করেন। চট্টগ্রাম বন্দরে পেৌছালে মাননীয় চেয়ারম্যান চবক, রিয়ার এডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান, ওএসপি, এনডিসি, এনসিসি, পিএসসি রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান। এসময় চেয়ারম্যান তাঁর সময়কালে চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন অগ্রগতির বিষয়ে রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন। চেয়ারম্যান আনন্দের সাথে জানান, সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রাম বন্দর কন্টেইনার, কার্গো ও জাহাজ হ্যান্ডলিং এ রের্কড গড়াসহ, জাহাজের ওয়েটিং টাইম শূন্যে নামানো, অটোমেশন এর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত এবং ISPS টিম কর্তৃক জিরো অবজারভেশন অর্জনসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।

মান্যবর রাষ্ট্রদূত চবক এর সাফল্যে অভিভূত হন এবং চেয়ারম্যান, চবক কে ভূটান সরকারের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন। মান্যবর রাষ্ট্রদূত ইতোপূর্বে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করে ভূটানে কন্টেইনার প্রেরনের বিষয়ে সহযোগিতার জন্য চবক চেয়ারম্যানকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ভবিষ্যতে চট্টগ্রাম বন্দরকে ব্যবহার করে ভূটানের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য কার্যক্রম আরো গতিশীল করা সম্ভব হবে। পরিশেষে মান্যবর রাষ্ট্রদূত ও চেয়ারম্যান, চবক দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি করে ভবিষ্যতে দুদেশের সম্পর্ককে আরো উচ্চতায় নিতে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে মান্যবর রাষ্ট্রদূত বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম সরেজমিনে পরির্দশন করেন এবং কার্যক্রম দেখে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আজ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি, স্বাধীনতার ঘোষক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র প্রতিষ্ঠাতা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী শনিবার (৩০ মে)। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে দেশি-বিদেশি চক্রান্তে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্য তাকে হত্যা করে।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিএনপি গত ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত আট দিনব্যাপী বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত সারা দেশে বিশেষ পোস্টার প্রকাশ করা হচ্ছে এবং দলীয় নেতাকর্মীরা কালো ব্যাজ ধারণ করছেন। এছাড়া বিভিন্ন সংবাদপত্র ও অনলাইন পোর্টালে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে।

কর্মসূচিতে রয়েছে, ৩০ মে ভোর ৬টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের সব স্তরের দলীয় কার্যালয়ে দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা ও কালো পতাকা উত্তোলন করা। দেশের সব জেলা, মহানগর ও অন্যান্য ইউনিটেও একই কর্মসূচি রয়েছে। স্থানীয় সুবিধা অনুযায়ী আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল এবং দুঃস্থদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচিও পালন করা হবে।

একই দিন বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের জাতীয় নেতৃবৃন্দ এবং সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও জিয়ারত করবেন। জিয়ারত শেষে মাজার প্রাঙ্গণে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের প্রতিটি থানায় এবং দেশের অন্যান্য ইউনিটে অসচ্ছল ও দুঃস্থ মানুষের মধ্যে কাপড়, চাল, ডালসহ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।

পরদিন ৩১ মে দুপুর ২টায় রাজধানীর রমনায় ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তনে বিএনপির উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। তিনি দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা। তার প্রতিষ্ঠিত বিএনপি বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে।

জিয়াউর রহমান বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করেন। এজন্য তাকে বহুদলীয় গণতন্ত্রের জনক বলা হয়। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশ নিয়ে গঠিত সার্ক প্রতিষ্ঠারও স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন তিনি। জাতীয়তাবাদভিত্তিক একটি কালজয়ী রাজনৈতিক দর্শন প্রতিষ্ঠা করে গেছেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।

ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে একযোগে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে একযোগে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ