
রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার পটপরিবর্তন হলে একদল সুযোগসন্ধানী মানুষ জনপ্রতিনিধি হওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। কিন্তু ক্ষমতার দাপটে বা কোনো বিশেষ সুযোগ নিয়ে নয়, বরং সুশিক্ষা এবং জনগণের সরাসরি ম্যান্ডেট নিয়ে দেওয়ান বাজারবাসীর সেবক হতে চান এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা মোহাম্মদ রেজাউল করিম রেজা। তিনি আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) নির্বাচনে ২০ নং দেওয়ান বাজার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী।
দেওয়ান বাজারের এক সভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে বেড়ে ওঠা রেজাউল করিমের শিক্ষার ভিত্তি অত্যন্ত মজবুত। তিনি ঐতিহ্যবাহী মুসলিম হাই স্কুল থেকে সফলতার সাথে এসএসসি, ইসলামিয়া ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন। উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রেও তিনি মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন; ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি চিটাগাং-এর ঢাকা ক্যাম্পাস থেকে তিনি ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
এলাকার সচেতন নাগরিকরা মনে করেন, একজন জনপ্রতিনিধির কেবল রাজনৈতিক পরিচিতি থাকলেই চলে না, তাঁর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা থাকাটা জরুরি। রেজাউল করিমের এই উচ্চশিক্ষা ও ব্যবসায়িক জ্ঞান দেওয়ান বাজারকে একটি আধুনিক ও পরিকল্পিত ‘স্মার্ট ওয়ার্ড’ হিসেবে গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখবে বলে তারা মনে করেন।
সম্প্রতি এক মতবিনিময় সভায় রেজাউল করিম রেজা বলেন, আমরা লক্ষ্য করি, যখনই দেশে ক্ষমতার পটপরিবর্তন হয়, তখন একশ্রেণীর মানুষ রাতারাতি নিজেদের প্রভাবশালী প্রমাণ করতে মরিয়া হয়ে ওঠে। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, দখলদারিত্ব বা জোর করে চাপিয়ে দেওয়া নেতৃত্ব কখনও এলাকার প্রকৃত উন্নয়ন করতে পারে না। আমি চাই একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন, যেখানে সাধারণ মানুষ তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে একজন শিক্ষিত ও যোগ্য প্রতিনিধি বেছে নেবেন।
তিনি আরও বলেন, আমি মুসলিম হাই স্কুল ও ইসলামিয়া কলেজের আঙিনায় বড় হয়েছি। এই মাটির মানুষের ভাষা আমি বুঝি। উচ্চশিক্ষা আমাকে শিখিয়েছে কীভাবে আধুনিক পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নাগরিক সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা যায়। আমি দেওয়ান বাজারকে একটি নিরাপদ, সিসিটিভি নিয়ন্ত্রিত,পরিচ্ছন্ন,মাদক ও দুর্নীতিমুক্ত আদর্শ ওয়ার্ড হিসেবে দেখতে চাই।
এলাকার বাসিন্দাদের মতে, ক্ষমতার এই সন্ধিক্ষণে অনেক ‘বসন্তের কোকিল’ দেখা গেলেও রেজাউল করিম সবসময়ই এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে ছিলেন। তাঁর এই উচ্চশিক্ষিত ও নিরপেক্ষ ভাবমূর্তির কারণে বিশেষ করে তরুণ ও শিক্ষিত ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ তৈরি হয়েছে।
আসন্ন চসিক নির্বাচনে কোনো দলীয় প্রভাব ছাড়াই জনগণের সরাসরি সমর্থনে জয়ী হয়ে দেওয়ান বাজারের সেবায় আমৃত্যু আত্মনিয়োগ করার দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করেন এই মেধাবী তরুণ সমাজসেবক।