আজঃ শনিবার ২৭ জুন, ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরে প্রথমবারের মতো ‘নিরাপত্তা সপ্তাহ’ উদযাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

‘নিরাপদ বন্দর, সমৃদ্ধ দেশ’ এ প্রতিপাদ্যে প্রথমবারের মতো ‘নিরাপত্তা সপ্তাহ-২০২৬’ উদযাপন করছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। সকালে বেলুন উড়িয়ে সপ্তাহব্যাপী এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন বন্দরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কমোডর আহমেদ আমিন আব্দুল্লাহ।এ সময় তিনি বলেন, সুষ্ঠু ও নিরাপদ অপারেশনের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখা ও সমৃদ্ধ বন্দর উপহার দেয়া এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। শুধু স্থাপনা নয় বন্দরেরর প্রত্যেক শ্রমিক -কর্মচারী ও অংশীজন, সবার জানমাল, সম্পদ ও বন্দরের যন্ত্রপাতি সব কিছুকে একই ছাতার নিয়ে এসে নিরাপদ বন্দর নিশ্চিত করতে এ কার্যক্রম।

সপ্তাহব্যাপী এ আয়োজনে বন্দরের মেরিন, মেকানিক্যাল, ট্রাফিকসসহ সব বিভাগের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও অপারেশনের ঘাটতি পর্যালোচনা করে পদক্ষেপ নেয়া হবে। সেই সঙ্গে সপ্তাহব্যাপী বিভিন্ন ধরনের মহড়া ও অনুশীলন কার্যক্রমের মাধ্যমে বিশ্বে নিরাপদ বন্দর হিসেবে চট্টগ্রাম বন্দরের সুনাম বজায় রেখে উৎপাদনশীলতা আরও বাড়াতে নজর দেওয়া হবে।এ লক্ষে যে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা মনুষ্য সৃষ্ট দুর্ঘটনায় প্রত্যেকটি বিভাগের কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে কীভাবে সংকট উত্তরণ করা যায় সেটি নিশ্চিত করা হবে বলে জানান বন্দরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।শেষে বন্দরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে বন্দর ভবন প্রাঙ্গণ থেকে একটি র‌্যালি বের করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নালা-খাল দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না : সিডিএ চেয়ারম্যান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নালা-খাল দখল করে কোনো অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না বলে জানালেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ(সিডিএ)’র চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন। বৃহস্পতিবার তিনি চট্টগ্রাম মহানগরের নয়ারহাট খাল ও ইপিজেড-সল্টগোলা ক্রসিং সংলগ্ন এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করে এলকাবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, আমি আপনাদের জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে নয়ারহাট খালে স্লুইসগেট নির্মাণ করে দেব। তবে আপনাদেরও একটি প্রতিশ্রুতি দিতে হবে যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলা যাবে না, নালা-খাল দখল করে কোনো অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না। একটি পরিচ্ছন্ন, নান্দনিক ও সৌন্দর্যমণ্ডিত চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে সরকারের পাশাপাশি নাগরিকদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

চট্টগ্রামের ইপিজেড-সল্টগোলা ক্রসিং এলাকায় দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে নয়ারহাট খালে স্লুইসগেট নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। এ লক্ষ্যে সম্ভাব্য নির্মাণস্থল পরিদর্শন করেছেন সিডিএর নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন। বৃহস্পতিবার সরেজমিনে পরিদর্শন করে স্লুইসগেট নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
পরিদর্শনকালে সিডিএ চেয়ারম্যান বলেন, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সংসদীয় এলাকার জনগণের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করতে প্রকল্পটিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

স্লুইসগেট নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ভূমি অধিগ্রহণ ও ব্যবহারসংক্রান্ত বিষয়গুলোতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত অগ্রসর হওয়ার কথাও জানান তিনি। তিনি সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের দ্রুত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রণয়ন করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন সিডিএ চেয়ারম্যান। এলাকাবাসী দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার দুর্ভোগের কথা তুলে ধরলে তিনি দ্রুত সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দেন।

সিডিএ সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম মহানগরের জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের আওতায় নয়ারহাট খালের সংস্কারকাজ আগেই সম্পন্ন করা হয়েছিল। তবে খালের মুখে স্লুইসগেট না থাকায় জোয়ারের সময় সমুদ্রের পানি খালে প্রবেশ করে এবং বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশনে বাধা সৃষ্টি হয়। ফলে হালিশহর, ইপিজেড ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতা সমস্যা অব্যাহত রয়েছে। এর আগে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড এ এলাকায় স্লুইসগেট নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করলেও বিভিন্ন জটিলতার কারণে তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি।

একযোগে ৭ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও ১১ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং বিচারক নিয়োগসংক্রান্ত বিভিন্ন ইস্যুতে সরকারের অবস্থানের সঙ্গে মতপার্থক্যের কথা উল্লেখ করে জামায়াতপন্থি পরিচয়ে ৭ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও ১১ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদত্যাগ করেছেন।

আজ ২৩ জুন রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো পৃথক পৃথক পদত্যাগপত্রে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।
জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী জুলাই চার্টার বাস্তবায়নে অগ্রগতি না হওয়া, বিচার বিভাগের জন্য স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা এবং সুপ্রিম কোর্ট বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ বাতিলের মতো বিষয়গুলো নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন। তাদের মতে, এসব কারণে সাংবিধানিক শাসনব্যবস্থা, আইনের শাসন এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে,পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করেন।

পদত্যাগকারী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলরা হলেন— অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলী, শফিকুর রহমান, আবদুল করিম, ফরিদ উদ্দিন খান, গোলাম রহমান ভূঁইয়া, আসাদ উদ্দিন এবং মুহাম্মদ তারিকুল ইসলাম। সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন ইমরুল কায়েছ রানা, হুমায়ুন কবির তানিম, আবদুল কাইয়ুম ভূঁইয়া, আবদুল্লাহিল মারুফ ফাহিম, জোয়াদুর রহমান, শামসিল আরেফিন, মাহাবুবা আক্তার রলি, নূর নবী উজ্জ্বল, আল রেজা আমির, রেজাউল ইসলাম ও জাকির হোসেন।

পদত্যাগপত্রে তারা আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে নিজেদের বিবেক ও নীতিগত অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। এ কারণে তারা পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ