চবিতে বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল (ছাত্র) প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ।

চবি সংবাদদাতা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং বর্ণাঢ্যভাবে বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল (ছাত্র) টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর ফাইনাল ম্যাচ, সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ আজ রবিবার (১৭ মে ২০২৬) বিকাল ৫টায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে সম্পন্ন হয়েছে। ৩৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার সমাপনী দিনে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।টুর্নামেন্টে যৌথভাবে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্বাগতিক দল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি)।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চবি মাননীয় উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ও চবি ক্রীড়া উপদেষ্টা কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ কামাল উদ্দিন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল টিমের ম্যানেজার ও ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস এর প্রফেসর ড. মোঃ শফিকুল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে চবি উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান সবাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি বিজয়ী এবং বিজিত সকলকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ফুটবল বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় খেলা। খেলাধুলা শরীর চর্চার পাশাপাশি শৃঙ্খলা, নিয়মানুবর্তিতা এবং দেশপ্রেম শেখায়। আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর সাথে সংশ্লিষ্ট শারীরিক শিক্ষা বিভাগ, চাকসু, সকল খেলোয়াড়, আগত অতিথিসহ সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। আগামী দিনে এসব আয়োজনে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চবি উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ও চবি ক্রীড়া উপদেষ্টা কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ কামাল উদ্দিন সবাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ফাইনাল ম্যাচে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও আমাদের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় উভয়ই ভালো খেলেছে। দুই দলকেই অভিনন্দন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল খেলোয়াড়সহ সংশ্লিষ্টদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান তিনি।

আগামী দিনে আরও ভালো আয়োজন যাতে করা যায় সেজন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। মাননীয় উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) টুর্নামেন্ট আয়োজনের সাথে সম্পৃক্ত এবং সহযোগিতাকারী শারীরিক শিক্ষা বিভাগ, চাকসু, প্রক্টরিয়াল বডি, খেলোয়াড় কল্যাণ সংগঠন, নিরাপত্তা দপ্তর, বিএনসিসি, রোভার স্কাউট এবং পুলিশ প্রশাসনসহ সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।অনুষ্ঠানের সভাপতির বক্তব্যে প্রফেসর ড. মোঃ শফিকুল ইসলাম বিজয়ীদের অভিনন্দন জানান। পাশাপাশি অংশগ্রহণকারী সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান এবং আগামীতে এ ধরণের আয়োজন অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন চবি শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালক হাবিবুর রহমান জালাল, চাকসুর ভিপি ইব্রাহীম হোসেন রনি, জিএস সাঈদ বিন হাবিব, এজিএস আইয়ুবুর রহমান তৌফিক, চবি ছাত্রদলের সভাপতি আলাউদ্দিন মহশিন, চাকসুর খেলাধুলা ও ক্রীড়া সম্পাদক মোহাম্মদ শাওন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা দপ্তরের সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন ও যবিপ্রবির কোচ শাহিনুর রহমান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সহকারী প্রক্টর মো. খাইরুল ইসলাম ও চবি নাট্যকলা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী এস.এম. শফিক।

এসময় অনুষ্ঠানে চবি অনুষদসমূহের ডিনবৃন্দ, হলের প্রভোস্টবৃন্দ, বিভাগীয় সভাপতি, ইনস্টিটিউট ও গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক, প্রক্টর ও সহকারী প্রক্টর, ছাত্র-ছাত্রী পরামর্শ ও নির্দেশনা পরিচালক, নিরাপত্তা দপ্তরের প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরের প্রশাসকবৃন্দ, হলের আবাসিক শিক্ষকবৃন্দ, চাকসু ও হল সংসদসমূহের প্রতিনিধিবৃন্দ, অফিস প্রধানবৃন্দ, শারীরিক শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আগত অতিথিবৃন্দ, চবির বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, খেলোয়াড়বৃন্দ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ, বিপুল সংখ্যক ক্রীড়ামোদী শিক্ষক-শিক্ষার্থী-দর্শক উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সিভাসুতে প্রাণিসেবায় নতুন সংযোজন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ব্যুরো: শিক্ষা, গবেষণা এবং প্রাণীর রোগ নিরূপণ ও চিকিৎসাসেবা প্রদানের পাশাপাশি আধুনিক ও মানসম্মত ওষুধ ও যাবতীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও সুসৎগঠিত করতে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু) চালু করা হয়েছে ‘ভেটেরিনারি ফার্মেসি’। এখন থেকে খামারি ও সাধারণ জনগণ তাদের প্রাণীর যাবতীয় ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম সিভাসু’র এই ‘ভেটেরিনারি ফার্মেসি’ থেকে সুলভ মূল্যে ক্রয় করতে পারবেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এস. এ. কাদেরী টিচিং ভেটেরিনারি হাসপাতাল এবং মেডিসিন ও সার্জারি বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এই ফার্মেসি চালু করা হয়েছে। ভেটেরিনারি হাসপাতালের নিচ তলায় এই ফার্মেসির উদ্বোধন করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফার্মেসির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান বলেন, ‘সিভাসু’র মূল উদ্দেশ্য কেবল শ্রেণিকক্ষে শিক্ষা প্রদান নয়, বরং মানসম্মত প্রাণী চিকিৎসাসেবা ও গবেষণার প্রসার ঘটানো। এই ফার্মেসির মাধ্যম হাসপাতালে আসা প্রাণীদের জন্য সঠিক ও মানসম্মত ওষুধ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সেবামূলক পদক্ষেপের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ডিন প্রফেসর গৌতম কুমার দেবনাথ, পরিচালক (বহিরাঙ্গন কার্যক্রম) প্রফেসর ড. এ. কে. এম. সাইফুদ্দিন, ওয়ান হেলথ ইনস্টিটিউটের পরিচালক প্রফেসর ড. মো: আহসানুল হক এবং চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সাবেক পরিচালক ডা. ফরহাদ হোসেন। সম্মানিত অতিথি ও পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এসিআই এনিম্যাল হেলথ-এর ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ডা. মো: আমজাদ হোসেন। সভাপতিত্ব করেন সিভাসু’র ভেটেরিনারি ক্লিনিক্সের পরিচালক প্রফেসর ড. আজিজুন্নেছা। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মেডিসিন ও সার্জারি বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. মনোয়ার সাঈদ পল্লব।

সভাপতির বক্তব্যে ভেটেরিনারি ক্লিনিক্সের পরিচালক প্রফেসর ড. আজিজুন্নেছা বলেন,‘এই ফার্মেসি কেবল ওষুধ বিক্রির কেন্দ্র নয়। এটি আমাদের শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক শিক্ষা ও ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। এর মাধ্যমে ভবিষ্যৎ ভেটেরিনারি চিকিৎসকেরা আরও দক্ষ ও পেশাদার হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে পারবে।’

চবি ছাত্রীকে যৌন হয়রানির প্রতিবাদ করায় উল্টো হেনস্থা, কারাগারে যাত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে বাসে যৌন হয়রানির প্রতিবাদ করায় তাকে হেনস্থা ও মারধর করেছেন এক ব্যক্তি। নিজের স্ত্রী-সন্তানের সামনেই এমন ঘটনা ঘটায় মোহাম্মদ জসিম (৩৫) নামে ওই যাত্রী। পরে বাসের অন্যান্য যাত্রীরা তাকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন। শনিবার সকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে গত শুক্রবার এ ঘটনা ঘটেছে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি রুটের একটি লোকাল বাসে।

পুলিশ জানায়, বাসে ছাত্রীর পেছনের সিটে বসে ভেতর ধূমপান করছিলেন জসিম। সিগারেটের ছাই ফেলার নামে বারবার ছাত্রীর শরীর স্পর্শ করতে থাকেন। প্রতিবাদ করলে ওই ছাত্রীর সঙ্গে তিনি উল্টো দুর্ব্যবহার করেন। এ নিয়ে বাগবিতণ্ডার মধ্যে অন্য যাত্রীরা তাকে ফটিকছড়ির আগে হাটহাজারী বাস স্টেশনে নেমে যেতে বাধ্য করেন।
গ্রেফতার মোহাম্মদ জসিম চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ভুজপুর এলাকার বাসিন্দা। ঘটনার শিকার ছাত্রীর বাড়ি খাগড়াছড়ি জেলায়। বাড়ি যাবার জন্য শুক্রবার দুপুরে ওই ছাত্রী লোকাল বাসটিতে উঠেছিলেন। চট্টগ্রাম নগরী থেকে বাসটিতে করে স্ত্রী-সন্তানসহ জসিম ফটিকছড়িতে যাচ্ছিলেন।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ