ভারতের প্রধানমন্ত্রী জানালেন আমিরাতের পাশে ইন্ডিয়া কাঁদে কাঁধ মিলিয়ে আছে, থাকবে।

আরমান চৌধুরী ইউ এ ই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সংযুক্ত আরব আমিরাতে পৌঁছালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান দেশটির রাষ্ট্রপতি শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। মোদির বিমান আমিরাতের আকাশসীমায় প্রবেশ করার পর সামরিক যুদ্ধবিমানের বহর সেটিকে এসকর্ট করে আবুধাবি বিমানবন্দর পর্যন্ত নিয়ে যায়। পরে গার্ড অব অনার ও দুই দেশের জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয় আনুষ্ঠানিক স্বাগত অনুষ্ঠান।

বিমান থেকে নামার পর দুই নেতা একে অপরকে আলিঙ্গন করেন। এমন সম্মানজনক অভ্যর্থনার জন্য শেখ মোহাম্মদ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন নরেন্দ্র মোদি।

বৈঠকে আঞ্চলিক পরিস্থিতি, নিরাপত্তা ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেন দুই নেতা। মোদি বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটে ভারত-আমিরাত সম্পর্কের গুরুত্ব আরও বেড়েছে। তিনি এই ‘ব্যাপক কৌশলগত অংশীদারিত্ব’কে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য শেখ মোহাম্মদকে ধন্যবাদ জানান।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেকোনো পরিস্থিতিতে ভারত সংযুক্ত আরব আমিরাতের পাশে থাকবে। একই সঙ্গে তিনি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, সমস্যা সমাধানে সংলাপ ও কূটনীতিই সবচেয়ে কার্যকর পথ। হরমুজ প্রণালীকে নিরাপদ, মুক্ত ও উন্মুক্ত রাখার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

ভারতের সরকারি সংবাদ সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, সফরকালে দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ এবং তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সরবরাহসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি হয়েছে।

এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাসরত ভারতীয় প্রবাসীদের প্রতি যত্ন ও সহযোগিতার জন্য আমিরাত সরকার এবং রাজপরিবারকে ধন্যবাদ জানান মোদি। তিনি বলেন, আমিরাতকে তিনি নিজের ‘দ্বিতীয় বাড়ি’ মনে করেন।

সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাতের ওপর হওয়া হামলার নিন্দা জানিয়ে মোদি বলেন, এ ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি জাতীয় নিরাপত্তা, ঐক্য ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় আমিরাতের নেওয়া পদক্ষেপের প্রশংসা করেন এবং বলেন, কঠিন সময়ে দেশটি যে সংযম, সাহস ও প্রজ্ঞার পরিচয় দিয়েছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সৌদি আরবে প্রবাসীদের পরিবার মৃত্যুদণ্ডের পর মৃতদেহ ফেরত পাচ্ছে না

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরবে প্রবাসীদের পরিবার মৃত্যুদণ্ডের পর মৃতদেহ ফেরত পাচ্ছনা। গত ২৩ জুন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ ইথিওপিয়ানের মধ্যে রয়েছেন – তাদের মৃতদেহ পরিবারের কাছে ফেরত দেওয়া হয়নি।ছেলে কিনফে আরেগাউই এবং সিগাবু গেব্রেমারিয়াম পরিবার হিসেবে সান্ত্বনা পেতে আমরা এই সমস্ত আনুষ্ঠানিকতা করেছি। কিন্তু আমি আমার সান্ত্বনা পাবো না,বলছিলেন কিনফে আরেগাউই নামের একজন বাবা।তিনি তার নিজের ছেলে কিব্রমের জন্য শোক জানাচ্ছিলেন।

এটি আমার জন্য সারাজীবনের দুঃখ হয়ে থাকবে।
সৌদি আরবে গাঁজা পাচারের দায়ে চলতি বছরের জুনে যে পাঁচজন ইথিওপিয়ানকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।তাদের একজন কিব্রম কিনফে আরেগাউই।
বিশ্বের যেসব দেশে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়, চীন ও ইরানে। তারপরই সেখানে সৌদি আরবের অবস্থান।

কিনফের মতো অনেক ইথিওপিয়ান অর্থোডক্স খ্রিস্টানদের বিশ্বাসের একটি অপরিহার্য উপাদান হলো আনুষ্ঠানিকভাবে ধর্মীয় নিয়মে সমাহিত করা।
২৫ বছর বয়সী এই তরুণের শেষকৃত্য এভাবে করা সম্ভব হয়নি, কারণ তার মৃতদেহ দেশে তার পরিবারের কাছে ফেরত পাঠানো হয়নি।

হুতিদের দখলে লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাব আল-মান্দেব প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবি করেছে ইরান-সমর্থিত হুতিরা। তাদের এই অগ্রগতিতে আন্তর্জাতিক নৌবাণিজ্য ও বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

বাব আল-মান্দেব প্রণালি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। এ পথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে হুতিদের অগ্রগতিতে বিশ্বজুড়ে নৌপরিবহন নিরাপত্তা এবং জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।হুতিদের এই সামরিক সাফল্যের প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও। এরই মধ্যে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৫ ডলারের ওপরে উঠে গেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বাব আল-মান্দেবের মতো গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে সামরিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা হলে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে জ্বালানি পরিবহনে অনিশ্চয়তা বাড়লে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আরও অস্থিতিশীল হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।লোহিত সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত এই প্রণালি দিয়ে বিপুল পরিমাণ পণ্য ও জ্বালানি পরিবহন করা হয়। ফলে এর নিরাপত্তা নিয়ে যেকোনো ধরনের সংকট আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ