চট্টগ্রামের বিভিন্ন সমস্যার অন্যতম কারণ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের অভাব। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করবে সিডিএ। রোববার ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে ফিরে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি নগর উন্নয়নে দীর্ঘদিনের সমন্বয়হীনতা দূর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন বলেন, দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি চট্টগ্রাম এখনও জলাবদ্ধতা, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও সমন্বয়হীনতার মতো নানা সমস্যায় জর্জরিত। এসব সমস্যা সমাধানে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, ওয়াসা, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, গ্যাস বিভাগ, ট্রাফিক বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় গড়ে তোলা হবে।তিনি বলেন, চলমান প্রকল্পগুলোর দ্রুত বাস্তবায়ন এবং নতুন প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে জনদুর্ভোগ কমানোর বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সমন্বিত উদ্যোগ নিশ্চিত করা গেলে নগরবাসী এর সুফল পাবে।
তিনি আরও বলেন, বৈজ্ঞানিক ও যুগোপযোগী পরিকল্পনার মাধ্যমে চট্টগ্রামকে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও টেকসই নগরে পরিণত করতে হবে। এ লক্ষ্যে নগর পরিকল্পনাবিদ, পরিবেশবিদ, গবেষক ও বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়ন করা হবে। তিনি বলেন, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার সময় পরিবেশ ও প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষার বিষয়টিও গুরুত্ব পাবে। বিশেষ করে পাহাড়, জলাধার ও অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।বেলায়েত হোসেন বলেন, সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে দায়িত্ব পালন করবেন তিনি। ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে নগরবাসীর কল্যাণ এবং চট্টগ্রামের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করাই হবে তাঁর প্রধান লক্ষ্য।চট্টগ্রাম নগর ও সিডিএর স্বার্থ রক্ষায় সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, প্রয়োজনে জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়েও প্রতিষ্ঠানটির মর্যাদা এবং নগরের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করবেন।