আজঃ শুক্রবার ১০ জুলাই, ২০২৬

ঠাকুরগাঁওয়ে পুষ্টিসমৃদ্ধ জিংক ব্রিধান-১০২ চাষে উদ্বুদ্ধ করতে কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

রেজাউল ইসলাম মাসুদ, জেলা প্রতিনিধি, ঠাকুরগাঁও :

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁওয়ে হারভেস্টপ্লাস বাংলাদেশ -এর বাস্তবায়নে “রিয়েক্টস-ইন” প্রজেক্টের আওতায় পুষ্টিসমৃদ্ধ “জিংক ব্রি ধান-১০২” চাষে উদ্বুদ্ধ করতে কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে ইএসডিও’র আয়োজনে ও পরিচালনায় ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের সাটিয়া ঈদগাঁ মাঠে কৃষক মাঠ দিবসটি অনুষ্ঠিত হয়।

কৃষক মাঠ দিবসে উপস্থিত শতাধিক কৃষকের মাঝে হারভেস্টপ্লাস বাংলাদেশ -এর প্রজেক্ট ম্যানেজার কৃষিবিদ মোঃ শাহিনুল কবির এবং ইএসডিও রিয়েক্টস- ইন প্রজেক্টের প্রজেক্ট ফোকাল কৃষিবিদ মোঃ আশরাফুল আলম মানবদেহে জিংক এর প্রয়োজনীয়তা এবং জিংকের অভাব পূরণে জিংক সমৃদ্ধ ব্রিধান১০২, ব্রিধান-১০০, ব্রিধান৮৪ এবং ব্রিধান৭৪ এর ভূমিকা নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন। তারা তাদের বক্তব্যে সকলের প্রতি জিংক ধানের চাষাবাদ পদ্ধতি, জিংক ধানের আবাদের সম্প্রসারণ ও জিংক সমৃদ্ধ চালের ভাত খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শোয়েবুর রহমান, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা মেম্বার মোছা: মাহফুজা খাতুন, সিঙ্গারোল সরকারি হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ ওমর ফারুক মন্ডল, উক্ত গ্রামের ঈদগাঁ পাড়া জামে মসজিদের ইমাম সাহেব মোঃ কামরুজ্জামান এবং ইএসডিও রিয়েক্টস- ইন প্রজেক্টের প্রজেক্ট অফিসার মোঃ মিজানুর রহমান সহ মিডিয়া ব্যক্তিত্ব।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কৃষিকে তথ্যভিত্তিক ব্যবস্থাপনায় আনতে কৃষক কার্ড চালু : কৃষিমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সরকার কৃষিকে তথ্যভিত্তিক ব্যবস্থাপনায় আনতে কৃষক কার্ড চালু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ। তিনি বলেছেন, কৃষক কার্ড চালুর মাধ্যমে দেশের কৃষি ব্যবস্থাপনাকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনা হবে। এতে কোন এলাকায় কোন ফসল কতটুকু উৎপাদিত হচ্ছে, কোথায় কত চাহিদা রয়েছে-এসব তথ্য সরকারের হাতে থাকবে। ফলে উৎপাদন ও বাজারের চাহিদার সমন্বয় করা সম্ভব হবে এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে। একইসঙ্গে কৃষক ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে পারবেন। শনিবার সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, কৃষক কার্ডের আওতায় শুধু ধান, গম বা পাটচাষিই নন; লবণ, সুপারি, নারিকেল, পান, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরাও অন্তর্ভুক্ত হবেন। এতে প্রকৃত কৃষকের সংখ্যা, উৎপাদনের ধরন ও ফসলভিত্তিক তথ্য সরকারের কাছে থাকবে। ভবিষ্যতে কৃষি ভর্তুকি, প্রণোদনা ও অন্যান্য সরকারি সহায়তা এই কার্ডের মাধ্যমেই প্রকৃত কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, কৃষিপণ্যের উৎপাদন ও বাজারের চাহিদার মধ্যে সমন্বয় না থাকায় অনেক সময় কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হন। এ সমস্যা সমাধানে ইউনিয়ন পর্যায়ে সোলারচালিত মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে কৃষক মৌসুমে উৎপাদিত পণ্য সংরক্ষণ করে সুবিধাজনক সময়ে বিক্রি করতে পারবেন এবং ন্যায্যমূল্য পাবেন।

কৃষিমন্ত্রী জানান, সরকার ইতোমধ্যে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করেছে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে সেই অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে। পাশাপাশি খাল পুনঃখনন, সেচব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষি ভর্তুকি এবং কৃষকদের জন্য বিভিন্ন প্রণোদনা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পরও কেন আমদানি করতে হয় -এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেশের চাহিদার তুলনায় আবাদযোগ্য জমি সীমিত। এছাড়া হাওরাঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রতিবছর কিছু ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ সমস্যা মোকাবিলায় আগাম পরিপক্ব ধানের জাত উদ্ভাবন এবং পানিবেষ্টিত এলাকায় ধান কাটার উপযোগী প্রযুক্তি ও যন্ত্র নিয়ে গবেষণা চলছে।চট্টগ্রাম ফিশারি ঘাটের মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র স্থানীয় প্রভাবশালীদের নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়ার অভিযোগের বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি সরকার খতিয়ে দেখবে। অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইলিশের উৎপাদন কমে যাওয়া ও দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ঝাটকা সংরক্ষণ ও প্রজনন মৌসুমে মাছ ধরা বন্ধ রাখতে সরকার জেলেদের সহায়তা দিচ্ছে। পাশাপাশি তাদের বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাতে তারা দাদননির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেন। সরকারের লক্ষ্য দেশীয় চাহিদা পূরণের পাশাপাশি ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক বাজারেও ইলিশ রপ্তানি বৃদ্ধি করা।

বোয়ালখালীতে ১২০০ কৃষকের মাঝে বীজ ও সার বিতরন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায় ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে খরিপ-২ মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ১ হাজার ২০০ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে আমন ধান বীজ, রাসায়নিক সার, গ্রীষ্মকালীন সবজির বীজ, মরিচ বীজ, বিভিন্ন ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা এবং লেবুর চারা বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ এরশাদ উল্লাহ।তিনি বলেন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং কৃষকদের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে সরকারের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। কৃষকের কল্যাণ ও টেকসই কৃষি উন্নয়নে এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান ফারুকের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল হক, সদস্য শওকত আলম, বিএনপি নেতা ইছহাক চৌধুরী, নুরুন্নবী চৌধুরী, হামিদুল হক মন্নান মেহেদী হাসান সুজন সহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি কৃষক এক বিঘা জমির জন্য ৫ কেজি আমন ধান বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার এবং ১০ কেজি এমওপি সারসহ মোট ২৫ কেজি কৃষি উপকরণ পেয়েছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন কৃষককে ফলজ, ঔষধি ও বনজ গাছের চারা এবং মৌসুমি সবজির বীজও বিতরণ করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

এইচএসসি-সমমান প্রথমদিন অনুপস্থিত ২৪ হাজার ৭৮৪ পরীক্ষার্থী, বহিষ্কার -৭

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা মোট ১০ লাখ ২৪ হাজার ৯০৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ১০ লাখ ১২০ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ২৪ হাজার ৭৮৪ জন এবং অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার করা হয়েছে ৭ জনকে।০২ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকেলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এ তথ্য জানিয়েছে। দেশের ৯টি শিক্ষা বোর্ডে বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় নিবন্ধিত ৮ লাখ ৫৬ হাজার ৯৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নেন ৮ লাখ ৩৮ হাজার ৮৬৪ জন।

অনুপস্থিত ছিলেন ১৭ হাজার ২৩৩ জন। অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার করা হয়েছে ৫ জনকে। এর মধ্যে যশোর বোর্ডে ২ জন এবং কুমিল্লা, দিনাজপুর ও ময়মনসিংহ বোর্ডে একজন করে পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন।বোর্ডভিত্তিক অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা হলো—ঢাকা বোর্ডে ৩ হাজার ৯৭১, রাজশাহী বোর্ডে ২ হাজার ৪৯৭, কুমিল্লা বোর্ডে এক হাজার ৭৯৫, যশোর বোর্ডে দুই হাজার ৭৮, চট্টগ্রাম বোর্ডে এক হাজার ৩৪০, সিলেট বোর্ডে এক হাজার ১২৭, বরিশাল বোর্ডে এক হাজার ৩৪৬, দিনাজপুর বোর্ডে এক হাজার ৯৩৭ এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে এক হাজার ১৪২ জন।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আলিম পরীক্ষায় কুরআন মাজিদ বিষয়ে নিবন্ধিত ৮৫ হাজার ১৩১ জনের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৮০ হাজার ৬৫৩ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৪ হাজার ৪৭৮ জন এবং একজন পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন।কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের বাংলা-২ পরীক্ষায় নিবন্ধিত ৮৩ হাজার ৬৭৬ জনের মধ্যে অংশ নেন ৮০ হাজার ৬০৩ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৩ হাজার ৭৩ জন এবং বহিষ্কার করা হয়েছে একজনকে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ