চট্টগ্রামে পারিবারিক মন্দির ও সদস্যদের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

চট্টগ্রাম অফিস

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরীরতে পারিবারিক ভাবে নিয়মিত দেবদেবীর উদ্দেশ্যে নৈবদ্য প্রদান সহ পূজা অর্চণার সম্পাদনের স্থান শ্রী শ্রী মাতা কামরুপ কামাখ্যা মন্দিরের সাবেক পুরোহিত (সেবায়েত) উৎসব চক্রবর্তী নামের একব্যক্তিকে গুরুতর অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও প্রতারণার দায়ে পারিবারিক সিদ্ধান্তে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করায় সদস্য ও মন্দিরে আগত ভক্তদের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন, মানহানিকর ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য ভিডিও এবং অপপ্রচার ও অনলাইনে প্রচার করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মন্দিরের সদস্য ও ভক্তবৃন্দরা।গতকাল সকালে মন্দির প্রতিষ্ঠিত সদস্যদের নীজ ভবনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মন্দির প্রতিষ্ঠিতা মৃত সুনীল বরণ দেব এর সন্তান ডা: যীশুময় দেব।

এসময় সাংবাদিকদের লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি জানান, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে আমার পিতা আসামের নীলাপর্বতে অবস্তিত শক্তিপীঠ কামরূপ কামাখ্যা মায়ের মন্দির দর্শনে যান, সেসময় আমার পিতার ভক্তি বিশ্বাসে মায়ের কাছে প্রতিশ্রুতি দেন যে যুদ্ধ শেষে দেশ স্বাধীন হলে মাকে নিজের গৃহে প্রাণ প্রতিষ্টিত করে পূজো করবেন। পরবর্তীতে ২০০১ সালে নিজ জায়গায় মায়ের প্রতিষ্টা করেন। আমার পিতা স্বর্গীয় শ্রী সুনীল বরন দেব। পরে শ্রী শ্রী মাতা কামরূপ কামাখ্যা মন্দিরের নিত্য দিনে পূজার জন্য একজন পুরোহিতের মাধ্যমে নিত্য পূজা পাঠ চলে আসছে অনেক বছর ধরে।

এমতাবস্থায় ২০২২ সালে পুরোহিতের অনিয়ম অনৈতিক আচরন চুরি সহ নানা অপকর্ম প্রমানিত হলে কর্মরত পুরোহিত ইষান চক্রবর্তীকে মন্দির হতে অব্যহতি দেই। তিনি আরও জানান, উৎসব চক্রবর্তীকে আমি চিনতাম না। সে পূর্বে ইশান চক্রবর্তী মাধ্যমে মন্দিরে মাঝে মধ্যে পূজা করতে দেখতাম। ইশান চক্রবর্ত্তীকে তার কৃতকার্যের জন্য মন্দিরের পূজো হইতে অব্যহতি দিলে একদিন অভিযুক্ত উৎসব চক্রবর্তী আমার কাছে তার পারিবারিক অসচ্ছলতা, বাবা মারা গেছে কাকাতো ভাইয়ের কাছে মানুষ হয়েছে বলে জানায় এবং তার কাছে পূজাপাঠ শিখে এবং আমাদের মন্দিরে পুরোহিত হিসেবে চাকরি করার আগ্রহ প্রকাশ করে। সে এখন বেকার তার একটি চাকরি খুব প্রয়োজন বলে জানায়। তাই তার দারিদ্রতা ও মানবিক দৃষ্টি থেকে চিন্তা করে তাকে আমাদের পারিবারিক মন্দিরে নিত্য দিনের পূজা করতে মাসিক বেতনে নিয়োগ দিই।

তিনি আরও জানান, প্রথম কিছু দিন অভিযুক্ত
উৎসব চক্রবর্ত্তী নিয়মিত ও যতাযত পূজা অৰ্চনা করলেও, কিছুদিন যেতে না যেতে মন্দিরে আমার মাতা একাধিক বার উৎসব চক্রবর্ত্তী আচরনের বিষয়ে অভিযোগ দেন। তারপর উৎসব চক্রবর্ত্তী বিরুদ্ধে পুজোর অনিয়মসহ
নারীদের হেনস্তা ও ভক্তদের মনে ধর্মীয় আবেগে পূজি করে প্রতারনার কথা জানতে পারলে আমি প্রথম দিকে বিষয়টি এত গুরুত্ব না দিলে ভক্তবৃন্দরা বিষয়টি আমাকে গুরুত্ব দিয়ে দেখতে বলেন।

অভিযোগের পরে মন্দিরে তার অবস্থানকালে উৎসব চক্রবর্ত্তীর গতিবিধি সিসি ক্যামেরাই আমি নজরে আনি এবং দেখতে পাই যে, কোনো নারী ভক্ত মন্দিরে আসলে তার সাথে অশালীন আচরণ করতে থাকে। আমার মা উৎসব চক্রবর্ত্তীর বিষয়গুলো উল্লেখ করে তাকে মন্দির হতে চলে যেতে বললে আমার মায়ের উপর ক্ষিপ্ত হন। অনেক ভক্ত অভিযুক্ত উৎসব চক্রবর্ত্তীর বিরুদ্ধে তার অপকর্মের প্রমাণ দেন। সে মন্দিরে ঘটের জল ফুল বিপ্লপত্র বিক্রি করলে আমি তাকে হাতে নাতে ধরি এবং সতর্ক করি। এমনকি সে ভক্তদের কাছ হতে বিকাশে অর্থ নেবার অভিযোগ পাই।

আমাদের পারিবারিক মন্দির নিয়ম নীতি শৃংখলা ও সততার মধ্যে পারিবারিক ভাবে পরিচালিত হয়। তাই ভক্তদের সাথে কোন রকম ব্যবসা, প্রতারনা, বা অনৈতিকভাবে কাজ করার সুযোগ নেই। এছাড়ার আমাদের পারিবারিক মন্দির
সন্ধ্যারাতির পর মায়ের প্রধান দরজা বন্ধ থাকে তাই অন্ধকার জগতের কোন সুযোগ নেই। তিনি আরও বলেন, এক পর্যায়ে প্রতারক উৎসব চক্রবর্ত্তী আমাদের পারিবারিক নিয়ম নীতির কোন তোয়াক্কা না করে মন্দিরে তান্ত্রিকতা মাধ্যমে ভক্তদের সাথে পুনরায় প্রতরনা করতে থাকে। এমনকি তার প্রতারণার জন্য আমি তাকে আবার হাতে নাতে ধরি এবং তাকে শেষ বারের মতো সতর্ক করি। কিন্তু সেই তাও কোন গুরুত্ব দেই না।

এর মধ্যে জানতে পারি তার আপন কাকাতো ভাই কাজল চক্রবর্তীর স্ত্রীর সাথে সে পরকীয়য়া শুরু করে। বিষয়টি জানার পর আমি কাজল চক্রবর্তী আনিত অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য তাকে ডেকে বিষয়টা জানতে চাইলে সে এড়িযে যাবার চেষ্টা করে উল্টো তার ভাইের নামে অভিযোগ করেন। তাই বিষয়টা নিয়ে আমি কর্নপাত না করে আমরা পারিবারিকভাবে সিদ্ধান্ত নিই এবং তাকে চাকরি হতে অব্যাহতি দিই। বিষয়টি সে জানতে পেরে আমাকে নানান প্রকার ভয়ভীতি দেখাতে থাকেন ও অভিশাপ দেওয়ার ভয় দেখান। যেহেতু সে দারিদ্র সনাতনী হিন্দু ব্রাক্ষ্মন তাই অভিযুক্ত উৎসব চক্রবর্ত্তীকে তার দুমাসের পারিশ্রমিক অগ্রীম বুঝিয়ে দিয়ে বিদায় করি।

এসময় তিনি আরও বলেন, আমরা তাকে পারিবারিক সিদ্ধান্তে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করি ২০২২ সালে। এরপর গত ৮ জুন সকালে সামাজিক যোগাযোগে মাধায়ে একটি ভিডিও নজরে আসে। সেখানে দেখতে পাই ৩ বছর আগে বিদায় করা উৎসব চক্রবর্তী হঠাৎ করে কেন বা কি উদ্দেশ্য আমার ও আমার পরিবারিক মন্দিরকে নিয়ে কুৎসা, নোংরা কুঠক্তি প্রচার করছে। এছাড়া অভিযুক্ত উৎসব চক্রবর্ত্তী ভিডিওতে এমন কিছু কুরুচিপূর্ণ শব্দ প্রয়োগ করেছে যা আমার চিকিৎসার পেশায় এবং আমার ছোট ভাই এড. বিশুময় দেবের মানহানি ঘটে। পরে আমি গত ১৬ জুলাই কোতোয়ালী থানায় একটি সাধারন ডাইরি লিপিবদ্ধ করি। যাহার জিডি নং- ১৩৮৫। এছাড়া আমি সব রকমের প্রশাসনিক ভাবে আইনের আশ্রয় নিয়েছি যাতে তার যথাযথ বিচার ও শান্তি হয়। তার ফেসবুক আইডি পোষ্টটি প্রশাসনের কাছে দিয়েছি। তার ভিডিও বার্তা সত্য মিথ্যা যাচাই বাচাই করার জন্য এবং আমরা ডিজিটাল সাইবার আইনে মামলা করার প্রস্তুতি নিয়েছি, পুলিশ প্রশাসন এই ব্যাপারে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

এছাড়া উৎসব চক্রবর্তী সাথে যারা যারা জড়িত হয়ে মিথ্যা ও সাইবার ছলিং করেছেন তাদের সকলকে আইনের আওতায় এনে প্রশাসন যথাযোগ্য শাস্তির ব্যবস্থা করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানান ডা: যীশুদেব। একই সঙ্গে সকল সনাতনী পরিবারকে বিশেষভাবে অনুরোধ করেন এবং ধর্মীয় ও সামাজিক নিরাপত্তার স্বার্থে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করার জন্য সকলের প্রতি বিনীত জানান। এসময় সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, এড. বিশুময় দেব, নেভী দাশ অথৈ, সম্পদ চক্রবর্তী ও সঞ্জয় চক্রবর্তী সহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মার্গের সামনে নিহত ছাত্রী মাইশার মায়ের আহাজারি : ‘আমার মাইশা’ কই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মার্গের সামনে মাইশার মা সালমা বেগম কেবল চিৎকার করে বারবার ডাকছিলেন মেয়েকে। ‘আমার মাইশা, আমার ঝি। কখনো আহাজারি, কেন এমন হলো!’ মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে চমেক হাসপাতালে শুধু সালমা বেগম নয়, মাইশার সহপাঠী শিক্ষার্থীরাও কান্নায় ভেঙে পড়েন। তারা কোনোভাবেই মাইশার এমন মৃত্যু মেনে নিতে পারছিলেন না।

মাইশা আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্য বিভাগের দ্বিতীয় সেমিস্টারের ছাত্রী। বাড়ি মিরসরাইয়ের বড়তাকিয়া এলাকায়। সেখান থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া আসা করতেন। সকালে সীতাকুণ্ডের কুমিরায় ক্যাম্পাসের সামনে বাসচাপায় মারা যান। মাইশার সঙ্গে কিছুক্ষণ আগেও সহপাঠীদের কথা হয়েছিল।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএ কো-অর্ডিনেটর জাহেদ হোসেন ভূঁইয়া জানিয়েছেন, ক্লাস বাতিল হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে ফিরে যাচ্ছিলেন মাইশা ও তার এক বান্ধবী। বাসের জন্য দাঁড়িয়েছিলেন তারা। তাদের তোলার জন্য একটি বাস দাঁড়ায়। ওই মুহূর্তে পাশ থেকে একটি লরি বাসটিকে ধাক্কা দেয়। এতে বাসটি উল্টে দুই শিক্ষার্থীর গায়ের ওপর পড়ে। হাসপাতালে মাইশাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

মাইশার বান্ধবী রাজিয়া বেগম সামান্য চোট পেয়েছেন। তার বাড়িও মিরসরাইয়ে। কিন্তু এমন ঘটনায় রাজিয়া হতভম্ব। তাকে ফেনীর বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে মিরসরাই থেকে হাসপাতালে ছুটে আসেন মা সালমা বেগম। তিনি এসে দেখেন সব শেষ। এরপর আহাজারি করতে থাকেন সালমা বেগম।

কয়েক বছর আগে মাইশার বাবা মারা যান। দুই ভাইবোনের মধ্যে মাইশা বড়। নিজেকে যোগ্য করে গড়ে তোলার চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন। পড়ালেখা শেষ করে মা ও একমাত্র ভাইয়ের দায়িত্ব নেওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। সেই স্বপ্ন মুহূর্তেই ধূলিসাৎ হয়ে গেল একটি সড়ক দুর্ঘটনায়। মাইশার মা কীভাবে নিজেকে সান্ত্বনা দেবেন।

এদিকে, এই ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে শিক্ষার্থীদের অবরোধ চলছে। দুপুর দেড়টায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অবরোধ চলছিল। শিক্ষার্থীরা পাঁচ দফা দাবি দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়য়ের ছাত্রী দূর্ঘটনায় মৃত্যু, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সড়ক দুর্ঘটনায় আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিরা এলাকা অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা।আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাস্তা পারাপারের সময় বিশ্ববিদ্যালয় ফটকের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় মাইশা মুশফিরাত (২১) নামে এক শিক্ষার্থী মারা যান। আহত হন তার দুই সহপাঠী।নিহত মাইশা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ছিলেন। আহত দুজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর।
স্থানীয়দের বরাতে বারআউলিয়া হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট শফিউল আলম জানান, সকালে দুটি লরি পরস্পরকে ওভারটেক করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায়। একটি লরি ৮ নম্বর রুটের একটি লোকাল বাসকে ধাক্কা দিলে বাসটি উল্টে গিয়ে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা তিন শিক্ষার্থীকে চাপা দেয়। এতে তারা গুরুতর আহত হন। তাদেরকে চমেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে মাইশাকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান ইভা জানান, দুর্ঘটনার শিকার তিন শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য সকালে ক্যাম্পাসে আসছিলেন।সার্জেন্ট শফিউল জানিয়েছেন, এ ঘটনায় জড়িত দুটি লরি এবং বাস জব্দ করা হয়েছে।
চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার জানান, আহত অবস্থায় হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসক ওই শিক্ষার্থীকে মৃত ঘোষণা করেন।এদিকে দুর্ঘটনার খবর জানার পর প্রতিবাদে মহাসড়কের দুই পাশ অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। ফলে দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে অবরোধের কারণে উভয়পাশে কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়েছে।

এ সময় পাঁচদফা দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। সেগুলো হলো ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চালককে গ্রেপ্তার, তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া, ডিপোর অবৈধ পার্কিং বন্ধ করা, ক্যাম্পাস ফটকে ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ এবং ক্ষতিপূরণ দেওয়া।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ