আজঃ শুক্রবার ২৬ জুন, ২০২৬

স্বাস্থ্য খাতের চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বেসরকারি হাসপাতাল মালিকদের আলোচনা

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর কার্যক্রম আরও গতিশীল করা, রোগীবান্ধব ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং স্বাস্থ্য খাতের বিদ্যমান সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে চট্টগ্রাম প্রাইভেট হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিকস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।২২ জুন (সোমবার) দুপুর ২টায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালের সভাকক্ষে সংগঠনের সদস্যদের উপস্থিতিতে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ও মেট্রোপলিটন হাসপাতাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান ডা. এ.কে.এম. ফজলুল হক।

সভায় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি ও পার্কভিউ হাসপাতাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. এ.টি.এম. রেজাউল করিম, অর্থ সম্পাদক ডা. মোহাম্মদ ইউসুফ, সহ-সভাপতি ও এপিক হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার এস. এম. লোকমান কবির, সেভরন ক্লিনিক্যাল ল্যাবের ম্যানেজার পুলক পারিয়াল, ন্যাশনাল হাসপাতালের হসপিটাল ডিরেক্টর ডা. আনোয়ার, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও এশিয়ান স্পেশালাইজড হাসপাতালের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন আলীসহ সংগঠনের বিভিন্ন সদস্য।সভায় বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর কার্যক্রম আরও কার্যকর করা, সদস্যদের স্বার্থ সংরক্ষণ, রোগীবান্ধব সেবা নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

এ সময় সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কয়েকটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সাজিনাজ হাসপাতাল এবং চট্টগ্রামের বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে দালিলিক প্রমাণ ছাড়া ‘ভুল চিকিৎসাজনিত শিশু মৃত্যু’ শিরোনামে একপাক্ষিক তথ্য প্রচারের বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসে। সভায় অংশগ্রহণকারীরা বলেন, এ ধরনের প্রচারণা সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সুনাম ক্ষুণ্ন করছে এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।

বক্তারা স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং রোগীদের আস্থা অর্জনে বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর মধ্যে সমন্বয়, জবাবদিহিতা ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর, চিকিৎসক সমাজ এবং বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় বাড়ানোর আহ্বান জানান।সভা শেষে সংগঠনের সার্বিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও জনকল্যাণমুখী করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সদস্যরা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

উন্নত নগরীর অন্যতম পূর্বশর্ত কার্যকর যোগাযোগ ব্যবস্থা : চসিক মেয়র শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, একটি উন্নত নগরীর অন্যতম পূর্বশর্ত কার্যকর যোগাযোগ ব্যবস্থা। সড়ক উন্নয়নের ফলে শুধু যাতায়াত সহজ হয় না, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও সম্প্রসারিত হয়। এ কারণে নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে প্রয়োজনভিত্তিক উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে সিটি কর্পোরেশন।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম মহানগরীর ৩৫ নম্বর বক্সিরহাট ওয়ার্ডের শহীদ এনএমএমজে ডিগ্রি কলেজ সড়ক ও রাজাখালী সড়কের উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মেয়র বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ও জরাজীর্ণ অবস্থায় থাকা নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর উন্নয়নে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করছে সিটি কর্পোরেশন। এসব সড়কের উন্নয়নের মাধ্যমে নাগরিকদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, অবকাঠামোগত উন্নয়নের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষকে নানা ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষের চলাচল ছিল কষ্টসাধ্য। জনগণের দুর্ভোগ কমানো এবং এলাকার সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্যে এসব সড়কের উন্নয়ন কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে।

ডা. শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, চট্টগ্রামকে ক্লিন, গ্রিন, হেলদি, সেফ অ্যান্ড স্মার্ট সিটি হিসেবে গড়ে তুলতে অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি নাগরিক সেবার মানোন্নয়নেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও পরিকল্পনার ভিত্তিতে উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।

ভাঙ্গুড়ায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ উপলক্ষে অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার,
বিশেষ প্রতিনিধিঃ পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলা তে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ উপলক্ষে অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ২৫ জুন সকাল ১১টায় জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ভাঙ্গুড়ার বাস্তবায়নে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হালিমা খানম-এর সভাপতিত্বে এবং স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মোঃ নুরুল হক-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আরিফুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভূমি) মিজানুর রহমান।সভায় বক্তারা শিশুদের অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব প্রতিরোধ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের গুরুত্ব তুলে ধরে ক্যাম্পেইন সফল করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

এ সময় বক্তব্য রাখেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. সাব্বির হোসেন, এছাড়াও প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।সভাপতির বক্তব্যে ডা. হালিমা খানম জানান, চলতি বছরের জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনে উপজেলার ৬ টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় একটি স্থায়ী কেন্দ্র এবং ১২০টি অস্থায়ী কেন্দ্র সহ মোট ১২১টি কেন্দ্রে একযোগে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

এর মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ২ হাজার ১৮৫ জন শিশুকে লাল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ১৪ হাজার ৩২৭ জন শিশু কে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, উপজেলায় মোট ১৬ হাজার ৫১২ জন শিশু কে এ ক্যাম্পেইনের আওতায় আনা হবে এবং শতভাগ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ