সরকারের ২৫টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কাছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) পৌরকর (হোল্ডিং ট্যাক্স) ১৯৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে। এই আর্থিক সংকটের কারণে সিটি কর্পোরেশনের নাগরিকসেবা, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হচ্ছে বলে দাবি মেয়রের। তবে পৌরকর আটকে থাকা দপ্তরগুলোর কর্মকর্তাদের দাবি, মন্ত্রণালয়গুলো থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ না থাকায় এর অধীন সরকারি দপ্তরগুলো চসিকের এই বিশাল অঙ্কের কর পরিশোধ করতে পারছে না।
এদিকে পৌরকর আদায়ে ২৫ মন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। আটকে থাকা ১৯৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকা আদায়ে প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বরাবর তার এই আধাসরকারি (ডিও) চিঠি।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠিতে মেয়র বলেছেন, চসিকের আয়ের মূল উৎস পৌরকর। এই টাকা থেকেই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন, আবর্জনা অপসারণ, সড়ক আলোকায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া এবং জলাবদ্ধতা নিরসনের মতো বহুমুখী উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সিংহভাগ ব্যয় নির্বাহ করা হয়। চিঠিতে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তরের কাছে ২০২৫-২৬ অর্থবছর পর্যন্ত বকেয়া ২ কোটি ২৬ লাখ বকেয়া পরিশোধের জন্য বিশেষ বাজেট বরাদ্দ মঞ্জুরির অনুরোধ জানানো হয়েছে। একইভাবে বাকি ২৪টি মন্ত্রণালয়েও চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে চসিকের রাজস্ব বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।
চসিকের রাজস্ব বিভাগের নথি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, মোট ১৯৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকা পাওনার সিংহ ভাগই আটকে আছে মাত্র তিনটি বড় মন্ত্রণালয়ের কাছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সবচেয়ে বড় দেনাদার হলো রেলপথ মন্ত্রণালয়। এই মন্ত্রণালয়ের কাছে মোট পাওনা ১১৩ কোটি ২৭ লাখ টাকা। রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মো. সুবক্তগীন বললেন, দুটিই সরকারি প্রতিষ্ঠান। মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ পেলে গৃহকর পরিশোধ করা হবে।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ হোল্ডিং ট্যাক্স আটকে আছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কাছে। পাওনা প্রায় ৩০ কোটি টাকা। বকেয়া আদায়ের চিঠি সম্পর্কে জানতে কথা হয় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সঙ্গে। তিনি বললেন, প্রতিটি মন্ত্রণালয়ে বকেয়া আদায়ের জন্য এরই মধ্যে চিঠি পাঠিয়েছি। সরকারের জাতীয় বাজেট ঘোষণার আগেই আমরা এই চিঠিগুলো পাঠিয়েছি, যাতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো তাদের বার্ষিক বাজেটে চসিকের এই পৌরকর পরিশোধের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ রাখতে পারে। যেভাবে আমরা চট্টগ্রাম বন্দরের পেছনে লেগে থেকে ন্যায্য পাওনা আদায় করেছি, একইভাবে এই ২৫টি মন্ত্রণালয়ের বকেয়া ১৭৭ কোটি টাকা আদায়েও আমি শতভাগ চেষ্টা চালিয়ে যাব।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) পৌরকর (হোল্ডিং ট্যাক্স) ১৯৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে। এই আর্থিক সংকটের কারণে সিটি কর্পোরেশনের নাগরিকসেবা, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হচ্ছে বলে দাবি মেয়রের। তবে পৌরকর আটকে থাকা দপ্তরগুলোর কর্মকর্তাদের দাবি, মন্ত্রণালয়গুলো থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ না থাকায় এর অধীন সরকারি দপ্তরগুলো চসিকের এই বিশাল অঙ্কের কর পরিশোধ করতে পারছে না।
এদিকে পৌরকর আদায়ে ২৫ মন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। আটকে থাকা ১৯৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকা আদায়ে প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বরাবর তার এই আধাসরকারি (ডিও) চিঠি।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠিতে মেয়র বলেছেন, চসিকের আয়ের মূল উৎস পৌরকর। এই টাকা থেকেই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন, আবর্জনা অপসারণ, সড়ক আলোকায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া এবং জলাবদ্ধতা নিরসনের মতো বহুমুখী উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সিংহভাগ ব্যয় নির্বাহ করা হয়। চিঠিতে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তরের কাছে ২০২৫-২৬ অর্থবছর পর্যন্ত বকেয়া ২ কোটি ২৬ লাখ বকেয়া পরিশোধের জন্য বিশেষ বাজেট বরাদ্দ মঞ্জুরির অনুরোধ জানানো হয়েছে। একইভাবে বাকি ২৪টি মন্ত্রণালয়েও চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে চসিকের রাজস্ব বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।
চসিকের রাজস্ব বিভাগের নথি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, মোট ১৯৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকা পাওনার সিংহ ভাগই আটকে আছে মাত্র তিনটি বড় মন্ত্রণালয়ের কাছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সবচেয়ে বড় দেনাদার হলো রেলপথ মন্ত্রণালয়। এই মন্ত্রণালয়ের কাছে মোট পাওনা ১১৩ কোটি ২৭ লাখ টাকা। রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মো. সুবক্তগীন বললেন, দুটিই সরকারি প্রতিষ্ঠান। মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ পেলে গৃহকর পরিশোধ করা হবে।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ হোল্ডিং ট্যাক্স আটকে আছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কাছে। পাওনা প্রায় ৩০ কোটি টাকা। বকেয়া আদায়ের চিঠি সম্পর্কে জানতে কথা হয় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সঙ্গে। তিনি বললেন, প্রতিটি মন্ত্রণালয়ে বকেয়া আদায়ের জন্য এরই মধ্যে চিঠি পাঠিয়েছি। সরকারের জাতীয় বাজেট ঘোষণার আগেই আমরা এই চিঠিগুলো পাঠিয়েছি, যাতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো তাদের বার্ষিক বাজেটে চসিকের এই পৌরকর পরিশোধের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ রাখতে পারে। যেভাবে আমরা চট্টগ্রাম বন্দরের পেছনে লেগে থেকে ন্যায্য পাওনা আদায় করেছি, একইভাবে এই ২৫টি মন্ত্রণালয়ের বকেয়া ১৭৭ কোটি টাকা আদায়েও আমি শতভাগ চেষ্টা চালিয়ে যাব।