বোয়ালখালীতে লবণ কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ দুজন মৃত্যুর কাছে হার মেনেছেন। গত বৃহস্পতিবার রাতে তারা রাতে মারা গেছেন। এই ঘটনায় আশঙ্কাজনক আরও তিনজন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন। মারা যাওয়া দুজন হলেন দিদারুল আলম (৩২) ও মো. আলম (৪৫)। দিদারের বাড়ি বোয়ালখালী আর আলম পটিয়ার হুলাইনের বাসিন্দা। দিদারের শরীরের ৯০ ভাগ ও অপরজনের ৬৫ ভাগ পুড়ে গেছে।এর আগে গত বৃহস্পতিবার বোয়ালখালীর কনফিডেন্স লবণ কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১০ জন দগ্ধ হয়েছিলেন। বৈদ্যুতিক গোলযোগ থেকে আগুন লাগে। আহতদের প্রথমে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
চমেক হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. এস খালেদ জানান, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দিদার ও আলম মারা যায়। তিনজন আইসিইউতে আছে। তারা হলেন মাহমুদুল হক, উজ্জ্বল ও নূর নবী।
যে তিনজন আইসিইউতে চিকিৎসা নিচ্ছেন তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। এই তিনজনের শরীরের ৬০ থেকে ৬৫ ভাগ পুড়ে গেছে। অপর তিনজনকে কারখানা কর্তৃপক্ষ ঢাকায় নিয়ে গেছে। ওই তিনজনেরও শরীরের ১৫ থেকে ৪০ ভাগ পুড়ে গেছে। তারা হলেন লিটন, জাহিদ ও সেলিম।