বাসযোগ্য নগরী গড়তে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই : সিডিএ চেয়ারম্যান

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরও সবুজ, নান্দনিক ও বাসযোগ্য নগর হিসেবে গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন সিডিএ চেয়ারম্যান সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন। মঙ্গলবার সিডিএ প্রকল্প এলাকায় একটি নারিকেল ও একটি তালগাছের চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, শুধু গাছ লাগালেই দায়িত্ব শেষ হয় না; প্রতিটি চারাকে পূর্ণাঙ্গ বৃক্ষে পরিণত করতে নিয়মিত পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ১৮০ দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজ নগর গড়ে তোলার লক্ষ্যে ২৮ হাজার বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নিয়েছে সিডিএ। এর অংশ হিসেবে কর্ণফুলী নদীর তীর বরাবর কালুরঘাট সেতু থেকে চাক্তাই খাল পর্যন্ত সড়ক নির্মাণ প্রকল্প এলাকায় ১৪ হাজার বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, এলাকায় ইতোমধ্যে প্রায় আড়াই হাজার বৃক্ষ রোপণ করা হয়েছে। বন বিভাগের সহযোগিতায় এখানে আরও ১৪ হাজার বৃক্ষ রোপণ করা হবে। এছাড়া ২৮ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অবশিষ্ট গাছগুলো সিডিএর বিভিন্ন প্রকল্প ও এলাকায় পর্যায়ক্রমে রোপণ করা হবে।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে সিডিএর সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ নূরুল্লাহ নুরী (অতিরিক্ত সচিব), সদস্য ও প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো. জামিলুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী আহমেদ আনোয়ারুল নজরুল, প্রকল্প পরিচালক রাজীব দাশসহ সিডিএর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন বলেন, উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণ নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণ ও কার্যকর পরিচর্যার মাধ্যমে নগরের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রতিটি গাছের যথাযথ পরিচর্যার মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই নগর গড়ে তোলার লক্ষ্যে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার নির্দেশনা দেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঘুমন্ত স্বামীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, স্ত্রী-শাশুড়ি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় মাদ্রাসার মাঠে ঘুমন্ত অবস্থায় কামাল হোসেন (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার সাবেক স্ত্রী, শাশুড়ি ও শ্যালকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নিহতের সাবেক স্ত্রী তানিয়া (৪০) ও শাশুড়ি করফুলের নেছাকে (৫৮) আটক করেছে পুলিশ।

সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী সুধারাম মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তুষ্ট লাল। এর আগে রোববার রাত ১১টার দিকে সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব দুর্গানগর গ্রামের মোহাম্মদিয়া নুরানী মাদ্রাসার মাঠে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত কামাল সুবর্ণচর উপজেলার চরজব্বর ইউনিয়নের খলিলুর রহমানের ছেলে। তার সাবেক স্ত্রী তানিয়া সদর উপজেলার পূর্ব দুর্গানগর গ্রামের আমজাদ হাজী মসজিদ বাড়ির আমির হোসেনের মেয়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জুয়া খেলায় আসক্তি নিয়ে কামালের সঙ্গে তানিয়ার পারিবারিক কলহ ছিল। এর জেরে পাঁচ-ছয় বছর আগে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। তবে বিচ্ছেদের পরও কামাল তার সাবেক স্ত্রীকে কাজে যাওয়া-আসার পথে বিরক্ত করতেন। কিছুদিন আগে কামাল সাবেক স্ত্রীর বাড়িতে আসেন। তবে শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে বাড়িতে জায়গা দেননি। এরপর থেকে তার মেয়েকে দেখতে তিনি শ্বশুর বাড়ির পাশের মোহাম্মদিয়া নুরানী মাদ্রাসার মাঠে মাথার নিচে ইট দিয়ে ঘুমাতেন।

পুলিশ জানায়, গত শনিবার ওই মাদ্রাসার মাঠে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কামাল ইট দিয়ে তার সাবেক শ্বশুর আমির হোসেনকে মারধর করে আহত করেন। এ ঘটনার জেরে পরদিন রোববার ঢাকা থেকে আসেন কামালের শ্যালক আকাশ (২০)। এরপর রোববার রাত ১১টার দিকে মাদ্রাসার মাঠে ঘুমন্ত কামালকে তার স্ত্রী তানিয়া, শাশুড়ি করফুলের নেছা ও শ্যালক আকাশ কামালের পেটের বাম পাশে, পিঠে, মাথায়, হাতে ও বাম উরুতে ছরিকাঘাত করে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় নিহতের সাবেক স্ত্রী ও শাশুড়িকে আটক করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বার্তা প্রেরক
গিয়াস রনি
মু.০১৬৭৬-৬৯৮৬২৬, নোয়াখালী।

টেকনাফে  মিশুক গাড়ির ধাক্কায় নায়িকার মেকআপম্যান আহত, চালক আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নে একটি চলচ্চিত্রের শুটিং চলাকালে রাস্তা পার হওয়ার সময় দ্রুতগামী মিশুক গাড়ির ধাক্কায় রাকিব নামে এক নায়িকার পার্সোনাল মেকআপম্যান গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনার পর স্থানীয় জনতা ঘাতক গাড়িটিসহ চালককে আটক করে অবরুদ্ধ করে রাখে।

 জানা যায়, বাহারছড়ার মাথাভাঙ্গা এলাকায় পরিচালক ইকবাল হোসেনের একটি নতুন চলচ্চিত্রের শুটিং চলছিল। শুটিংয়ের বিরতিতে কাজ শেষে রাস্তা পার হওয়ার সময় হঠাৎ একটি বেপরোয়া গতির মিশুক অটো গাড়ি তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মেকআপম্যান রাকিব ছিটকে রাস্তায় পড়ে গিয়ে মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর আঘাত পান।

​দুর্ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে শুটিং ইউনিট ও স্থানীয় লোকজন তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে চিকিৎসকরা তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দিচ্ছেন। তবে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, রোগীর পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে সুনির্দিষ্টভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।

​এদিকে বেপরোয়া ড্রাইভিংয়ের কারণে ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনার পর স্থানীয় এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং ঘটনাস্থল থেকেই মিশুক গাড়িটিসহ চালককে আটক করে রাখেন। জানা গেছে, ঘটনাস্থলে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দেখা যায়নি। তবে এলাকার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন এবং জানান যে, আহত ব্যক্তির চিকিৎসাকাজ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ