

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জের দিঘলী ইউনিয়নে এক বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ফারুক হোসেন, আকরাম হোসেন,| মহিন উদ্দিন, নাজমুল হোসেন, আরমান হোসেন, আমির হোসেন মুন্সি,আরিফ হোসেনসহ অজ্ঞাত নামা ৪/৫ জনের বিরুদ্ধে।

গত সোমবার (৩ আগস্ট) রাতে দিঘলী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে এই ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী মেহেদী হাসান বাবু রমাপুর গ্রামের ইউনুছ মাষ্টারের বাড়ির গ্রামের বাসিন্দা ও অভিযুক্তরা ০৮ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে স্থানীয় সাইদুর রহমান মিলনের সাথে প্রতিপক্ষের বিরোধ চলছিল। সাইদুর রহমান চাকুরীর সুবাদে চট্টগ্রামে বসবাস করায় তাঁর ভবনটির দেখভাল ও কেয়ারটেকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন মেহেদী হাসান বাবু ও তাঁর ভাই আব্দুর রহিম।

বিরোধের জের ধরে গত সোমবার গভীর রাতে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্ নিয়ে ওই ভবনে হামলা চালায়। হামলাকারীরা ভবনের নিচতলার থাই গ্লাসের ১০টি জানালা ভাঙচুর করে। পরে জানালার গ্রিল ও দরজার চৌকাঠে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়।
ভুক্তভোগী মেহেদী হাসান বাবু জানান, অভিযুক্তরা বাড়িঘর ভাংচুর করতে এলে আমরা বাঁধা দেই। এতে হামলাকারীরা আমাদের আগুনে পুড়িয়ে হত্যার হুমকি দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয় ।
ভুক্তভোগী আরও জানান, স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও ভবনের আসবাবপত্র, জানালা ও দরজার চৌকাঠ পুড়ে আনুমানিক ৫ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।উপায়ন্তর নাদেখে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কলের পর চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। এদিকে অভিযুক্ত ফারুক হোসেনকে একাধিক বার মুঠোফোনে কল করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
চন্দ্রগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আব্দুর রব বলেন,একটি বাড়িতে হামলার ঘটনা শুনে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় কেয়ারটেকার মেহেদী হাসান বাবু বাদী হয়ে ৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে চন্দ্রগঞ্জ থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন।