মিয়ানমার থেকে আসছিল চালান চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে সাড়ে ১২ কোটি টাকার ইয়াবাসহ গ্রেফতার-২

চট্টগ্রাম ব্যুরো

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মিয়ানমারের বিভিন্ন এলাকা থেকে ইয়াবার চালান সংগ্রহ করে একটি চক্র চট্টগ্রামে পাচারের চেষ্টা করছিল। চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে কোস্ট গার্ডের বিশেষ অভিযানে ওই চক্রের ২ লাখ ৫০ হাজার ইয়াবাসহ দুই সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় ইয়াবা পাচারে ব্যবহৃত একটি বোটও জব্দ করা হয়। সোমবার (১০ আগষ্ট) বিকেলে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, জব্দ করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ১২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। সংঘবদ্ধ মাদক চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা গেছে, সোমবার ভোর রাতের দিকে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙর সমুদ্র এলাকায় অপারেশন সমুদ্র প্রহরায় নিয়োজিত কোস্ট গার্ড জাহাজ কুতুবদিয়া ও আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানের সময় ওই এলাকায় একটি সন্দেহজনক বোটকে থামার সংকেত দেওয়া হয়। তবে বোটটি সংকেত অমান্য করে দ্রুতগতিতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে কোস্ট গার্ডের সদস্যরা ধাওয়া করে সেটিকে আটক করেন। পরে বোটটিতে তল্লাশি চালিয়ে ২ লাখ ৫০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

কোস্ট গার্ড জানায়, আটক ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, একটি সংঘবদ্ধ মাদক চক্র মিয়ানমারের বিভিন্ন এলাকা থেকে ইয়াবার চালান সংগ্রহ করে চট্টগ্রামে পাচারের চেষ্টা করছিল। দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে মাদকের এই বড় চালান সম্পর্কে তথ্য পেয়ে অভিযান চালানো হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

হাসির আড়ালে জমা কান্না: অভাবের সংসারে ভালো থাকার লড়াই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

​পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর অদম্য চেষ্টা আর নিজের সব কষ্টকে বুকচাপা দীর্ঘশ্বাসে লুকিয়ে রাখার এক বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছেন তাওলাদ হোসেন। তাঁর লেখা ‘অভাব’ শিরোনামের এই হৃদয়ছোঁয়া রচনাটি ফুটিয়ে তুলেছে পুরুষদের জীবনের এক নির্মম ও নিঃসঙ্গ সত্য। সমাজ সাধারণত ধরে নেয় ছেলেদের মন খারাপ বা কষ্টের কোনো অনুভূতি নেই, তাদের রয়েছে কেবল দায়িত্বের পাহাড়। কিন্তু সত্য এর চেয়ে অনেক বেশি বেদনার। কখনো পকেটে শূন্যতা আর কখনো মনে ভালোবাসার আকাল গ্রাস করলেও তারা তা প্রকাশ করতে পারেন না।

ছোটবেলা থেকেই পুরুষদের মনে এই কথা গেঁথে দেওয়া হয় যে ছেলেরা কাঁদে না। এই সামাজিক ট্যাবু ও পরিবারের হাসিমুখ দেখার গুরুদায়িত্ব কাঁধে নিয়ে তারা তিলে তিলে ক্ষয় হন। জুতার তলা ক্ষয়ে যাওয়া কিংবা পুরোনো হয়ে যাওয়া শার্টটা গায়ে জড়িয়েই তারা কাটিয়ে দেন বছরের পর বছর। নিজের জন্য কিছু চাওয়ার অধিকার যেন তাদের জন্ম থেকেই কেড়ে নেওয়া হয়েছে। স্ত্রী সন্তানের বায়না মেটাতে গিয়ে নিজের পেটের ক্ষুধা কিংবা মনের শখকে গলা টিপে হত্যা করার নামই বুঝি মধ্যবিত্তের পুরুষ।
​
পরিবারের অন্ন ও সুরক্ষার জোগান দিতে গিয়ে নিজের শখ-আহ্লাদ বিসর্জন দেওয়া, দিনের আলোয় সবার সামনে হাসিমুখে ঘুরে বেড়ানো আর গভীর রাতে বালিশে মুখ গুঁজে নীরব কান্নায় ভিজে যাওয়া—এটাই তাদের নিত্যদিনের সঙ্গী। সকালে উঠে পরিবারের সবার চোখের দিকে তাকিয়ে কৃত্রিম হাসিতে বলা, “আমি ঠিক আছি।”
দিনের ব্যস্ততা শেষে যখন চারপাশ নিস্তব্ধ হয়ে আসে, তখন এই মানুষগুলোই ছাদের কোণায় কিংবা অন্ধকারের সাথে কথা বলেন। সারাদিনের জমিয়ে রাখা ক্লান্তি আর হাজারো অপমানের দীর্ঘশ্বাস তখন চোখের জল হয়ে ঝরে পড়ার স্বাধীনতাটুকুও তাদের থাকে না। কারণ, তারা জানেন—সকালে উঠেই এই মানুষগুলোকেই আবার সাহস জোগাতে হবে।
​
মূলত, ছেলেরা আসলেই ভালো থাকেন না; পরিবারের মানুষগুলোকে ভালো রাখার তাগীদে তারা জীবনভর শুধু ভালো থাকার এক নিখুঁত অভিনয় করে যান। পুরুষদের এই নীরব আত্মত্যাগ ও মানসিক সংগ্রামের গল্পটি সমাজের প্রতিটি মানুষের মনে গভীর দাগ কাটবে বলেই প্রত্যাশা। ​অভাবের এই যাতাকলে পিষ্ট হয়েও যারা পরিবারের জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন, তাদের প্রতি সহমর্মিতা ও সম্মান জানানো আমাদের সমাজের প্রতিটি মানুষের নৈতিক দায়িত্ব।

সুনামগঞ্জে এনসিপি নেতার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শাহীন কাদির নামের এক এনসিপি নেতার ঝুলন্ত মরদেহ সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ধর্মপাশা গ্রামের নিজ বসতঘর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ