চট্টগ্রামে গ্যাস সংকটে পথে পথে ভোগান্তি

বিভিন্ন এলাকায় চুলা জ্বলছে না, রান্না না করতে পেরে বিপাকে মানুষ

ডেস্ক নিউজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে গ্যাসের সংকটে সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ সারি তৈরি হওয়ায় রাস্তায় নেমেছে কমসংখ্যক অটোরিকশা। যেগুলো চলছে, তারাও বাড়তি ভাড়া হাঁকছে। একই সঙ্গে গ্যাসচালিত গণপরিবহনেও গাড়ির সংখ্যা কমেছে। ফলে মোড়ে মোড়ে গাড়ির অপেক্ষায় মানুষের জটলা বেড়েছে। কোনো কোনো রুটে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়েও বেশি টাকা নেওয়ার অভিযোগ করছেন যাত্রীরা।


তবে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়েও সিএনজি ফিলিং স্টেশন থেকে গ্যাস সংগ্রহ করতে পারছেনা চালকরা। একেক জন চালক ছয় সাত ঘণ্টা ধরে সিএনজি ফিলিং স্টেশনের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, নগরের টাইগারপাস, আগ্রাবাদ, বহদ্দারহাট, হালিশহর ও ষোলশহর এলাকায় সকাল থেকে যাত্রীরা যানবাহন না পেয়ে ভোগান্তিতে পড়ে।
কোথাও বাসের অপেক্ষায় দীর্ঘ সারি, কোথাও সিএনজি অটোরিকশার জন্য হন্যে হয়ে ঘুরছেন যাত্রীরা। গ্যাসচালিত বাসে উঠতে পারলেও অনেক যাত্রীর অভিযোগ, নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে বাড়তি টাকা চাওয়া হচ্ছে।

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী সাইফুল ইসলাম বললেন, বাসে উঠতে পারছি না, সিএনজিচালিত অটোরিকশা নিলে বেশি ভাড়া। অফিসে যেতে দেরি হচ্ছে, খরচও বাড়ছে। গ্যাসের সংকট যে এভাবে রাস্তায় এসে পড়বে, ভাবিনি।ফিলিং স্টেশনগুলোর সামনের চিত্রও একই। এখানে যাত্রী নয়, গন্তব্যের অপেক্ষায় সারিবদ্ধ অটোরিকশা। কয়েকটি স্টেশনে দেখা গেছে সড়কজুড়ে দীর্ঘ লাইন, চালকদের কেউ দুই ঘণ্টা, কেউ ঘন্টার পর ঘন্টা ধরে অপেক্ষা করছেন।

ষোলশহরের একটি ফিলিং স্টেশনে কথা হয় চালক জাকির হোসেনের সঙ্গে। সকাল সাড়ে সাতটায় লাইনে দাঁড়িয়েছেন তিনি। বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্তও গ্যাস পাননি। জাকির বলেছেন, এক জায়গায় গ্যাস নেই, আরেক জায়গায় চাপ কম। ঘুরতে ঘুরতে এখানে এসেছি। এখন চার ঘণ্টা ধরে দাঁড়িয়ে আছি। এই সময়টায় তো যাত্রী নিয়ে রাস্তায় থাকার কথা।
স্টেশন মালিকরা জানিয়েছেন, জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ লাইনে গ্যাসের চাপ বা প্রেসার মারাত্মকভাবে কমে গেছে। চাপ যখনই সামান্য বাড়ে, তখনই পাম্প চালু করা হয়, আবার কমে গেলে বন্ধ করে দিতে বাধ্য হন তারা।

চালকদের হিসাবে, গ্যাস নিতে প্রতিদিন কয়েক ঘণ্টা চলে যাওয়ায় তাঁদের ট্রিপ কমে গেছে। আয় কমলেও গাড়ির জমা, খাবার ও অন্যান্য খরচ কমেনি। ফলে বাড়তি ভাড়া না নিলে সংসার চালানো কঠিন বলে মনে করছেন অনেকে। চালক সেলিম বলেছেন, আগে দিনে যত টাকা আয় হতো, এখন তার অর্ধেকও হচ্ছে না। গ্যাসের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলে যাত্রী পাব কোথায়? আবার মালিকের জমা তো দিতেই হবে।
এই সংকটের প্রভাব পড়েছে বাসাবাড়িতেও। নগরের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় দিনের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে চুলা জ্বলছে না। কর্মজীবী মানুষকে রান্না না করেই বের হতে হচ্ছে, কেউ কেউ বাধ্য হয়ে হোটেল থেকে খাবার কিনছেন।

কর্ণফুলী গ্যাস বিতরণ কোম্পানি লিমিটেড (কেজিডিসিএল) জানিয়েছে, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে মহেশখালীতে এলএনজি টার্মিনালগুলো থেকে এলএনজি সরবরাহ প্রায় ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট হ্রাস পেয়েছে। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত কর্ণফুলী গ্যাস অধিভুক্ত এলাকার সব শ্রেণীর গ্রাহক প্রান্তে গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করছে। ফলে আবাসিক গ্রাহকের পাশাপাশি পরিবহন ও শিল্প খাতেও সংকট তৈরি হয়েছে। কেজিডিসিএলের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ কমে যাওয়ায় চট্টগ্রামের বরাদ্দও কমেছে, আর পরিস্থিতি সামাল দিতে বিভিন্ন খাতে গ্যাসের চাপ কমিয়ে লোড ব্যবস্থাপনা করা হচ্ছে। মহেশখালীর একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহ কমে যায়। যাতে দেশের পূর্বাঞ্চলে সংকট তীব্র হয়েছে।

এদিকে গ্যাসের এই সংকট কবে নাগাদ কাটবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি। বৈরী আবহাওয়ার কারণে এলএনজিবাহী জাহাজকে ভাসমান টার্মিনালের সঙ্গে সংযুক্ত করা না গেলে সরবরাহ আরও কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে চট্টগ্রামের শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সিএনজি স্টেশনে গাড়ির দীর্ঘ সারি, গণপরিবহনের সংকট ও বাড়তি ভাড়ার ভোগান্তিও আরও বাড়তে পারে। সব মিলিয়ে গ্যাসের সংকট এখন আর শুধু চুলার আগুন বা কারখানার উৎপাদনের বিষয় নয়, এর প্রভাব পড়ছে নগরবাসীর প্রতিদিনের যাতায়াত, আয়-ব্যয় ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রায়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে লাইটার জাহাজকে ধাক্কা দিল বিদেশি জাহাজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিদেশি জাহাজ ‘এইচজি সিডনি’ একটি লাইটার জাহাজকে সরাসরি এসে আঘাত করেছে। এতে ১০ কোটি টাকার লাইটার জাহাজের ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত অবকাঠামো নষ্ট হয়েছে। সৌভাগ্যবশত জাহাজটি তাৎক্ষণিক সাগরে ডুবে যায়নি। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় এই ঘটনা ঘটে। তবে এতে কোনো নাবিক আহত হননি।

পানামার পতাকাবাহি ‘এপিজে শিরিন’ ৫৫ হাজার টন কয়লা নিয়ে বহির্নোঙরে পৌঁছে ২২ সেপ্টেম্বর। সেই জাহাজ থেকে কয়লা নামিয়ে রাখা হচ্ছিল লাইটার জাহাজ ‘এমভি সানি-৫’তে। এই দুটি জাহাজই পাশাপাশি ছিল। সকাল ৯টার দিকে দূর থেকে প্রবল গতিতে আসছিল বিদেশি জাহাজ ‘এইচজি সিডনি’। জাহজিটি ৫১ হাজার টন সয়াবিন বীজ নিয়ে ব্রাজিল থেকে কুতুবদিয়া এলাকার সাগরে পৌঁছে ২৬ সেপ্টেম্বর।

মঙ্গলবার সকালে জাহাজটি বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছার আগেই প্রচণ্ড গতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে লাইটার জাহাজ ‘এমভি সানি-৫’তে সরাসরি আঘাত করে। এতে জাহাজের সামনের অংশ মুচড়ে যায়। পানির নিচে থাকা অংশও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। লাইটার জাহাজে আঘাত না করলে পুরো গতি সরাসরি ‘এপিজে শিরিন’ এর গায়ে পড়তো।

সরকারের নৌ বাণিজ্য অধিদপ্তরের প্রধান প্রিন্সিপাল অফিসার ক্যাপ্টেন শেখ জালাল উদ্দিন গাজী জানালেন, দুর্ঘটনার খবর আমি জেনেছি। তদন্ত কমিটি গঠন করে বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে যাচাই করা হবে। এ অবস্থায় ক্ষতিপুরণ দাবি করে ‘এইচজি সিডনি’ জাহাজের শিপিং এজেন্ট লিটমন্ড শিপিংকে চিঠি দিয়েছে লাইটার জাহাজ ‘এমভি সানি-৫’ এর মালিক ঢাকাস্থ হোসাইন এন্টারপ্রাইজ।

প্রতিষ্ঠানটির অংশীদার জগন্নাথ কুন্ডু বাপ্পি জানালেন, এমনভাবে আঘাত লেগেছে জাহাজের ওপর থেকে নিচের অংশের সুপার স্ট্রাকচার পর্যন্ত নষ্ট হয়েছে। প্রায় ২৫শ’ টন পরিবহন সক্ষমতার ১০ কোটি টাকার দামের এই জাহাজ কদিন আগে ১ কোটি টাকা খরচ করে ডকিং বা মেরামত করা হয়েছে। ডকিং শেষে এটি প্রথম ট্রিপ ছিল তার আগেই দুর্ঘটনা ঘটল। আমরা যৌথ জরিপের মাধ্যমে ক্ষতি নিরুপণের চিঠি দিয়েছি কিন্তু লিটমন্ড শিপিং আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেনি। পরে অফিসিয়াল ই-মেইলে আমরা তাদের জানিয়েছি।
চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে লাইটার জাহাজ নিয়ন্ত্রণ এবং বাল্ক শিপিং লাইনে বেশ প্রভাবশালী লিটমন্ড শিপিংয়ের মালিক বেলায়েত হোসেন।

দুর্ঘটনার বিষয়ে তিনি জানালেন, চলতে গেলে এমন দুর্ঘটনা তো হয়। ক্ষয়ক্ষতি হলে পিএন্ডআই ক্লাব সেটি নির্ধারণ করবে।‘এইচজি সিডনি’ জাহাজে ৫১ হাজার টন সয়াবিন বোঝাই করে এনেছে বাংলাদেশি আমদানিকারক গ্লোব এডিবল অয়েল। আর সেই জাহাজ কুতুবদিয়া থেকে চালিয়ে আনছিল ভাড়া করা অদক্ষ পাইলট। এরাই বারবার দুর্ঘটনা ঘটাচ্ছে। আর ‘এপিজে শিরিন’ জাহাজ ৫৫ হাজার টন কয়লা এনেছে কিউএনএস শিপিং লজিস্টিক লিমিটেড।

বন্দরে মিলল ৮.২৫ টন তামাক, ঘোষণা স্ক্র্যাপ পেপার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরে একটি চালান শনাক্ত করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)।অন্যের প্রতিষ্ঠানের নাম ও তথ্য ব্যবহার করে আমদানি করা চালানটির কায়িক পরীক্ষায় প্রায় ৮ দশমিক ২৫ মেট্রিক টন তামাক বা তামাকসদৃশ সামগ্রী, বিভিন্ন রঙের সন্দেহজনক পাউডারজাত পদার্থ এবং ‘প্রিন্টেড পেপার ক্যাটালগ’। ঘোষণার বিপরীতে প্রায় ৯ দশমিক ২৬ মেট্রিক টন স্ক্র্যাপ পেপার পাওয়া গেছে। গত ২৭ সেপ্টেম্বর চালানটির কায়িক পরীক্ষা করা হয়। এতে দুটি হাউজ বিল অব ল্যান্ডিং বা বি/ এল এর আওতায় মোট ২ হাজার ৪০ প্যাকেজে ১৭ হাজার ৫১৩ দশমিক ৪ কেজি পণ্য পাওয়া যায়।
এনবিআর জানায়, এমভি উদ্দিপন এক্সপ্রেস জাহাজে কলকাতা থেকে চালানটি আসে। জাহাজটি ২০ সেপ্টেম্বর যাত্রা করে এবং ২২ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়। একই মাস্টার বি/এল এর দুটি হাউজ বি/এল এর মাধ্যমে পণ্যগুলো আমদানি দেখানো হয়। প্রথম হাউজ বি/এল এ পণ্যের ঘোষণা দেওয়া হয় ‘পান মশলা এবং জর্দা’।

এতে ৪৭৩ প্যাকেজের মোট ওজন ৮ হাজার ৯৭৪ কেজি দেখানো হয়। কায়িক পরীক্ষায় ৪৭০ প্যাকেজে মোট ৮ হাজার ২৫০ দশমিক ৪ কেজি তামাক বা তামাকসদৃশ সামগ্রী পাওয়া যায়। এর মধ্যে ডার্ক ব্রাউন রঙের ৪২১ প্যাকেজে ৭ হাজার ৩২৫ দশমিক ৪ কেজি, ব্রাউন রঙের ৩১ প্যাকেজে ৫২৭ কেজি, গ্রে রঙের ১৩ প্যাকেজে ২৭৩ কেজি এবং সাদা রঙের পাঁচ প্যাকেজে ১২৫ কেজি পণ্য রয়েছে।

এনবিআর আরো জানায়, কাস্টমসের কায়িক পরীক্ষায় এসব সামগ্রীর মধ্যে বিভিন্ন রঙের পাউডারজাত পদার্থও পাওয়া যায়, যা বাহ্যিকভাবে মাদকদ্রব্যের মতো সন্দেহজনক বলে প্রতীয়মান হয়েছে। তবে এসব পদার্থে মাদকদ্রব্য বা অন্য কোনো নিষিদ্ধ কিংবা নিয়ন্ত্রিত উপাদান রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। রাসায়নিক ও ল্যাবরেটরি পরীক্ষার পরই পদার্থগুলোর প্রকৃত পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

অন্যদিকে দ্বিতীয় হাউজ বি/ এল এ পণ্যের ঘোষণা দেওয়া হয় ‘ প্রিন্টেড পেপার ক্যাটালগ। এতে ১ হাজার ৫৭০ প্যাকেজের মোট ওজন ৯ হাজার ৮৫৯ দশমিক ৬০ কেজি দেখানো হয়। কিন্তু কায়িক পরীক্ষায় এসব প্যাকেজে পাওয়া যায় ৯ হাজার ২৬৩ কেজি বা প্রায় ৯ দশমিক ২৬ মেট্রিক টন সন্দেহজনক স্ক্র্যাপ পেপার। ফলে ঘোষিত পণ্যের সঙ্গে বাস্তবে পাওয়া পণ্যের প্রকৃতি ও শ্রেণিবিন্যাসে বড় ধরনের অসামঞ্জস্য পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্তের আওতায় নিয়েছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

এনবিআর জানায়, চালানটির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, নথিতে আমদানিকারক হিসেবে ‘অথয় এন্টারপ্রাইজের নাম ব্যবহার করা হয়েছে। তবে প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানিয়েছেন, তিনি বা তার প্রতিষ্ঠান এই আমদানির বিষয়ে সম্পূর্ণ অনবহিত। চালানটির সঙ্গে তাদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কোনো সম্পৃক্ততাও নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।

প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারীর আশঙ্কা, কোনো অসাধু চক্র তার প্রতিষ্ঠানের নাম ও আমদানি-সংক্রান্ত তথ্য ব্যবহার করে এই চালানটি এনেছে। প্রকৃত জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্যও তিনি কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছেন।
এনবিআর জানায়, সিআইআইডিএর কায়িক পরীক্ষায় পাওয়া পণ্য, আমদানির ঘোষণা এবং আমদানি প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য-সবকিছু মিলিয়ে চালানটির প্রকৃত আমদানিকারক, পণ্যের প্রকৃতি এবং আমদানির পদ্ধতি নিয়ে তদন্ত চলছে। সন্দেহজনক পাউডারজাত পদার্থের পরীক্ষার ফল পাওয়া গেলে সেগুলোর প্রকৃত পরিচয়ও নিশ্চিত হবে।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ