সাংগঠনিক প্রয়োজনে বিলুপ্ত চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল কমিটি পুনর্বহাল করা হয় ॥ মোনায়েম মুন্না

মোঃ জহিরুল ইসলাম (জহির) :

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না বলেন, সারা বাংলাদেশসহ ও দেশের বাইরে বিভিন্ন ইউনিট কমিটি মিলিয়ে সর্বমোট যুবদলের ৮২টি ইউনিট কমিটি বিদ্যামান। ঢাকার পরে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট হলো চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল। ফ্যাসিষ্ট হাসিনা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময় একটি বিশেষ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছিল। বিলুপ্ত হওয়ার পরও সভাপতি দিপ্তী সাধারণ সম্পাদক শাহেদ এর নেতৃত্বে কেন্দ্র ঘোষিত সকল কর্মসূচী খুব সুন্দর সুচারুরূপে পালন করে আসছে। সাংগঠনিক প্রয়োজনে বিলুপ্ত চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল কমিটি গত ২৫ আগষ্ট পুনর্বহাল করা হয়।

তিনি আজ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় কাজীর দেউড়ি নাসিমন ভবনস্থ চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে সম্মুখ মাঠে “সমসাময়িক বিষয়াবলী ও সাংগঠনিক স্বাভাবিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে” চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত কর্মীসভায় প্রধান অতিথি বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।

আরও বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের আওতাধীন ১৫টি থানা ও ৪৩টি সাংগঠনিক ওয়ার্ড যুবদলের কমিটি দেওয়া হবে। বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে সবার আগে বাংলাদেশ হৃদয়ে ধারণ করে জাতীয়তাবাদী যুবদলের নেতাকর্মীরা সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড জনগণের মাঝে তুলে ধরবেন। যুবদল সবচেয়ে সুশৃঙ্খল একটি সংগঠন। যুবদলের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ থেকে দেশবিরোধী যেকোন ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে অতীতের ন্যায় প্রস্তুত। তিনি এ সময় চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের কমিটি পুনর্গঠনের ঘোষণা দেন।

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুবদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি জিয়াউর রহমান জিয়া, মাহফুজুর রহমান মাহফুজ ও ফেরদৌস আহমেদ মুন্না, রাজশাহী মহানগর যুবদলের আহবায়ক শরিফুল ইসলাম জনি। উক্ত কর্মীসভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ইকবাল হোসেন, সহ-সভাপতি নুর আহমেদ গুড্ডু, এস এম শাহ আলম রব, শাহেদ আকবর, এম এ রাজ্জাক, ফজলুল হক সুমন, মোহাম্মদ ইলিয়াস, জাহাঙ্গীর আলম, আবদুল গফুর বাবুল, দিদারুল ফেরদৌস, মোহাম্মদ মুছা, মিয়া মো. হারুন, হায়দার আলী চৌধুরী, নাসির উদ্দিন চৌধুরী নাসিম, জসিমুল ইসলাম কিশোর, এডভোকেট ফিরোজ, মজিবুর রহমান, আবু সুফিয়ান, বায়েজিদ বোস্তামি থানা যুবদলের আহবায়ক অরূপ বড়ুয়া, পাঁচলাইশ থানা যুবদলের আহবায়ক মোহাম্মদ আলী সাকি, মহানগর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন, যুগ্ম সম্পাদক হাবিবুর রহমান মাসুম, মো. হুমায়ূন কবির, মোহাম্মদ সেলিম খাঁন,

ইকবাল পারভেজ, রাশেদুল হাসান লেবু, আবদুল্লাহ আল টিটু, মো. এরশাদ উল্লাহ, মো. এরশাদ হোসেন, তাজুল ইসলাম তাজু, আবদুল হামিদ পিন্টু, সেলিম উদ্দিন রাসেল, তৌহিদুল ইসলাম রাসেল, জিয়াউল হুদা জিয়া, শাহিন পাটোয়ারী, ইকরামুল হক ছুট্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা, খুলশী থানা যুবদলের আহবায়ক হেলাল হোসেন হেলাল, চান্দগাঁও থানা যুবদলের আহবায়ক গুলজার হোসেন, মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আলম, আসাদুর রহমান টিপু, সাজ্জাদ হোসেন সাজু, শাহজালাল পলাশ, মজিবুর রহমান রাসেল, সাইফুদ্দিন মো. মারুফ, আহাদ আলী সায়েম, তানভীর মল্লিক, রাজন খান, এস এম ফারুক, সম্পাদক মন্ডলী’র সদস্য নুর হোসেন উজ্জ্বল, জিল্লুর রহমান জুয়েল, মোহাম্মদ সাগির, জসিম উদ্দিন সাগর, মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, মোহাম্মদ আলী, মহিউদ্দিন মুকুল, এস এম বখতেয়ার উদ্দিন, ইফতেখার শাহরিয়ার আজম, মোহাম্মদ নুরুল আমিন, মোহাম্মদ ইকবাল, মোহাম্মদ নওশাদ, সহ সম্পাদক আতিকুর রহমান আতিক, কামাল উদ্দিন, মনোয়ার হোসেন মানিক, শাহেদুল ইসলাম শাহেদ, জহিরুল ইসলাম জহির,

কমল জ্যৌতি বড়ুয়া, কামরুল ইসলাম, জিয়াউল হুদা মিন্টু, মোহাম্মদ মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু, মাহবুবুর রহমান, কোরবান আলী, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, হাফেজ মুহাম্মদ কামাল উদ্দিন, আনোয়ার হোসেন আনু, মোহাম্মদ ইদ্রিস, সালাহউদ্দিন, আরিফ হোসেন, ইয়াছিন আজাদ, আবুল কালাম, মো. জসিম উদ্দিন, নুরুল ইসলাম আজাদ, সিরাজুল ইসলাম শিকদার, দেলোয়ার হোসেন, ফারুক হোসেন স্বপন, ইদ্রিস আলম, গুলজার হোসেন মিন্টু, আবদুল্লাহ আল মামুন জিতু, মোহাম্মদ খোরশেদ, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, হোসেন উজ জামান, নুর জাহেদ বাবলু, জাহাঙ্গীর আলম মানিক, এ কে আজাদ, মো. সাইদুল ইসলাম, মিজানুর রহমান দুলাল, মিফতাহ উদ্দীন শিকদার টিটু, মোহাম্মদ ইউসুফ, জাহাঙ্গীর আলম মানিক, বেলাল উদ্দিন, মহানগর সদস্য হাবিবুল্লাাহ খান, শাবাব ইয়াজদানী, মাহমুদ খান জনি, মোহাম্মদ কলিম উল্লাহ, সোহাগ খান, প্রফেসর মোহাম্মদ সাইদুল হক শিকদার, আবদুল্লাহ আল মামুন, সাব্বির ইসলাম ফারুক, আবদুস সাত্তার, আইয়ুব আলী, জাহেরু মাসুদ, আজিজ চৌধুরী, আবদুল করিম,

শাখাওয়াত কবির সুমন, থানা যুবদলের আহবায়ক নুর হোসেন নুরু, শফিউল আজম, বজল আহমেদ, গিয়াস উদ্দিন টুনু, কুতুব উদ্দিন, ইসমাইল হোসেন লেদু, মোশাররফ আমিন সোহেল, খোরশেদ আলম, হোসনে মোবারক রিয়াদ, মোহাম্মদ ইসমাইল, থানা যুবদলের সদস্য সচিব মোহাম্মদ হাসান, মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু, শওকত খান রাজু, মো: মুসা, মুসফিকুর রহমান নয়ন, ইলিয়াস খান, তাজ উদ্দিন তাজু, মোহাম্মদ রাশেদ, থানা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোর্শেদ কামাল, নুর খান, মুস্তাকিম মাহমুদ, আশিক মল্লিক, সাইফুল আলম রুবেল, মো: ইয়াছিন, খালেদ সাইফুল্লাহ, সাজ্জাদ আহমেদ সাদ্দাম, মো. সোহেল, ওয়ার্ড যুবদলের আহবায়ক আবু বকর বাবু, এস এম আলী, আক্তার হোসেন, সাইফুল আলম, সাদেক আহমেদ, মোহাম্মদ ইউনুছ, বাদশা আলমগীর, মোহাম্মদ হাসান, জহিরুল ইসলাম জহির, মোহাম্মদ মুজাহিদ, মোহাম্মদ এস্কান্দার, সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ মাসুদ, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মেহেদী হাসান রানা, রাসেল খান, সদস্য সচিব আবু তৌহিদ, সোলেয়মান হোসেন মনা প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আওয়ামী লীগ ফেরানোর চেষ্টা করছে জামায়াত : মোহাম্মদ রাশেদ খাঁন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বর্তমান কথাবার্তার সঙ্গে আওয়ামী লীগের বক্তব্যের কোনো পার্থক্য নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মোহাম্মদ রাশেদ খাঁন। শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকালে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির বাবুনগর মাদ্রাসায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন রাশেদ খাঁন। সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেছেন।

জামায়াতের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে রাশেদ খান বলেছেন, দলটি মুখে এক কথা বলে, আর ভেতরে অন্য কিছু ধারণ করে। তারা একদিকে সরকারকে সহযোগিতার কথা বলছে, অন্যদিকে কীভাবে আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে এনে ১৯৯৬ সালের মতো আন্দোলন করা যায়, সেই চেষ্টা করছে। এ কারণে তাদের ভূমিকা নিয়ে সবার মধ্যে সন্দেহ ও সংশয় তৈরি হয়েছে।

সরকার পতনের আন্দোলনের জন্য জামায়াত বিজয়ের মাস ডিসেম্বরকে বেছে নিয়েছে বলে উল্লেখ করেন রাশেদ খাঁন। তিনি বলেছেন, আগামী ডিসেম্বরে দেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তারা রাজপথে থাকবেন। যারা বর্তমান সরকারকে সহযোগিতা না করে সরকার পতনের আন্দোলন করবে এবং সরকারকে ব্যর্থ করার চেষ্টা করবে, দেশের জনগণ তাদের শক্ত হাতে রুখে দেবে।

ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থেকে রাষ্ট্র পুনর্গঠনে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে রাশেদ খাঁন বলেছেন, গণঅভ্যুত্থানের পর সবার দায়িত্ব ছিল রাষ্ট্র পুনর্গঠনে কাজ করা। কিন্তু জামায়াতের সেই বিষয়ে কোনো মনোযোগ নেই। ইসলামকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করে কীভাবে ক্ষমতায় যাওয়া যায়, দলটি সেই চেষ্টা করছে। ইসলামি মূল্যবোধের কথা বলে তারা ইসলামেরই ক্ষতি করছে। এ সময় বর্তমান সরকারকে সহযোগিতার বিষয়ে হেফাজতে ইসলামের আমিরের ইতিবাচক অবস্থানের কথাও তুলে ধরেন রাশেদ খাঁন। তিনি জানান, মাত্র সাত মাসের একটি সরকারের বিরুদ্ধে কেন লংমার্চ করা হচ্ছে, সে প্রশ্ন তুলেছেন হেফাজতের আমির। মুনাফিকি আচরণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে জনগণের কণ্ঠস্বর হিসেবে কাজ করায় হেফাজতের আমিরসহ সংগঠনটির নেতাদের ধন্যবাদ জানান।

বাপ-দাদার সম্পত্তি ছেড়ে দেয়ার হুমকি
আতংকে দিন কাটাচ্ছে একটি পরিবার
চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় বাপ দাদাদের আমল থেকে ভোগ দখলে থাকা একটি সম্পত্তি ছেড়ে দেয়ার হুমকি দিচ্ছে একটি প্রভাবশালী মহল। ওই মহল নিজেদের অংশ রয়েছে দাবি করে জায়গাটি চেড়ে না দিলে জায়গার মালিকের ক্ষতি করবে বলেও শাসিয়ে দেয়া হয়। এ নিয়ে বাকলিয়ার ১৮ নং ওয়ার্ডের কালামিয়া বাজারের মিয়াখান রোড আবুল খায়ের সওদাগরের বাড়ির ইসলাম ভিলার মৃত হাজী নুরুল ইসলামের পুত্র মোহাম্মদ হারুন উর রশিদ (৫৬) দুইটি সাধারণ ডায়েরী করেছেন। একই সাথে চট্টগ্রাম আদালতে একটি মামলাও করেছেন তিনি। বর্তমানে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগার পাশাপাশি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

জানা গেছে, বাকলিয়া থানাধীন রাজাখালী নয়া খালের দক্ষিণ পাশে ইসলাম সওদাগরের কলোনি আরএস খতিয়ান নং-৩৩৩৮, দাগ নং-২১৩৫৪,২১৩৫৫ জায়গায় মোহাম্মদ হারুন উর রশিদ টিনসেড ঘর এবং খালী জায়গা পৈত্রিক সূত্রে মালিক হয়ে ভোগ দখলে রয়েছেন। গত ১৬ জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাজাখানী নয়া খালের দক্ষিণ পাশে ইসলাম সওদাগরের কলোনিতে মৃত ফজল করিমের পুত্র মোহাম্মদ ইদ্রিস (৪৮), মোহাম্মদ আজিজ (৫০),তাদের সহযোগী মিন্টু (২৮) মোহাম্মদ হারুন উর রশিদকে জানান, উক্ত জমিতে তাদের অংশ রয়েছে। যদি তাদের জায়গা ছেড়ে না দেন তাহলে যে কোন ধরনের ক্ষতি করবে বলে হুমকী প্রদান করে। মোহাম্মদ হারুন উর রশিদ তাদের কাগজ পত্র নিয়ে বসতে বললে তাকে গালিগালাজসহ প্রাণনাশের হুমকী ও ভয়ভীতি দেখায়। এতে নিরুপায় হয়ে মোহাম্মদ হারুন উর রশিদ ১৮ জুলাই বাকলিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (নং: ১১৬৮) দায়ের করেন।

একই সাথে বাকলিয়া থানাধীন রাজাখালী বিশ্ব রোড পূর্ব পাশে ইসলাম সওদাগরের কলোনি টিনের ঘর সেমি পাকা দোকান ও দুতলা ভবন বিএস নামজারী খতিয়ান নং -৫৪২/১৩, দাগ নং-৬৪২১,৬৪২২,৬৪২৩,৬৪২৪ জমির পরিমাণ ৩২শতক খরিদা সূত্রে মালিক হয়ে ভোগ দখলে রয়েছেন মোহাম্মদ হারুন উর রশিদ। গত ১২ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টায় রাজাখালী বিশ্ব রোড পূর্ব পাশে ইসলাম সওদাগরের কলোনি টিনের ঘর সেমি পাকা দোকান ও দোতলা ভবনে এসে রাজাখালী খালের দক্ষিণ পাড়ের বাসিন্দা মৃত ফজল করিমের পুত্র মো. ইদ্রিস মিয়া (৫৬), মো. আজিজ মিয়া (৫০), মৃত শমসের আলীর পুত্র মো. আব্বাস আলী (৫৫), তাদের সহযোগী মো. সাদেক প্রকাশ কালু(৩৫) মোহাম্মদ হারুন উর রশিদকে জানায় উক্ত জমিতে তাদের অংশ রহিয়াছে। যদি জায়গা ছেড়ে না দেয় তাহলে যে কোন ধরনের ক্ষতি করবে বলিয়া হুমকী প্রদান করে এবং মোহাম্মদ হারুন উর রশিদের ভাড়াটিয়াদের ঘর ছেড়ে চলে যেতে বলে। মোহাম্মদ হারুন উর রশিদ তাাদের কাগজ পত্র নিয়ে বসতে বললে তাকে ও তার পরিবার পরিজনদের গালাগালিসহ প্রাণনাশের হুমকী ও ভয়ভীতি দেখায়।

এ বিষয়ে ১৩ সেপ্টেম্বর বাকলিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (নং: ১০৪) দায়ের করেছেন।
এর আগে মোহাম্মদ হারুন উর রশিদ বাদী হয়ে একটি মিস মামলা (নং-১২৮৫/২৬ ) দায়ের করেছেন। মামলার ভিত্তিতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চট্টগ্রাম মহানগরের উপ সহকারী প্রশাসিনিক কর্মকর্তা গত ১৪ সেপ্টেম্বর ম্যাজিস্ট্রেটের রেকর্ডের জন্য আদেশনামা প্রদান করেন। এতে বিরোধীয় ভুমি দখল মালিকানা বিষয়ে নির্ধারিত ছক মোতাবেক স্ক্যচ ম্যাপসহ প্রতিবেদনের জন্য সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) ওই ভূমিতে শান্তি শৃংখলা বজায় রাখতে বলা হয়।

মোহাম্মদ হারুন উর রশিদ বলেন, আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি নাকি এদের অংশ রয়েছে। সেটা ভালো কথা, তবে কাগজপত্র নিয়ে বসতে বললে বিভিন্নভাবে গালিগালাজ করে আমাকে ও আমার পরিবারকে হৃমকি দিয়ে আসছে। তিনি বলেন, জায়গা আমাদের তারা কাগজ পাবে কোথায়, সেজন্য তারা বসতে পারছেনা। শুধ জায়গা ছেড়ে দিতে হুমকি দিচ্ছে। বর্তমানে আমি ও আমার পরিবারের লোকজন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছি। তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির দুই প্রার্থীসহ ছয়জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে ঠাকুরগাঁও জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেন।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন পর্যন্ত মোট ছয়জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের সবার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।

বৈধ প্রার্থীরা হলেন, বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীন ও ওবায়দুল্লাহ মাসুদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় জোটের দেলাওয়ার হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের খাদেমুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আব্দুল আলীম নিজামী এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক।

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৭ অক্টোবর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন, ভোটগ্রহণ ২৯ অক্টোবর।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ